
যশোর গণহত্যার অধিকাংশ শহীদ রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি না পাওয়ায় তাঁদের স্বজন, মুক্তিযোদ্ধা ও সুধীজনেরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। শনিবার সন্ধ্যায় যশোর গণহত্যা দিবসে আয়োজিত স্মরণসভায় বক্তারা এই ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘দেশের প্রথম নারী মুক্তিযোদ্ধা স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সহধর্মিণী সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। সেদিন তাঁর কাছে সেনাসদস্যরা এসে পরামর্শ চেয়েছিলেন।

মুক্তিযোদ্ধা না হয়েও কীভাবে অনেকে মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন, তা খতিয়ে দেখতে কাজ করছে সরকার। এ বিষয়ে অল্প সময়ের মধ্যেই সুনির্দিষ্ট সংখ্যা জানানো হবে বলে জানিয়েছেন আহমেদ আযম খান। আজ মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে বিএনপির সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শামীম কায়সারের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক

নোটিশে বলা হয়, সরকার স্বীকৃতিপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাদের মাসিক ভাতা, কোটা এবং বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় সুবিধা প্রদান করছে। কিন্তু স্বাধীনতার এত দিন পরও ৩০ লাখ শহীদ এবং দেশের জন্য সম্ভ্রম হারানো ২ লাখ নারীর পূর্ণাঙ্গ তালিকা যাচাই-বাছাই করে প্রকাশ করতে রাষ্ট্রের ব্যর্থতা ঐতিহাসিক অবিচার এবং জাতীয় ট্র্যাজেডি।