নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
টিএনজেড গ্রুপের শ্রমিকদের পূর্ণাঙ্গ বকেয়া বেতন-বোনাস পরিশোধ না করা হলে, শ্রম ভবনের সামনেই ঈদ পালনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শ্রমিকেরা। অন্যদিকে আপাতত ৩ কোটি টাকার ব্যবস্থা করাসহ ঈদের পর মে দিবসের আগেই পুরো সংকটের সমাধান হবে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব এ এইচ এম সফিকুজ্জামান। তবে সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন শ্রমিক নেতারা।
শ্রমিক নেতাদের সর্বশেষ দাবি, অন্তত এক মাসের পূর্ণাঙ্গ বেতন ও ঈদের বোনাস না পেলে শ্রম ভবনের সামনেই ঈদ পালন করবেন তারা।
আজ শনিবার বকেয়া বেতনের ও বোনাসের দাবিতে চলমান অবস্থান কর্মসূচির মধ্যেই শ্রমিক প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন শ্রম সচিব। রাজধানীর বিজয়নগরে শ্রম ভবনে দুপুর আড়াইটায় শুরু হওয়া বৈঠক চলে বিকেল পৌনে ৫টা পর্যন্ত। বৈঠকে অ্যাপারেলস প্লাস ইকো লিমিটেডের শ্রমিক নেতা শহিদুল ইসলাম, রেখা আক্তার তিন্নি ও সত্যজিৎ বিশ্বাসসহ ১৫ সদস্যের প্রতিনিধিদল অংশ নেন।
বৈঠক শেষে শ্রম সচিব বলেন, ‘আপাতত ২ কোটি টাকার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। আগামী ৮ এপ্রিল শ্রমিক নেতাদের সঙ্গে আবারও বৈঠক হবে। মে দিবসের আগেই পুরোপুরি সমাধান করা হবে। সে পর্যন্ত টিএনজেড গ্রুপের পরিচালক শাহীনসহ তিন কর্মকর্তা শ্রম অধিদপ্তরের হেফাজতে থাকবেন।’
সচিব আরও বলেন, ‘টিএনজেড গ্রুপের তিন শীর্ষ কর্মকর্তা গ্রুপ ডিরেক্টর শরিফুল ইসলাম শামিন, এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর আলী হোসেন এবং গ্রুপ সিএইচও এনামুল হক আইন প্রয়োগকারী সংস্থার হেফাজতে থাকবেন। টিএনজেডের মালিক দীর্ঘদিন ধরে বিদেশে অবস্থান করছেন এবং তিনি দেশে না ফেরা পর্যন্ত তিন কর্মকর্তাকে হেফাজতে রাখা হবে।’
শ্রম সচিবের এমন বক্তব্যের পর ২ কোটি টাকা নিতে অস্বীকৃতি জানান শ্রমিকেরা। অ্যাপারেল প্লাস ইকোর শ্রমিক প্রতিনিধি শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘ঈদের আগেই সব টাকা পরিশোধ করতে হবে। আমাদের ১৭ কোটি টাকা পাওনার বিপরীতে ২ কোটি টাকা নিলে জনপ্রতি মাত্র ছয় হাজার টাকা করে পাবে।’
পরে শ্রম সচিব ভবন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় তার গাড়ির সামনে বসে পড়েন বিক্ষুব্ধ শ্রমিকেরা। পরে সচিব জানান, ঈদের আগে শ্রমিকদের ৩ কোটি টাকা পরিশোধ করা হবে। তবে তার এই প্রস্তাবের পর শ্রমিকেরা অন্তত এক মাসের পূর্ণাঙ্গ বেতন ও বোনাসের দাবি করেন।
বকেয়া বেতন বোনাসের দাবিতে গত সপ্তাহ ধরে (২৩ মার্চ থেকে) শ্রম ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন টিএনজেড গ্রুপের তিনটি কারখানার প্রায় তিন হাজার শ্রমিক। এদের কারও তিন মাস, কারও চার মাসের বেতন ও ঈদের বোনাস বাকি রয়েছে।
এর মধ্যে প্রস্তাবিত ৩ কোটি টাকা পরিশোধের বিপরীতে ঈদের আগে পূর্ণাঙ্গ বকেয়া-বেতন পরিশোধ করা না হলে, শ্রম ভবনের সামনে অবস্থান চালিয়ে যাওয়ার শ্রমিক নেতারা। শ্রম সচিব চলে যাওয়ার পর বিক্ষোভ করেন শ্রমিকেরা।
এ সময় অ্যাপারেল প্লাস ইকোর শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘ঈদের আগেই সব টাকা পরিশোধ করতে হবে। কারণ আমাদের ১৭ কোটি টাকা পাওনার বিপরীতে তিন কোটি টাকা নিলেও শ্রমিকদের কোনো কাজে আসবে না। কারণ তিন মাস বেতন না পাওয়ায় অনেকে মানবেতর জীবনযাপন করছে। অনেকে দেনার দায়ে জর্জরিত। তাই ঈদের আগে অন্তত একটি বেতন ও একটি বোনাস না দিলে, আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।’
টিএনজেড গ্রুপের শ্রমিকদের পূর্ণাঙ্গ বকেয়া বেতন-বোনাস পরিশোধ না করা হলে, শ্রম ভবনের সামনেই ঈদ পালনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শ্রমিকেরা। অন্যদিকে আপাতত ৩ কোটি টাকার ব্যবস্থা করাসহ ঈদের পর মে দিবসের আগেই পুরো সংকটের সমাধান হবে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব এ এইচ এম সফিকুজ্জামান। তবে সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন শ্রমিক নেতারা।
শ্রমিক নেতাদের সর্বশেষ দাবি, অন্তত এক মাসের পূর্ণাঙ্গ বেতন ও ঈদের বোনাস না পেলে শ্রম ভবনের সামনেই ঈদ পালন করবেন তারা।
আজ শনিবার বকেয়া বেতনের ও বোনাসের দাবিতে চলমান অবস্থান কর্মসূচির মধ্যেই শ্রমিক প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন শ্রম সচিব। রাজধানীর বিজয়নগরে শ্রম ভবনে দুপুর আড়াইটায় শুরু হওয়া বৈঠক চলে বিকেল পৌনে ৫টা পর্যন্ত। বৈঠকে অ্যাপারেলস প্লাস ইকো লিমিটেডের শ্রমিক নেতা শহিদুল ইসলাম, রেখা আক্তার তিন্নি ও সত্যজিৎ বিশ্বাসসহ ১৫ সদস্যের প্রতিনিধিদল অংশ নেন।
বৈঠক শেষে শ্রম সচিব বলেন, ‘আপাতত ২ কোটি টাকার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। আগামী ৮ এপ্রিল শ্রমিক নেতাদের সঙ্গে আবারও বৈঠক হবে। মে দিবসের আগেই পুরোপুরি সমাধান করা হবে। সে পর্যন্ত টিএনজেড গ্রুপের পরিচালক শাহীনসহ তিন কর্মকর্তা শ্রম অধিদপ্তরের হেফাজতে থাকবেন।’
সচিব আরও বলেন, ‘টিএনজেড গ্রুপের তিন শীর্ষ কর্মকর্তা গ্রুপ ডিরেক্টর শরিফুল ইসলাম শামিন, এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর আলী হোসেন এবং গ্রুপ সিএইচও এনামুল হক আইন প্রয়োগকারী সংস্থার হেফাজতে থাকবেন। টিএনজেডের মালিক দীর্ঘদিন ধরে বিদেশে অবস্থান করছেন এবং তিনি দেশে না ফেরা পর্যন্ত তিন কর্মকর্তাকে হেফাজতে রাখা হবে।’
শ্রম সচিবের এমন বক্তব্যের পর ২ কোটি টাকা নিতে অস্বীকৃতি জানান শ্রমিকেরা। অ্যাপারেল প্লাস ইকোর শ্রমিক প্রতিনিধি শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘ঈদের আগেই সব টাকা পরিশোধ করতে হবে। আমাদের ১৭ কোটি টাকা পাওনার বিপরীতে ২ কোটি টাকা নিলে জনপ্রতি মাত্র ছয় হাজার টাকা করে পাবে।’
পরে শ্রম সচিব ভবন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় তার গাড়ির সামনে বসে পড়েন বিক্ষুব্ধ শ্রমিকেরা। পরে সচিব জানান, ঈদের আগে শ্রমিকদের ৩ কোটি টাকা পরিশোধ করা হবে। তবে তার এই প্রস্তাবের পর শ্রমিকেরা অন্তত এক মাসের পূর্ণাঙ্গ বেতন ও বোনাসের দাবি করেন।
বকেয়া বেতন বোনাসের দাবিতে গত সপ্তাহ ধরে (২৩ মার্চ থেকে) শ্রম ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন টিএনজেড গ্রুপের তিনটি কারখানার প্রায় তিন হাজার শ্রমিক। এদের কারও তিন মাস, কারও চার মাসের বেতন ও ঈদের বোনাস বাকি রয়েছে।
এর মধ্যে প্রস্তাবিত ৩ কোটি টাকা পরিশোধের বিপরীতে ঈদের আগে পূর্ণাঙ্গ বকেয়া-বেতন পরিশোধ করা না হলে, শ্রম ভবনের সামনে অবস্থান চালিয়ে যাওয়ার শ্রমিক নেতারা। শ্রম সচিব চলে যাওয়ার পর বিক্ষোভ করেন শ্রমিকেরা।
এ সময় অ্যাপারেল প্লাস ইকোর শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘ঈদের আগেই সব টাকা পরিশোধ করতে হবে। কারণ আমাদের ১৭ কোটি টাকা পাওনার বিপরীতে তিন কোটি টাকা নিলেও শ্রমিকদের কোনো কাজে আসবে না। কারণ তিন মাস বেতন না পাওয়ায় অনেকে মানবেতর জীবনযাপন করছে। অনেকে দেনার দায়ে জর্জরিত। তাই ঈদের আগে অন্তত একটি বেতন ও একটি বোনাস না দিলে, আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।’
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে ঈদের ছুটিতে বেড়েছে পর্যটকদের সমাগম। অসচেতনতায় নষ্ট হচ্ছে বনের পরিবেশ। অতিরিক্ত ভিড় ও পর্যটকদের হইহল্লায় হারিয়ে গেছে বনের সহজাত নীরব পরিবেশ। আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে প্রাণীরা। ভয়ে ছোটাছুটি করছে তারা। এ অবস্থায় উদ্যানের পরিবেশ নিয়ে চিন্তায় পড়েছে বন বিভাগ।
৫ ঘণ্টা আগেদীর্ঘ ছুটি এবারের ঈদে। ঈদের আগেও যেমন ছিল, পরেও রয়েছে ছুটি। রাজধানীবাসী তাই ঈদের ছুটি দুই ভাগে ভাগ করে নিয়েছেন। কেউ ঈদের আগে গেছেন গ্রামের বাড়ি, কেউ যাচ্ছেন এখনো। রাজধানীর কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে গতকাল বৃহস্পতিবার তাই ঢাকা ছেড়ে যাওয়া যাত্রীও দেখা গেল বেশ।
৫ ঘণ্টা আগেরংপুরে রেলস্টেশন এলাকায় অপহৃত চার শিশু উদ্ধারের সময় পুলিশের ওপর হামলা ও আসামি ছিনতাইচেষ্টা মামলায় ২২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল বৃহস্পতিবার অভিযান চালিয়ে ২২ জনকে বিভিন্ন স্থান থেকে গ্রেপ্তার করে যৌথ বাহিনী। আদালতের মাধ্যমে তাঁদের জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগেযশোরের মনিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ঈদের পর রোগীর ভিড় বেড়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার হাসপাতালের বহির্বিভাগে রোগীর লাইন থাকলেও চিকিৎসকদের কক্ষগুলো ফাঁকা পড়ে থাকতে দেখা গেছে। ঈদের ছুটির পর প্রথম কর্মদিবসে চিকিৎসকেরা অনুপস্থিত থাকায় এনসিডি কর্নারে একজন কার্ডিওগ্রাফারকে রোগী দেখতে দেখা গেছে।
৬ ঘণ্টা আগে