হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরেছেন তামিম ইকবাল। তবে বাসায় ফিরে কৃতজ্ঞতা জানালেন সেই চিকিৎসক-ট্রেনারকে, যাঁরা তাঁর জীবন বাঁচাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। গত ২৪ মার্চ বিকেএসপিতে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচ চলাকালীন হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন তামিম।
চার দিনের জরুরি চিকিৎসা শেষে বাসায় ফিরেছেন তামিম ইকবাল। গত সোমবার হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে সাভারের কেপিজে বিশেষায়িত হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন এই তারকা ক্রিকেটার। সেখানেই এনজিওগ্রামের মাধ্যমে তাঁর হৃদ্যন্ত্রে একটি রিং (স্টেন্ট) বসানো হয়। দুই দিন পর উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে
হৃদরোগের চিকিৎসা নেওয়ার পর তামিম ইকবালের ধূমপানের তথ্য প্রকাশ করেছেন তাঁর চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিন তালুকদার, যা চিকিৎসা নৈতিকতার লঙ্ঘন বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। স্বাস্থ্য পেশাজীবীদের মতে, রোগীর ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশ করা পেশাগত দায়িত্বের পরিপন্থী।
কেপিজে হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার পর তামিম ইকবাল এখন আছেন এভারকেয়ার হাসপাতালে। হার্ট অ্যাটাকের ধকল কাটিয়ে সুস্থ হয়ে উঠছেন তিনি। তবে তামিম এখন তাঁর পুরোনো অভ্যাস থেকে বেরিয়ে আসতে পারেননি। আজ চিকিৎসক জানিয়েছেন, হাসপাতালেই ধূমপানের অনুমতি চাইছেন তিনি। তবে বাংলাদেশের তারকা ক্রিকেটারের...
কী পরিমাণ মানসিক চাপে আছেন তামিম ইকবাল, এটা শুধু তিনিই জানেন। হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত তামিম ফিরে এসেছেন মৃত্যুর দুয়ার থেকে। বাংলাদেশের বাঁহাতি ব্যাটার এমন ঘটনায় মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন।
একটু এদিক-ওদিক হলেই তামিম ইকবাল চলে যেতেন না ফেরার দেশে। তামিম যখন মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছিলেন, সেই মুহূর্তে আকরাম খানও ছিলেন ভীষণ দুশ্চিন্তায়। সেই উৎকণ্ঠার মুহূর্তে আকরামকে জানানো হয়েছিল, তামিম আর নেই!
গতকাল ইফতারের পরই সাভারের কেপিজে হাসপাতাল থেকে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে তামিম ইকবালকে। এ দিন সকাল থেকে তামিম নিজেই চাচ্ছিলেন ঢাকায় চলে আসতে। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাঁর শারীরিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ শেষে প্রয়োজনীয়...
ইফতারের পরই সাভারের কেপিজে হাসপাতাল থেকে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে তামিম ইকবালকে। সন্ধ্যার কিছু পর তামিমকে হুইলচেয়ারে বের করে আনা হয় কেপিজে হাসপাতাল থেকে।
ইফতারের পরপর সাভারের কেপিজে হাসপাতালের চতুর্থ তলার পূর্বকোণে কাচঘেরা দরজা দিয়ে অপেক্ষা করছিলেন তামিমের স্ত্রীসহ বাকি স্বজনেরা। আজ বিকেলের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়—তামিম ইকবালকে দ্রুত ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হবে। সন্ধ্যার কিছু পর তামিমকে হুইলচেয়ারে করে বের করে আনা হয় হাসপাতাল থেকে।
বিকেএসপির তিন ও চার নম্বর মাঠ, মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়াম—তিন মাঠেই আজ ডিপিএলের ম্যাচ শুরুর আগে ক্রিকেটার, ম্যাচ কর্মকর্তা সবাই দোয়া পড়েছেন। তামিম ইকবালের সুস্থতা কামনা করেই মূলত এই বিশেষ দোয়া পড়া হয়েছে। এই দিনে লিটন দাসের ঝোড়ো ইনিংস ম্লান হয়েছে এনামুল হক বিজয়ের সেঞ্চুরিতে।
তামিম ইকবালকে উৎকণ্ঠা গতকাল থেকেই। পরিবার-পরিজন, সতীর্থ থেকে শুরু করে ভক্ত-সমর্থক সবাই চিন্তিত তামিমকে নিয়ে। যে যেভাবে পেরেছেন বাংলাদেশের এই বাঁহাতি ব্যাটারের খোঁজ নিয়েছেন। দুঃসময়ে সকলের এমন ভালোবাসা পেয়ে আবেগী হয়ে উঠেছেন তামিম।
সুস্থ তামিম ইকবাল হঠাৎ অসুস্থ অনুভব করায় ভর্তি করা হয় বিকেএসপির নিকটবর্তী কেপিজে হাসপাতালে। গতকাল থেকেই এই হাসপাতালে ভিড় লেগে আছে। বাংলাদেশের তারকা ক্রিকেটারকে দেখতে হাসপাতালে এসেছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) কর্মকর্তা...
বিকেএসপির ৩ নম্বর মাঠে ফিল্ডিংয়ের সময় হঠাৎই গতকাল তামিম ইকবালের হৃৎস্পন্দন ‘থেমে’ গিয়েছিল। একটু এদিক-ওদিক হলে হয়তো বাংলাদেশের এই বাঁহাতি ক্রিকেটারকে বাঁচানো যেত না। তামিমকে তৎক্ষণাৎ সিপিআর (কার্ডিওপালমোনারি রিসাসিটেশন) দিয়ে হৃৎস্পন্দন চালু রাখেন মোহামেডানের ট্রেনার ইয়াকুব চৌধুরী ডালিম।
তামিম ইকবালকে নিয়ে উৎকণ্ঠা গতকাল থেকেই। টসের সময় এতটাই অসুস্থ হয়ে পড়েন যে হেলিকপ্টারে নেওয়ার অবস্থায় ছিলেন না তিনি। তড়িঘড়ি করে বিকেএসপির নিকটবর্তী কেপিজে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ধীরে ধীরে তাঁর শারীরিক অবস্থা উন্নতি হলেও...
বিকেএসপির নিকটবর্তী কেপিজে হাসপাতালে গতকাল থেকেই ভিড়। হঠাৎই হৃদরোগে আক্রমণে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ায় তামিম ইকবালকে নিয়ে তৈরি হয়েছে উৎকণ্ঠা। বাংলাদেশের তারকা ক্রিকেটারকে নিয়ে ধীরে ধীরে দূর হচ্ছে দুশ্চিন্তা।
দুই বছর আগে দেশের একটি মোবাইল ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠানের শুভেচ্ছাদূত হিসেবে এক দরিদ্র বাবার হার্টে রিং পরানোর দায়িত্ব নিয়েছিলেন তামিম ইকবাল। ভাগ্যের কী নির্মম পরিহাস—দুই বছর পর তিনি নিজেই হৃদ্রোগে আক্রান্ত। ৩৬ বছর বয়সে জীবন-মৃত্যুর সীমানায় পৌঁছে গিয়েছিলেন তামিম। তবে সময়মতো সঠিক চিকিৎসায় কাল বড় বিপদ কেটে
বিকেএসপিতে গতকাল ম্যাচ শুরু হওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যেই তামিম ইকবালকে নেওয়া হয় হাসপাতালে। হৃদরোগে আক্রান্ত তামিমকে নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট দিয়েছেন লিটন দাস, সৌম্য সরকার, মেহেদী হাসান মিরাজরা। কিছুক্ষণ আগে তামিমের সুস্থতা কামনা করে দোয়া চাইলেন সাকিব আল হাসান।