সুন্দরবন দিবস উপলক্ষে আজ শুক্রবার বাগেরহাটের মোংলায় বাঁচাও সুন্দরবন শীর্ষক শোভাযাত্রা শেষে পৌরসভা চত্বরে সমাবেশ হয়। এতে বক্তারা বলেন, বনবিনাশী রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ এবং বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন করতে পারলে সুন্দরবন ভালো থাকবে। কোনো ধরনের বৈজ্ঞানিক গবেষণা ছাড়াই সুন্দরবনের চারপাশে শিল্পকারখানা...
ঠাকুরগাঁও সদরে একটি বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে উড়ে আসা কালিতে আশপাশের মানুষের জীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার প্রতিবাদে এবং ক্ষতিপূরণের দাবিতে আজ শুক্রবার বিক্ষোভ হয়েছে।
ভারতের বিলিয়নিয়ার ব্যবসায়ী গৌতম আদানির মালিকানাধীন আদানি পাওয়ার কোম্পানি বর্তমানে একাধিক সমস্যার মধ্যে পড়েছে; বিশেষ করে বাংলাদেশের সঙ্গে চুক্তি নিয়ে বিতর্ক, বিপুল বকেয়া পাওনা এবং অতিরিক্ত বিদ্যুতের ব্যবহার নিয়ে অনিশ্চয়তা—সব মিলিয়ে প্রতিষ্ঠানটি কঠিন অবস্থায় রয়েছে।
মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ঋণের টাকা রাশিয়াকে পরিশোধ করার বিষয়টি আটকে যায়। এ বিষয়ে যে জটিলতা দেখা দিয়েছে তার সুরাহা করতে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে দুই দেশের সরকার।
ব্যবস্থাপনা পরিচালককে (এমডি) অপসারণসহ ৯ দফা দাবিতে পটুয়াখালী পায়রা ১৩২০ মেগাওয়াট তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের ভূমি অধিগ্রহণে ক্ষতিগ্রস্তরা মানববন্ধন করেছেন। আজ রোববার জেলার কলাপাড়া প্রেসক্লাবের সামনে এ মানববন্ধন হয়।
মেগা প্রকল্প পটুয়াখালী তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র শিগগিরই পরীক্ষামূলক উৎপাদনে আসছে। চলতি মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে চালু হচ্ছে ৬৬০ মেগাওয়াটের প্রথম ইউনিট। দ্বিতীয় ইউনিটে উৎপাদন শুরু হবে জুনে।
দেশের প্রথম পরমাণুনির্ভর রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের অবকাঠামো নির্মাণ ও যন্ত্রাংশ স্থাপনের কাজ শেষ হয়েছে। প্রথম ইউনিটের চূড়ান্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করতে প্রকল্পের কর্মীরা পরীক্ষা কার্যক্রম শুরু করেছেন
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সামিট পাওয়ার লিমিটেডের আরও দুটি বিদ্যুৎকেন্দ্র—জাঙ্গালিয়া (গ্যাসভিত্তিক, ৩৩ মেগাওয়াট) এবং মদনগঞ্জ (এইচএফও-ভিত্তিক, ১০২ মেগাওয়াট)—উৎপাদন বন্ধ হয়েছে। এর ফলে প্রতিষ্ঠানটির মোট পাঁচটি বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ হয়ে গেল। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
খুলনার রূপসায় নিউজপ্রিন্ট মিলের জায়গায় ৪০০ মেগাওয়াটের দুই ইউনিটে ৮০০ মেগাওয়াটের একটি গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের কাজ শেষ হয়েছে বেশ কিছুদিন আগে। প্রায় সাড়ে ৮ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত কেন্দ্রটি আগামী তিন বছরের মধ্যে চালু না হলে যন্ত্রপাতি নষ্ট হতে থাকবে। এ কারণে কেন্দ্রটিতে জরুরি ভিত্তি
ঝাড়খণ্ডের গোড্ডা পাওয়ার প্ল্যান্টে উৎপাদিত কিছু বিদ্যুৎ নিজ দেশেও বিক্রি করতে চায় ভারতীয় শিল্প গোষ্ঠী আদানি। আর এ লক্ষ্যে তারা ভারতে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে বিজেপি সরকারের কাছে বিশেষ ছাড় চেয়েছে। বিষয়টির সঙ্গে পরিচিত একাধিক সূত্রের বরাত দিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম
শেখ হাসিনা সরকারের আমলে গত সাড়ে ১৫ বছরে বেসরকারি ও যৌথ অংশীদারত্ব মিলিয়ে ৮৯টি বিদ্যুৎকেন্দ্রের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এসব কেন্দ্রের সঙ্গে করা বেশির ভাগ চুক্তিই নানা কারণে প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে বড় বড় বিদ্যুৎ উৎপাদন
দেশে গত ১৫ বছরে ৮২টি বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের অনুমতি দিয়েছে সরকার। এসব বিদ্যুৎকেন্দ্র শুধু ক্যাপাসিটি চার্জই (কেন্দ্রভাড়া) নিয়েছে ১ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকা। এ ছাড়া বিনা দরপত্রে কেন্দ্র দেওয়ায় বিদ্যুতের দামও পড়েছে বেশি। সেই বাড়তি দাম গিয়ে পড়েছে সাধারণ ভোক্তার কাঁধে।
বন্ধ থাকা সরকারি সব বিদ্যুৎকেন্দ্র সচলের জন্য পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। সেই সঙ্গে কুইক রেন্টাল সংক্রান্ত বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধি (বিশেষ বিধান) আইন, ২০১০ এর ৬ (২) ও ৯ ধারা অবৈধ ও অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হয়েছে।
২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে গত জুন পর্যন্ত ১৫ মাসে শুধু কয়লার দাম বাবদ বাংলাদেশ থেকে প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকা বাড়তি নিয়েছে ভারতের বৃহৎ শিল্প গ্রুপ আদানি। রামপাল ও পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য কয়লা কেনার সময় সর্বোচ্চ ৪০ শতাংশ ডিসকাউন্ট (মূল্যছাড়) পাওয়া গেলেও আদানি বিদ্যুৎকেন্দ্রের ক্ষেত্রে তা পায়নি বিদ্যুৎ
বাংলাদেশের কাছে বিদ্যুৎ বাবদ পাওনা পরিশোধের জন্য সময় বেঁধে দেওয়ার বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছে আদানি গ্রুপ। ভারতীয় বিদ্যুৎ কোম্পানিটি বলছে, তারা সাত দিনের মধ্যে পুরোটা পরিশোধের দাবি করেনি। এ বিষয়ে ভারতীয় গণমাধ্যমে খবর প্রকাশ করার পর আদানির পক্ষে জনসংযোগ প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই ব্যাখ্
সম্ভাব্য বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে নবায়নযোগ্য শক্তিনির্ভর বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর জন্য শতভাগ কর অব্যাহতি দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। এবিষয়ে আজ মঙ্গলবার (২৯ অক্টোবর) জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।
মধ্য আমেরিকার দেশ কিউবায় বিদ্যুতের সংকট দেখা দিয়েছে। পুরো দেশেই বিদ্যুৎ ব্ল্যাকআউটের কারণ হলো, দেশটির সবচেয়ে বড় বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রটি বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। অর্থসংকটে ভুগতে থাকা কিউবায় বিগত কিছুদিন ধরেই বিদ্যুতের সংকট দেখা দিলেও এই প্রথম পুরো দেশই বিদ্যুৎহীন হওয়ার ঘটনা ঘটল।