রেকর্ড করা হয় সেটা ভাঙার জন্য। কিন্তু একজন মানুষ, আবার তিনি যদি নারী হয়ে রেকর্ডের পর রেকর্ড করে যেতে থাকেন, সেটাকে অনেক সময় অবিশ্বাস্য বলে মনে হবে। হ্যাঁ, মেরি টেরেসা স্ল্যানি তেমনই একজন ক্রীড়াবিদ। তাঁর করা একটি রেকর্ড টিকে ছিল প্রায় চার দশক।
মেরি টেরেসা স্ল্যানি ছিলেন আমেরিকান মধ্যম এবং দীর্ঘ দূরত্বের দৌড়বিদ। এ ছাড়া তিনি ছিলেন একজন টেনিস খেলোয়াড়। দৌড় ও টেনিস—উভয় ক্ষেত্রেই তিনি রেকর্ড করেছিলেন। মেরি পুরো ক্যারিয়ারে মোট ১৭টি আনুষ্ঠানিক এবং অনানুষ্ঠানিক বিশ্ব রেকর্ড করেছিলেন।
আর ৮০০ মিটার থেকে ১০ হাজার মিটার পর্যন্ত বিভিন্ন দূরত্বের দৌড়ে ৩৬টি মার্কিন জাতীয় রেকর্ড গড়েছিলেন তিনি। এসব রেকর্ডের কারণে তাঁকে ‘রেকর্ড মানবী’ বলা যেতেই পারে।
মেরি ১৯৮৩ সালের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে ১ হাজার ৫০০ মিটার এবং ৩ হাজার মিটার দৌড়ে সোনার পদক জেতেন। তিনি ৫ হাজার মিটার এবং ১০ হাজার মিটার দৌড়ে বিশ্ব রেকর্ডধারী ছিলেন। প্রথম নারী হিসেবে দৌড় প্রতিযোগিতায় ৪ মিনিট ২০ সেকেন্ডের রেকর্ড ভেঙেছিলেন তিনি।
মেরি টেরেসার ১ হাজার ৫০০ মিটার রেকর্ড ৩২ বছর এবং মাইল (১ হাজার ৭৬০ গজ) রেকর্ড ৩৮ বছর ধরে টিকে ছিল।
মেরি টেরেসা ১৯৭২ সালের ২৬ মার্চ আন্তর্জাতিক টেনিস ম্যাচে সবচেয়ে কম বয়সী টেনিস খেলোয়াড় হিসেবে রেকর্ড করেন। ১৯৮০ সালের ২৫ জানুয়ারি মাইল দৌড়ে ৪ মিনিট ২০ সেকেন্ডের সময়সীমা ভেঙে রেকর্ড করেন।

প্রবাদ বলে, প্রত্যেক সফল পুরুষের পেছনে একজন নারী থাকেন। এই প্রবল নারী বিরোধিতার যুগেও সেটা দেখা গেল পার্বত্য চট্টগ্রামে। সে অঞ্চলের রাজনীতির আকাশে অনন্য নাম অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ান। এই রাজনীতিবিদের এবারের ভূমিধস বিজয়ের পেছনে প্রচ্ছন্ন নয়, একেবারে প্রত্যক্ষ যোগাযোগ আছে তাঁর সহধর্মিণী মৈত্রী...
২১ ঘণ্টা আগে
দেশে নারীদের মোটরসাইকেল চালনার হার ধীরে ধীরে বাড়ছে। বর্তমানে মোট মোটরসাইকেল চালকের প্রায় ১ শতাংশ নারী। তবে গবেষকেরা জানাচ্ছেন, সামাজিক মনোভাবের পরিবর্তন, যানজট, ব্যক্তিগত চলাচল এবং আয়ের প্রয়োজন বেড়ে যাওয়ায় নারী বাইকারের সংখ্যা বাড়ছে।
২ দিন আগে
আগুনে পুড়ে খাঁটি সোনা হওয়ার গল্প আমরা অনেক শুনেছি। কিন্তু ঝু কুনফেইর গল্পটাকে বলতে হয় কাচ ঘষে হীরা হওয়ার গল্প। চীনের এক প্রত্যন্ত গ্রামের চরম দারিদ্র্য থেকে উঠে আসা এই ব্যক্তিত্ব আজ বিশ্বের চতুর্থ শীর্ষ ধনী ‘সেলফ-মেড’ নারী। অ্যাপল, স্যামসাং কিংবা টেসলার মতো বিশ্বখ্যাত ব্র্যান্ডের টাচস্ক্রিন সাম্র
২ দিন আগে
বিবাহবিচ্ছেদের জন্য আদালতে যেসব কারণ সাধারণত গ্রহণযোগ্য বলে বিবেচিত হয়, সেগুলোর মধ্যে আছে, দীর্ঘমেয়াদি ভরণপোষণের অভাব, মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন, পরিবারের প্রতি দায়িত্বহীনতা এবং মানসিক, সামাজিক ও আর্থিকভাবে একসঙ্গে থাকা অসহনীয় অবস্থা।
২ দিন আগে