
দলীয় নেতা-কর্মীদের ধর্মীয় ইস্যুতে জনপরিসরে মন্তব্য করার বিষয়ে ‘অত্যন্ত সতর্ক’ হতে নির্দেশ দিয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। গত সপ্তাহে ক্ষমতাসীন দলের দুই নেতা ইসলাম ধর্মের নবীকে নিয়ে কটূক্তি করার পর দেশে-বিদেশে কড়া প্রতিবাদের মুখোমুখি হয় দলটি। তারই পরিপ্রেক্ষিতে দলীয় নেতা-কর্মীদের এই নির্দেশনা দেওয়া হলো দলটির পক্ষ থেকে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, বিজেপির নেতা-কর্মীদের মৌখিকভাবে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন দলের দুই জ্যেষ্ঠ নেতা। নাম প্রকাশ না করার শর্তে তাঁরা জানিয়েছেন, দলের ৩০ জনেরও বেশি জ্যেষ্ঠ নেতা এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। দলের কোন কোন নেতা বিভিন্ন সম্প্রচার মাধ্যমে টক শোতে অংশগ্রহণ করতে পারবেন তা-ও নির্দিষ্ট করে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নয়াদিল্লিতে বিজেপি সরকারের কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের এক মন্ত্রী বলেছেন, ‘আমরা চাই না আমাদের দলীয় কোনো কর্মকর্তা এমন কোনো মন্তব্য করুক, যা কোনো ধর্মীয় সম্প্রদায়ের অনুভূতিতে আঘাত হানে। তাদের অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে যে—তারা যথোপযুক্ত উপায়েই দলীয় মতবাদ প্রচার করছেন।’
প্রায় ১১ কোটি সদস্য নিয়ে বিশ্বের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক দল ভারতে ক্ষমতাসীন দল বিজেপি। দলটির অধিকাংশ সদস্যই হিন্দুধর্মের অনুসারী। অপরদিকে, ভারতের মোট জনসংখ্যার প্রায় ১৩ শতাংশ নিয়ে ১৩০ কোটি মানুষের দেশটির জনমিতির একটি বড় অংশ মুসলমান।
সম্প্রতি বিজেপির মুখপাত্র নূপুর শর্মা এবং দলটির দিল্লি ইউনিটের মিডিয়া সেলের সদস্য নবীন জিন্দাল ইসলাম ধর্মের নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেন। তারই জের ধরে ঘরে-বাইরে সমালোচনার মুখোমুখি হয়। মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ এই ঘটনার প্রতিবাদ জানায়। এদিকে, ঘটনার পরপরই ওই দুই নেতাকে বরখাস্ত করে বিজেপি।

দলীয় নেতা-কর্মীদের ধর্মীয় ইস্যুতে জনপরিসরে মন্তব্য করার বিষয়ে ‘অত্যন্ত সতর্ক’ হতে নির্দেশ দিয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। গত সপ্তাহে ক্ষমতাসীন দলের দুই নেতা ইসলাম ধর্মের নবীকে নিয়ে কটূক্তি করার পর দেশে-বিদেশে কড়া প্রতিবাদের মুখোমুখি হয় দলটি। তারই পরিপ্রেক্ষিতে দলীয় নেতা-কর্মীদের এই নির্দেশনা দেওয়া হলো দলটির পক্ষ থেকে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, বিজেপির নেতা-কর্মীদের মৌখিকভাবে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন দলের দুই জ্যেষ্ঠ নেতা। নাম প্রকাশ না করার শর্তে তাঁরা জানিয়েছেন, দলের ৩০ জনেরও বেশি জ্যেষ্ঠ নেতা এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। দলের কোন কোন নেতা বিভিন্ন সম্প্রচার মাধ্যমে টক শোতে অংশগ্রহণ করতে পারবেন তা-ও নির্দিষ্ট করে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নয়াদিল্লিতে বিজেপি সরকারের কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের এক মন্ত্রী বলেছেন, ‘আমরা চাই না আমাদের দলীয় কোনো কর্মকর্তা এমন কোনো মন্তব্য করুক, যা কোনো ধর্মীয় সম্প্রদায়ের অনুভূতিতে আঘাত হানে। তাদের অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে যে—তারা যথোপযুক্ত উপায়েই দলীয় মতবাদ প্রচার করছেন।’
প্রায় ১১ কোটি সদস্য নিয়ে বিশ্বের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক দল ভারতে ক্ষমতাসীন দল বিজেপি। দলটির অধিকাংশ সদস্যই হিন্দুধর্মের অনুসারী। অপরদিকে, ভারতের মোট জনসংখ্যার প্রায় ১৩ শতাংশ নিয়ে ১৩০ কোটি মানুষের দেশটির জনমিতির একটি বড় অংশ মুসলমান।
সম্প্রতি বিজেপির মুখপাত্র নূপুর শর্মা এবং দলটির দিল্লি ইউনিটের মিডিয়া সেলের সদস্য নবীন জিন্দাল ইসলাম ধর্মের নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেন। তারই জের ধরে ঘরে-বাইরে সমালোচনার মুখোমুখি হয়। মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ এই ঘটনার প্রতিবাদ জানায়। এদিকে, ঘটনার পরপরই ওই দুই নেতাকে বরখাস্ত করে বিজেপি।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার হুমকি আরও জোরালো করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি বলেছেন, গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণের পথ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ‘পিছু হটার সুযোগ নেই’ এবং ‘গ্রিনল্যান্ড অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’
১ ঘণ্টা আগে
অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেমে জাতিসংঘের ফিলিস্তিনি শরণার্থীবিষয়ক সংস্থার (ইউএনআরডব্লিউএ) সদর দপ্তর গতকাল মঙ্গলবার ভেঙে দিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভিরের নেতৃত্বে স্থানীয় সময় সকাল প্রায় ৭টায় ইসরায়েলি বাহিনী ওই কম্পাউন্ডে অভিযান চালায়। অভিযান শেষে মূল ভবনের ওপর
১ ঘণ্টা আগে
ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনসহ খুলনা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম ও সিলেটে দেশটির সহকারী হাইকমিশন রয়েছে। এসব মিশন থেকেই কূটনীতিক ও অন্য কর্মকর্তাদের পরিবারের সদস্যদের ফিরিয়ে নিচ্ছে ভারত। নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের কারণে কূটনীতিকদের জন্য বাংলাদেশকে ‘নন-ফ্যামিলি’ পোস্টিং ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নয়াদিল্লি।
২ ঘণ্টা আগে
গাজা পুনর্গঠনের লক্ষ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষিত শান্তি পর্ষদ নিয়ে বিশ্বজুড়ে তীব্র বিতর্ক ও নানা প্রশ্ন সৃষ্টি হয়েছে। ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া গাজাকে পুনরুজ্জীবিত করার কথা বলা হচ্ছে। তবে এই উদ্যোগের আড়ালে ট্রাম্পের ব্যক্তিগত ব্যবসায়িক স্বার্থ এবং ঘনিষ্ঠ মহলের প্রভাব বিস্তারের...
১১ ঘণ্টা আগে