কত রকমের রেকর্ডই তো হয়! এবার নাক দিয়ে ঠেলে ঠেলে একটি চিনাবাদাম পাহাড়ে উঠিয়ে অদ্ভুত রকমের রেকর্ড গড়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের এক ব্যক্তি। ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভি বলছে, বব সালেম একুশ শতকের সেই প্রথম ব্যক্তি যিনি ৫৩ বছর বয়সে এই বিরল রেকর্ডটি করেছেন।
বব থাকেন যুক্তরাষ্ট্রের কলোরাডোয়। গত ৯ জুলাই তিনি শুরু করেছিলেন সেই অদ্ভূতকাণ্ড—নাক দিয়ে বাদাম ঠেলা। সাত দিন ধরে তিনি এ কাজ করেছেন। অতঃপর ১৫ জুলাই ‘মিশন সমাপ্ত’ ঘোষণা করেছেন। মিশন! হ্যাঁ, এ তো এক মিশনই বটে। যাঁরা কলোরাডোর ম্যানিটো স্প্রিংস শহরের ফেসবুক পেজ থেকে শেয়ার করা ভিডিওটি দেখেছেন, তাঁরা নিশ্চয় স্বীকার করবেন, বব সালেম এক অসম্ভব মিশনই সমাপ্ত করেছেন।
অনন্য এ ইতিহাস সৃষ্টি করার পর বব সালেম বলেছেন, ম্যানিটো স্প্রিংসের মতো শহর আর নেই। এত সুন্দর। এ শহরের ১৫০ তম উদ্যাপন উপলক্ষে এমন কীর্তি গড়তে পেরে আমি আনন্দিত। আমার সঙ্গে আমার শহরটিও ইতিহাসে জায়গা করে নিয়েছে। ইতিহাসে স্থান করে নিয়েছে ‘পাইক পিকস’ নামটিও।
রকি পর্বতমালার একটি অংশের নাম পাইক পিকস। এই পাইক পিকসের ওপরেই নাক দিয়ে বাদাম ঠেলে তুলেছেন বব সালেম।
ববের বাদাম ঠেলার ভিডিওটি অনেক মানুষ আগ্রহ নিয়ে দেখছেন। ইতিমধ্যে ৯ হাজার বার দেখা হয়েছে। ভিডিওর নিচে অনেকেই চমৎকার মন্তব্য করছেন।

কাঁকড়াটি খাওয়ার পরদিন থেকেই এমার শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে। তাঁর ঠোঁট নীল হয়ে যায় এবং তাঁর বারবার খিঁচুনি হচ্ছিল। পরবর্তীকালে অচেতন অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। কিন্তু চিকিৎসকেরা তাঁকে বাঁচাতে পারেননি। স্থানীয় গ্রামপ্রধান ল্যাডি গেমাং বলেন, এমা এবং তাঁর স্বামী দুজনেই অভিজ্ঞ মাছ শিকারি...
৮ দিন আগে
প্রাত্যহিক জীবনের ছোটখাটো ভুল যে কখনো কখনো বড় কোনো বিপদের খোঁজ এনে দেয়, তারই এক চিত্র যেন দেখা গেল অ্যান্ডি জনসনের পরিবারে। সম্প্রতি পিপল ডটকমের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, কীভাবে ছেলের পায়ে ভুল জুতা পরিয়ে দেওয়ার একটি সাধারণ ঘটনা এক বাবার ক্রমশ দৃষ্টিশক্তি হারানোকে সামনে নিয়ে এল।
১২ দিন আগে
অলিম্পিক মানেই রেকর্ড আর সাফল্যের লড়াই। কিন্তু ২০২৬ মিলান-কোর্টিনা শীতকালীন অলিম্পিকের মঞ্চে এবার এক নজিরবিহীন ও বিচিত্র বিতর্কের জন্ম হয়েছে। পুরুষ স্কি জাম্পাররা তাঁদের লিঙ্গে ‘হায়ালুরোনিক অ্যাসিড’ ইনজেকশন দিয়ে শরীরের আয়তন বাড়ানোর চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
১৪ দিন আগে
ভাগ্য আর দক্ষতা যখন এক হয়ে যায়, তখনই মনে হয় এমন কিছু ঘটে যা মিরাকলই বলা যায়। তেমনই কিছু ঘটেছে গণিতে পিএইচডিধারী এক নারীর জীবনে। ১৭ বছরে চারবার লটারি জিতে ২ কোটি ডলারেরও বেশি অর্থ পেয়েছেন তিনি। যা কি না সাধারণ লটারি জেতার প্রচলিত সব পরিসংখ্যানকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে দিয়েছে।
১৬ দিন আগে