ডেস্ক রিপোর্ট
নারীর ওপর আরোপিত বিধিনিষেধ ও গোঁড়ামির বিরুদ্ধে বলিষ্ঠ কণ্ঠগুলোর অন্যতম রোকেয়া রহমান। শুধু নারীমুক্তি আন্দোলন নয়, তিনি ছিলেন শিক্ষাবিদ ও সমাজসেবক। ফরিদপুর জেলার ভূমিহীন নারীদের স্বনির্ভর করার জন্য চালু করেছিলেন ‘সপ্তগ্রাম নারী স্বনির্ভর পরিষদ’। আশির দশকে কয়েক শ গ্রাম এবং কয়েক হাজার নারী এই সংগঠনের অন্তর্ভুক্ত হন।
১৯২৫ সালের ৪ অক্টোবর জন্মেছিলেন রোকেয়া রহমান। শিয়ালদহের লরেটো কনভেন্ট স্কুলে তাঁর শিক্ষাজীবন শুরু। লেডি ব্র্যাবোর্ন কলেজে ভূগোল বিষয়ে পড়াশোনা করে কলকাতা প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে ইতিহাসে এমএ করেন তিনি। দেশভাগের পর কলকাতা থেকে বাংলাদেশে এসে প্রথমে চট্টগ্রাম এবং পরে ঢাকায় স্কুলশিক্ষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। ১৯৫৭ সালে লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়
থেকে দ্বিতীয়বার ইতিহাসে এমএ ডিগ্রি নিয়ে ফিরে এসে যোগ দেন ইডেন কলেজের ইতিহাস বিভাগের বিভাগীয় প্রধান হিসেবে।
প্রত্নতাত্ত্বিক ঐতিহ্যের প্রতি প্রবল আকর্ষণ থেকে ময়নামতী প্রত্নস্থলের ওপর একটি প্রামাণ্যচিত্র নির্মাণ করেন রোকেয়া রহমান। ১৯৬৮ সালে তিনি নিযুক্ত হন চট্টগ্রাম মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে। উচ্চশিক্ষার জন্য ১৯৭৬ সালে আবারও ইংল্যান্ডে গিয়ে দেশে ফিরে আর শিক্ষকতা পেশায় যোগ দেননি। ২০০০ সালের ২৮ জুলাই মারা যান রোকেয়া রহমান কবীর।
নারীর ওপর আরোপিত বিধিনিষেধ ও গোঁড়ামির বিরুদ্ধে বলিষ্ঠ কণ্ঠগুলোর অন্যতম রোকেয়া রহমান। শুধু নারীমুক্তি আন্দোলন নয়, তিনি ছিলেন শিক্ষাবিদ ও সমাজসেবক। ফরিদপুর জেলার ভূমিহীন নারীদের স্বনির্ভর করার জন্য চালু করেছিলেন ‘সপ্তগ্রাম নারী স্বনির্ভর পরিষদ’। আশির দশকে কয়েক শ গ্রাম এবং কয়েক হাজার নারী এই সংগঠনের অন্তর্ভুক্ত হন।
১৯২৫ সালের ৪ অক্টোবর জন্মেছিলেন রোকেয়া রহমান। শিয়ালদহের লরেটো কনভেন্ট স্কুলে তাঁর শিক্ষাজীবন শুরু। লেডি ব্র্যাবোর্ন কলেজে ভূগোল বিষয়ে পড়াশোনা করে কলকাতা প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে ইতিহাসে এমএ করেন তিনি। দেশভাগের পর কলকাতা থেকে বাংলাদেশে এসে প্রথমে চট্টগ্রাম এবং পরে ঢাকায় স্কুলশিক্ষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। ১৯৫৭ সালে লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়
থেকে দ্বিতীয়বার ইতিহাসে এমএ ডিগ্রি নিয়ে ফিরে এসে যোগ দেন ইডেন কলেজের ইতিহাস বিভাগের বিভাগীয় প্রধান হিসেবে।
প্রত্নতাত্ত্বিক ঐতিহ্যের প্রতি প্রবল আকর্ষণ থেকে ময়নামতী প্রত্নস্থলের ওপর একটি প্রামাণ্যচিত্র নির্মাণ করেন রোকেয়া রহমান। ১৯৬৮ সালে তিনি নিযুক্ত হন চট্টগ্রাম মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে। উচ্চশিক্ষার জন্য ১৯৭৬ সালে আবারও ইংল্যান্ডে গিয়ে দেশে ফিরে আর শিক্ষকতা পেশায় যোগ দেননি। ২০০০ সালের ২৮ জুলাই মারা যান রোকেয়া রহমান কবীর।
‘প্রিয় বাবাজান, তুমি কখন ফিরে আসবে? যখনই আমি খাবার খাই বা পানি পান করি, তোমাকে খুব মনে পড়ে। বাবা, তুমি কোথায়? আমি তোমাকে খুব অনুভব করি। আমি একা। তোমায় ছাড়া আমি ঘুমাতে পারি না। আমি শুধু তোমার সঙ্গে দেখা করতে চাই। তোমার মুখ দেখতে চাই।’
৯ দিন আগেরমজান মাস মানেই খাবারের বিচিত্র আয়োজন। এই রমজানে অনেকে পরিবারের মানুষদের নিয়ে ভালো সময় কাটাতে ইফতারের আয়োজন করেন বাড়িতে। বন্ধুবান্ধব কিংবা অফিসেও থাকে ইফতার নিয়ে নানান আয়োজন। অনেকে খাবার অর্ডার করেন নামী রেস্টুরেন্ট থেকে...
৯ দিন আগেবাংলাদেশের সংস্কৃতি ও সংগীতজগতের কিংবদন্তিতুল্য নাম সন্জীদা খাতুন। তিনি ছিলেন একাধারে একজন সংগীতশিল্পী, শিক্ষক, লেখক এবং ছায়ানটের সভাপতি। গতকাল ২৫ মার্চ, ৯২ বছর বয়সে তিনি চলে গেছেন না ফেরার দেশে। সন্জীদা খাতুন ২০২১ সালে ভারতের...
৯ দিন আগেমানবাধিকার নিয়ে কাজ করা বেসরকারি সংস্থা মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের (এমজেএফ) চেয়ারপারসন হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন পারভীন মাহমুদ। আজ রোববার এ পদে মনোনীত হওয়ার আগে তিনি এমজেএফের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ সব তথ্য জানিয়েছে সংস্থাটি
১১ দিন আগে