Ajker Patrika

স্কুল-কলেজের ভবন নির্মাণে ধীরগতি ও নিম্নমানের কাজ, প্রকৌশলী ও ঠিকাদারদের সতর্ক

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল
আপডেট : ০১ মার্চ ২০২৫, ২২: ১২
বরিশাল বিভাগের ছয় জেলার প্রকৌশলী ও ঠিকাদারদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় বক্তব্য দেন শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. আলতাফ হোসেন। ছবি: আজকের পত্রিকা
বরিশাল বিভাগের ছয় জেলার প্রকৌশলী ও ঠিকাদারদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় বক্তব্য দেন শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. আলতাফ হোসেন। ছবি: আজকের পত্রিকা

বরিশাল বিভাগের শতাধিক স্কুল, কলেজের ভবন নির্মাণে ধীরগতি ও মানহীন কাজ নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্মাণাধীন এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কাজ দীর্ঘদিনেও শেষ হচ্ছে না। কোনো কোনোটার কাজ হয়েছে নিম্নমানের।

আজ শনিবার বরিশাল বিভাগের ছয় জেলার প্রকৌশলী ও ঠিকাদারদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় এসব ঘটনায় অসন্তুষ্টির কথা জানিয়ে সবাইকে সতর্ক করেছেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. আলতাফ হোসেন। এ সময় তিন প্রকৌশলীকে তাৎক্ষণিক শোকজের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া বিভাগের অসমাপ্ত ও ত্রুটিপূর্ণ শতাধিক ভবন নির্মাণকাজ আগামী নভেম্বরের মধ্যে সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়।

সভায় বিভাগের প্রতিটি জেলার অসমাপ্ত স্কুল, কলেজের নির্মাণকাজ কবে শেষ করা হবে, তা ঠিকাদার ও সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীদের ডেকে সময় বেঁধে দেওয়া হয়। সভায় বরিশাল সরকারি মহিলা কলেজের ভবন নির্মাণকাজে কেন ছয় মাস বিলম্ব হলো, তার কৈফিয়ত চান প্রধান প্রকৌশলী। ঝালকাঠি সরকারি মহিলা কলেজের ভবন নির্মাণের ঠিকাদার অভিযোগ করেন, তাঁরা ড্রইং সময়মতো পাচ্ছেন না। জবাবে প্রধান প্রকৌশলী সংশ্লিষ্ট ডিজাইনারকে ভর্ৎসনা করে দ্রুত ডিজাইন প্রদানের নির্দেশ দেন। ভোলার চরফ্যাশন সরকারি কলেজের ভবন নির্মাণকাজের মান নিম্নমানের হওয়ায় সেখানকার তিন প্রকৌশলীকে তাৎক্ষণিক শোকজের নির্দেশ দেন প্রধান প্রকৌশলী আলতাফ।

বরিশাল জেলার নির্বাহী প্রকৌশলী শহিদুল ইসলাম দাবি করে বলেন, ‘কোনো কোনো ঠিকাদার কাজে ধীরগতি করছেন। এভাবে কাজ ফেলে রেখে শিক্ষা প্রকৌশলকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারি না।’ এ সময় প্রধান প্রকৌশলী তাৎক্ষণিক কয়েকটি ভবন নির্মাণকাজের পুনঃ দরপত্র আহ্বানের নির্দেশ দেন। সভায় তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর হোসেনসহ কয়েকজন অভিযোগ করেন, বরিশাল বিভাগের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বরগুনায় ধীরগতি ও মানহীন কাজ হচ্ছে।

মতবিনিময় সভায় প্রধান প্রকৌশলী আলতাফ হোসেন বলেন, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর পেশাগত কাজে প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়েছে। প্রতিষ্ঠানটি থাকবে, নাকি থাকবে না, এটি নিয়ে সরকারে উচ্চ মহলে কথাবার্তা হচ্ছে। একটি ভবন নির্মাণকাজ আট বছরের শেষ না করার নজির রয়েছে। ২০১৮ সালের প্রকল্পের কাজ এখনো চলছে। সারা দেশে প্রকল্পের শত শত ভবন নির্মাণকাজ ঝুঁকির মুখে। এই ঝুঁকির হাত থেকে শিক্ষা প্রকৌশলকে বাঁচাতে দ্রুত কাজ শেষ করতে হবে। না হয় শিক্ষা প্রকৌশলের কাজগুলো এলজিইডিসহ অন্য দপ্তরকে ভাগ করে দিতে পারে।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পরিবারের সামনে পুলিশ কর্মকর্তা লাঞ্ছিত, স্বেচ্ছাসেবক দলের ৩ নেতা-কর্মী আটক

নয়াদিল্লি হাসিনা আমলের দৃষ্টিভঙ্গিই ধরে রেখেছে: ভারতীয় গণমাধ্যমকে দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য

বিমসটেক সম্মেলনে ড. ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদি বৈঠক হচ্ছে

গ্রেপ্তার আসামিকে ছিনিয়ে নিতে পুলিশের ওপর হামলা, বিএনপির ১৭ নেতা-কর্মী আটক

তখন অন্য একটা সংগঠন করতাম, এখন বলতে লজ্জা হয়: জামায়াতের আমির

এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত