
বার্ন ইনস্টিটিউটের চিকিৎসকদের কাছে আবিদের সুস্থতা ছিল এক বিশাল চ্যালেঞ্জ। দুর্ঘটনায় আবিদের শরীরের ২২ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। তবে ক্ষত গভীর হওয়ায় তার রক্তে সংক্রমণ (সেফটিসেমিয়া) ছড়িয়ে পড়েছিল।

বার্ন ইনস্টিটিউটের পরিচালক মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন বলেন, বিমান দুর্ঘটনায় আহত ৫৭ জন এখান থেকে চিকিৎসা নিয়েছে। তাদের মধ্যে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছে ২০ জন। একজনকে ট্রমা ম্যানেজমেন্টের জন্য মানসিক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তিনজন এখনো চিকিৎসাধীন। তবে তারা সবাই আশঙ্কামুক্ত।

রাজধানীর উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের ঘটনার তদন্ত প্রতিবেদন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, পাইলটের উড্ডয়নে ত্রুটির কারণে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। তিনি বিমানটি উড্ডয়নের পর নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যর্থ হন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে হাসপাতালের জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান বলেন, বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় নিলয়ের দেহের ২৫ শতাংশ ও রুপির ২০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। হাসপাতালে দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর তারা সেরে ওঠায় আজকে তাদের ছাড়পত্র দেওয়া হলো।