মাইনউদ্দিন শাহেদ, কক্সবাজার
পুরো রমজান মাসে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে ছিল প্রায় সুনসান নীরবতা। হোটেল-মোটেল, গেস্টহাউস ও রিসোর্টগুলো কক্ষভাড়ায় ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় দিয়েও অতিথি পায়নি। বন্ধ ছিল পর্যটকনির্ভর রেস্তোরাঁসহ অন্যান্য ব্যবসা। সেই নীরবতা ভেঙেছে ঈদুল ফিতরের ছুটিতে। আজ সোমবার দুপুর থেকে স্থানীয় পর্যটকেরা সৈকতমুখী হয়েছেন। আগামীকাল মঙ্গলবার থেকে আসবেন বাইরের জেলার ভ্রমণপ্রেমীরা।
পর্যটকদের বরণ করে নিতে ইতিমধ্যে হোটেল-মোটেল, রিসোর্ট ও রেস্তোরাঁগুলো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও সংস্কার করে প্রস্তুত করা হয়েছে। এ ছাড়া ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও হকাররাও নব উদ্যমে প্রস্তুতি নিয়েছেন।
পর্যটনসংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা বলছেন, এবার ঈদের ৯ দিনের লম্বা ছুটিতে চাকরিজীবীদের বড় একটি অংশ সপরিবারে বেড়াতে বের হওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। আর লম্বা ছুটি বা বিশেষ দিনে ভ্রমণপিপাসুদের বরাবরই পছন্দের জায়গা কক্সবাজার। এখানে সমুদ্রসৈকত ছাড়াও পাহাড়, নদী, ছড়া, ঝিরি-ঝরনাসহ প্রকৃতির অপরূপ সব সৌন্দর্য দেখার সুযোগ রয়েছে।
হোটেল-মোটেল মালিকেরা জানান, রমজান মাসের আগের চার মাসে বিপুলসংখ্যক পর্যটক কক্সবাজার ঘুরতে এসেছেন। প্রতি সপ্তাহে গড়ে আড়াই থেকে তিন লাখ পর্যটক এসেছিলেন। আর গত বছর ঈদুল ফিতরের ছুটিতে অন্তত ১০ লাখ পর্যটকের সমাগম হয়েছিল। এবার অনেকেই দেশের নানা প্রান্ত থেকে অনলাইন বা ফোনে যোগাযোগ করে কক্ষ বুকিং দিয়েছেন। ২ থেকে ৫ এপ্রিল পর্যন্ত ৮০ শতাংশ কক্ষ বুকিং হয়েছে। তারকা মানের হোটেলগুলোতে ১২ এপ্রিল পর্যন্ত বুকিং রয়েছে। কক্সবাজার শহর ও মেরিন ড্রাইভের পাঁচ শতাধিক হোটেল-মোটেল, গেস্টহাউস ও রিসোর্টে প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজার পর্যটক থাকার ব্যবস্থা রয়েছে।
আজ সোমবার এ নিয়ে কথা হলে হোটেল-মোটেল, গেস্টহাউস ও রিসোর্ট মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কাশেম সিকদার আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বাইরের পর্যটকেরা আগামীকাল মঙ্গলবার থেকে কক্সবাজারমুখী হবেন। পর্যটকেরা ভ্রমণে এসে যাতে সমস্যার সম্মুখীন না হন এর জন্য অনলাইনে হোটেল বুকিং দিয়ে এলেই সবচেয়ে ভালো।’
কলাতলী মেরিন ড্রাইভ হোটেল রিসোর্ট মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মুকিম খান বলেন, ‘আশা করছি এবারের টানা ছুটিতে লাখো পর্যটকের সমাগম হবে। এ জন্য পর্যটননির্ভর সব ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ভালো প্রস্তুতি নিয়েছে। পাশাপাশি পর্যটকদের নিরাপত্তা ও সেবার বিষয়ে সবাই সতর্ক আছি।’
কলাতলীর একটি রেস্তোরাঁর পরিচালক মাহমুদুল হক জানান, রমজান মাসে পর্যটকশূন্যতার কারণে রেস্তোরাঁ বন্ধ ছিল। স্টাফদের ছুটিতে বাড়ি পাঠানো হয়েছিল। ঈদ শেষ করে আগামীকাল মঙ্গলবার সবাই কাজে যোগ দেবেন। বন্ধের সময় রেস্তোরাঁর সংস্কার ও রং করা হয়েছে। এই রেস্তোরাঁর মতো পর্যটন জোনের অন্তত ৭০০ রেস্তোরাঁ রোজায় বন্ধ ছিল।
লাবণী পয়েন্টের জেলা পরিষদ মার্কেট ও আশপাশের বালিয়াড়িতে গড়ে তোলা শামুক-ঝিনুক, শুঁটকিসহ অন্যান্য পণ্যের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরাও প্রস্তুতি শেষ করেছেন। গতকাল রোববার সকালে জেলা পরিষদ মার্কেটে দোকান পরিষ্কার করছিলেন ব্যবসায়ী জসিম উদ্দিন। তিনি জানান, রমজান মাস দোকান বেশির ভাগ সময় বন্ধ ছিল। তাঁর আশা এবারের লম্বা ছুটিতে পর্যটকের ঢল নামবে। এতে তাঁদের ব্যবসা ভালো হবে।
সৈকতের চেয়ার-ছাতা ব্যবসায়ী, ওয়াটার বাইক-বিচ বাইকের পরিচালক, ঘোড়ার মালিকসহ হকাররাও প্রস্তুতি নিয়েছেন পর্যটক বরণে। ঘোড়া সমিতির সভাপতি ফরিদা আক্তার বলেন, ‘পুরো রমজান মাসে পর্যটক ছিল না বললেই চলে। ঈদের ছুটিতে পর্যটকদের ভিড় বাড়বে।’
আগত পর্যটকদের নিরাপত্তা নিয়ে কথা হলে ট্যুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজার অঞ্চলের অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদ জানান, পর্যটকদের অতিরিক্ত চাপ বাড়ার বিষয়টি বিবেচনায় রেখে সমুদ্রসৈকত ও পর্যটনকেন্দ্রগুলোতে সার্বক্ষণিক ট্যুরিস্ট পুলিশের টহল বাড়ানো হয়েছে। ট্যুরিস্ট পুলিশের পাশাপাশি অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও তৎপর রয়েছে।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন আজকের পত্রিকাকে জানান, পর্যটকেরা এসে যাতে ভালো সেবা পান এর জন্য পর্যটনসংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে সমন্বয় করা হচ্ছে। হোটেল-মোটেল ও রেস্তোরাঁয় অতিরিক্ত টাকা আদায় বন্ধ, অন্যান্য ক্ষেত্রে হয়রানি রোধ এবং নিরাপদ ভ্রমণ নিশ্চিত করতে সৈকতে ও আশপাশের বিনোদনকেন্দ্রে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে একাধিক ভ্রাম্যমাণ আদালত মাঠে থাকবে। কোনো অভিযোগ পেলেই সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পুরো রমজান মাসে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে ছিল প্রায় সুনসান নীরবতা। হোটেল-মোটেল, গেস্টহাউস ও রিসোর্টগুলো কক্ষভাড়ায় ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় দিয়েও অতিথি পায়নি। বন্ধ ছিল পর্যটকনির্ভর রেস্তোরাঁসহ অন্যান্য ব্যবসা। সেই নীরবতা ভেঙেছে ঈদুল ফিতরের ছুটিতে। আজ সোমবার দুপুর থেকে স্থানীয় পর্যটকেরা সৈকতমুখী হয়েছেন। আগামীকাল মঙ্গলবার থেকে আসবেন বাইরের জেলার ভ্রমণপ্রেমীরা।
পর্যটকদের বরণ করে নিতে ইতিমধ্যে হোটেল-মোটেল, রিসোর্ট ও রেস্তোরাঁগুলো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও সংস্কার করে প্রস্তুত করা হয়েছে। এ ছাড়া ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও হকাররাও নব উদ্যমে প্রস্তুতি নিয়েছেন।
পর্যটনসংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা বলছেন, এবার ঈদের ৯ দিনের লম্বা ছুটিতে চাকরিজীবীদের বড় একটি অংশ সপরিবারে বেড়াতে বের হওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। আর লম্বা ছুটি বা বিশেষ দিনে ভ্রমণপিপাসুদের বরাবরই পছন্দের জায়গা কক্সবাজার। এখানে সমুদ্রসৈকত ছাড়াও পাহাড়, নদী, ছড়া, ঝিরি-ঝরনাসহ প্রকৃতির অপরূপ সব সৌন্দর্য দেখার সুযোগ রয়েছে।
হোটেল-মোটেল মালিকেরা জানান, রমজান মাসের আগের চার মাসে বিপুলসংখ্যক পর্যটক কক্সবাজার ঘুরতে এসেছেন। প্রতি সপ্তাহে গড়ে আড়াই থেকে তিন লাখ পর্যটক এসেছিলেন। আর গত বছর ঈদুল ফিতরের ছুটিতে অন্তত ১০ লাখ পর্যটকের সমাগম হয়েছিল। এবার অনেকেই দেশের নানা প্রান্ত থেকে অনলাইন বা ফোনে যোগাযোগ করে কক্ষ বুকিং দিয়েছেন। ২ থেকে ৫ এপ্রিল পর্যন্ত ৮০ শতাংশ কক্ষ বুকিং হয়েছে। তারকা মানের হোটেলগুলোতে ১২ এপ্রিল পর্যন্ত বুকিং রয়েছে। কক্সবাজার শহর ও মেরিন ড্রাইভের পাঁচ শতাধিক হোটেল-মোটেল, গেস্টহাউস ও রিসোর্টে প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজার পর্যটক থাকার ব্যবস্থা রয়েছে।
আজ সোমবার এ নিয়ে কথা হলে হোটেল-মোটেল, গেস্টহাউস ও রিসোর্ট মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কাশেম সিকদার আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বাইরের পর্যটকেরা আগামীকাল মঙ্গলবার থেকে কক্সবাজারমুখী হবেন। পর্যটকেরা ভ্রমণে এসে যাতে সমস্যার সম্মুখীন না হন এর জন্য অনলাইনে হোটেল বুকিং দিয়ে এলেই সবচেয়ে ভালো।’
কলাতলী মেরিন ড্রাইভ হোটেল রিসোর্ট মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মুকিম খান বলেন, ‘আশা করছি এবারের টানা ছুটিতে লাখো পর্যটকের সমাগম হবে। এ জন্য পর্যটননির্ভর সব ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ভালো প্রস্তুতি নিয়েছে। পাশাপাশি পর্যটকদের নিরাপত্তা ও সেবার বিষয়ে সবাই সতর্ক আছি।’
কলাতলীর একটি রেস্তোরাঁর পরিচালক মাহমুদুল হক জানান, রমজান মাসে পর্যটকশূন্যতার কারণে রেস্তোরাঁ বন্ধ ছিল। স্টাফদের ছুটিতে বাড়ি পাঠানো হয়েছিল। ঈদ শেষ করে আগামীকাল মঙ্গলবার সবাই কাজে যোগ দেবেন। বন্ধের সময় রেস্তোরাঁর সংস্কার ও রং করা হয়েছে। এই রেস্তোরাঁর মতো পর্যটন জোনের অন্তত ৭০০ রেস্তোরাঁ রোজায় বন্ধ ছিল।
লাবণী পয়েন্টের জেলা পরিষদ মার্কেট ও আশপাশের বালিয়াড়িতে গড়ে তোলা শামুক-ঝিনুক, শুঁটকিসহ অন্যান্য পণ্যের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরাও প্রস্তুতি শেষ করেছেন। গতকাল রোববার সকালে জেলা পরিষদ মার্কেটে দোকান পরিষ্কার করছিলেন ব্যবসায়ী জসিম উদ্দিন। তিনি জানান, রমজান মাস দোকান বেশির ভাগ সময় বন্ধ ছিল। তাঁর আশা এবারের লম্বা ছুটিতে পর্যটকের ঢল নামবে। এতে তাঁদের ব্যবসা ভালো হবে।
সৈকতের চেয়ার-ছাতা ব্যবসায়ী, ওয়াটার বাইক-বিচ বাইকের পরিচালক, ঘোড়ার মালিকসহ হকাররাও প্রস্তুতি নিয়েছেন পর্যটক বরণে। ঘোড়া সমিতির সভাপতি ফরিদা আক্তার বলেন, ‘পুরো রমজান মাসে পর্যটক ছিল না বললেই চলে। ঈদের ছুটিতে পর্যটকদের ভিড় বাড়বে।’
আগত পর্যটকদের নিরাপত্তা নিয়ে কথা হলে ট্যুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজার অঞ্চলের অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদ জানান, পর্যটকদের অতিরিক্ত চাপ বাড়ার বিষয়টি বিবেচনায় রেখে সমুদ্রসৈকত ও পর্যটনকেন্দ্রগুলোতে সার্বক্ষণিক ট্যুরিস্ট পুলিশের টহল বাড়ানো হয়েছে। ট্যুরিস্ট পুলিশের পাশাপাশি অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও তৎপর রয়েছে।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন আজকের পত্রিকাকে জানান, পর্যটকেরা এসে যাতে ভালো সেবা পান এর জন্য পর্যটনসংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে সমন্বয় করা হচ্ছে। হোটেল-মোটেল ও রেস্তোরাঁয় অতিরিক্ত টাকা আদায় বন্ধ, অন্যান্য ক্ষেত্রে হয়রানি রোধ এবং নিরাপদ ভ্রমণ নিশ্চিত করতে সৈকতে ও আশপাশের বিনোদনকেন্দ্রে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে একাধিক ভ্রাম্যমাণ আদালত মাঠে থাকবে। কোনো অভিযোগ পেলেই সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে ঈদের ছুটিতে বেড়েছে পর্যটকদের সমাগম। অসচেতনতায় নষ্ট হচ্ছে বনের পরিবেশ। অতিরিক্ত ভিড় ও পর্যটকদের হইহল্লায় হারিয়ে গেছে বনের সহজাত নীরব পরিবেশ। আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে প্রাণীরা। ভয়ে ছোটাছুটি করছে তারা। এ অবস্থায় উদ্যানের পরিবেশ নিয়ে চিন্তায় পড়েছে বন বিভাগ।
৫ ঘণ্টা আগেদীর্ঘ ছুটি এবারের ঈদে। ঈদের আগেও যেমন ছিল, পরেও রয়েছে ছুটি। রাজধানীবাসী তাই ঈদের ছুটি দুই ভাগে ভাগ করে নিয়েছেন। কেউ ঈদের আগে গেছেন গ্রামের বাড়ি, কেউ যাচ্ছেন এখনো। রাজধানীর কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে গতকাল বৃহস্পতিবার তাই ঢাকা ছেড়ে যাওয়া যাত্রীও দেখা গেল বেশ।
৫ ঘণ্টা আগেরংপুরে রেলস্টেশন এলাকায় অপহৃত চার শিশু উদ্ধারের সময় পুলিশের ওপর হামলা ও আসামি ছিনতাইচেষ্টা মামলায় ২২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল বৃহস্পতিবার অভিযান চালিয়ে ২২ জনকে বিভিন্ন স্থান থেকে গ্রেপ্তার করে যৌথ বাহিনী। আদালতের মাধ্যমে তাঁদের জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগেযশোরের মনিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ঈদের পর রোগীর ভিড় বেড়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার হাসপাতালের বহির্বিভাগে রোগীর লাইন থাকলেও চিকিৎসকদের কক্ষগুলো ফাঁকা পড়ে থাকতে দেখা গেছে। ঈদের ছুটির পর প্রথম কর্মদিবসে চিকিৎসকেরা অনুপস্থিত থাকায় এনসিডি কর্নারে একজন কার্ডিওগ্রাফারকে রোগী দেখতে দেখা গেছে।
৬ ঘণ্টা আগে