
বর্ষা মৌসুমে শেষে শুষ্ক মৌসুমেও থামছে না উপকূলীয় জেলা বরগুনার তিনটি নদীতীরের ভাঙন। অসময়ের এই ভাঙনে আতঙ্কে দিন কাটছে নদীতীরের কয়েক হাজার বাসিন্দার। জেলার পায়রা, বলেশ্বর ও বিষখালী নদীর ভাঙনে প্রায় দুই কিলোমিটার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার পথে।

মেঘনা নদী থেকে জেগে ওঠা নতুন চর নোয়াখালীর সুবর্ণচরের আয়তন বাড়ালেও একই সঙ্গে ভয়াবহ ভাঙনে বিলীন হচ্ছে জনপদ। শুধু সুবর্ণচর নয়, উপকূলীয় জেলা নোয়াখালীর সর্বত্রই চলছে নদীর এই ভাঙা-গড়ার খেলা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শেষ পর্যন্ত টিকে থাকা ভূমির পরিমাণ ভাঙনের চেয়ে বেশি হলেও নতুন জেগে ওঠা চরগুলো এখনো বসতিস্থাপনের

ভিটেবাড়ি ও ফসলি জমি একে একে নদীগর্ভে চলে যাওয়ায় এখন আব্দুল রাজ্জাক দম্পতি কার্যত আশ্রয়হীন। একসময় যাঁর নিজের জমি ছিল, আজ তিনি অন্যের দেওয়া সামান্য জমিতে মাথা গোঁজার ঠাঁই খুঁজছেন।

কারখানা নদীর লাগাতার ভাঙনে দিশেহারা পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়নের হাজারো পরিবার। একসময়ের কৃষিভিত্তিক সমৃদ্ধ গ্রাম এখন পরিণত হয়েছে বিলাপের জনপদে। একেকটি ঘর, জমি আর গৃহস্থালি যেন গিলে খাচ্ছে ক্ষুধার্ত নদী। এই নদীর করাল থাবায় নিঃস্ব হয়ে আজ আশ্রয়হীন হয়ে পড়েছে বহু পরিবার।