নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
প্রচণ্ড তাপপ্রবাহ থেকে বিচারক, আইনজীবী ও বিচারপ্রার্থীদের রক্ষা করতে ঢাকা জজ আদালতের সব এজলাসে এসি স্থাপনের জন্য সংশ্লিষ্টদের আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার ঢাকা জজকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. মাহমুদুল হাসান এই নোটিশ প্রেরণ করেন।
নোটিশে বলা হয়েছে, বর্তমানে বাংলাদেশে অতি তীব্র তাপপ্রবাহ চলছে। বিভিন্ন গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকা শহরের তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস অতিক্রম করছে। তাপপ্রবাহ নিয়ে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম বিবিসির রিপোর্ট অনুযায়ী, বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ার কারণে মানুষের শরীরও গরম হয়ে যায়। এর ফলে রক্তনালিগুলো খুলে যায়। এর জের ধরে রক্তচাপ কমে যায়, যে কারণে সারা শরীরে রক্ত সঞ্চালন করা হৃৎপিণ্ডের জন্য কঠিন হয়ে পড়ে।
এসব কারণে মৃদু কিছু উপসর্গ দেখা দিতে পারে। যার মধ্যে রয়েছে ত্বকে ফুসকুড়ি পড়া, চুলকানি এবং পা ফুলে যাওয়া, যা রক্তনালি উন্মুক্ত হয়ে যাওয়ার কারণে হয়ে থাকে। এ ছাড়া, প্রচুর ঘাম হওয়ার কারণে শরীরে তরল পদার্থ ও লবণের পরিমাণ কমে যায়। গুরুতর ক্ষেত্রে দেহে এ দুটি জিনিসের মধ্যে যে ভারসাম্য আছে, তাতেও পরিবর্তন ঘটে। এসব কিছু একসঙ্গে মিলিয়ে গরমে শরীর পরিশ্রান্ত হয়ে যেতে পারে। এর লক্ষণগুলো হচ্ছে, মাথা চক্কর দেওয়া, বমি বমি ভাব, নিস্তেজ হয়ে পড়া, মূর্ছা যাওয়া, কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে পড়া, পেশি সংকুচিত হওয়া, মাথাব্যথা, প্রচণ্ড ঘাম হওয়া ও ক্লান্তি। আর রক্তচাপ খুব বেশি কমে গেলে হৃদ্রোগের ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে। এসব কারণে ‘সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন’ (সিডিসি) মানুষকে বিভিন্ন গাইডলাইন দেওয়ার পাশাপাশি যথাসম্ভব শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন।
নোটিশ বলা হয়েছে, বর্তমানে এই প্রচণ্ড তাপপ্রবাহে ঢাকা জজ আদালতের আইনজীবী ও বিচারকেরা চরম স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রয়েছেন। ঢাকা জজ আদালতের কক্ষগুলোর আয়তন খুবই ছোট। বিপুলসংখ্যক বিচারপ্রার্থীর ভিড়ে আদালতের অধিকাংশ এজলাস কক্ষ গিজগিজ করে। একদিকে প্রচণ্ড তাপপ্রবাহ, অপর দিকে ছোট আয়তনের এজলাস কক্ষে বিপুলসংখ্যক বিচারপ্রার্থীদের ভিড়। সব মিলিয়ে আইনজীবী ও বিচারকেরা অত্যন্ত কষ্টে তাঁদের আইনি দায়িত্ব পালন করেন। এ অবস্থায় এই প্রচণ্ড তাপপ্রবাহে ঢাকা জজ আদালতের আইনজীবী ও বিচারকদের জীবন চরম ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। এ জন্য ঢাকা জজ আদালতের সব এজলাস কক্ষে অনতিবিলম্বে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত যন্ত্র (এসি) স্থাপন করা অত্যাবশ্যক।
আইনি নোটিশ পাওয়ার তিন কার্যদিবসের মধ্যে ঢাকা জজকোর্টের সব আদালতে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ (এসি) ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করা হয়েছে। অন্যথায় এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে হাইকোর্টে রিট মামলা দায়ের করা হবে বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়।
প্রচণ্ড তাপপ্রবাহ থেকে বিচারক, আইনজীবী ও বিচারপ্রার্থীদের রক্ষা করতে ঢাকা জজ আদালতের সব এজলাসে এসি স্থাপনের জন্য সংশ্লিষ্টদের আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার ঢাকা জজকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. মাহমুদুল হাসান এই নোটিশ প্রেরণ করেন।
নোটিশে বলা হয়েছে, বর্তমানে বাংলাদেশে অতি তীব্র তাপপ্রবাহ চলছে। বিভিন্ন গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকা শহরের তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস অতিক্রম করছে। তাপপ্রবাহ নিয়ে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম বিবিসির রিপোর্ট অনুযায়ী, বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ার কারণে মানুষের শরীরও গরম হয়ে যায়। এর ফলে রক্তনালিগুলো খুলে যায়। এর জের ধরে রক্তচাপ কমে যায়, যে কারণে সারা শরীরে রক্ত সঞ্চালন করা হৃৎপিণ্ডের জন্য কঠিন হয়ে পড়ে।
এসব কারণে মৃদু কিছু উপসর্গ দেখা দিতে পারে। যার মধ্যে রয়েছে ত্বকে ফুসকুড়ি পড়া, চুলকানি এবং পা ফুলে যাওয়া, যা রক্তনালি উন্মুক্ত হয়ে যাওয়ার কারণে হয়ে থাকে। এ ছাড়া, প্রচুর ঘাম হওয়ার কারণে শরীরে তরল পদার্থ ও লবণের পরিমাণ কমে যায়। গুরুতর ক্ষেত্রে দেহে এ দুটি জিনিসের মধ্যে যে ভারসাম্য আছে, তাতেও পরিবর্তন ঘটে। এসব কিছু একসঙ্গে মিলিয়ে গরমে শরীর পরিশ্রান্ত হয়ে যেতে পারে। এর লক্ষণগুলো হচ্ছে, মাথা চক্কর দেওয়া, বমি বমি ভাব, নিস্তেজ হয়ে পড়া, মূর্ছা যাওয়া, কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে পড়া, পেশি সংকুচিত হওয়া, মাথাব্যথা, প্রচণ্ড ঘাম হওয়া ও ক্লান্তি। আর রক্তচাপ খুব বেশি কমে গেলে হৃদ্রোগের ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে। এসব কারণে ‘সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন’ (সিডিসি) মানুষকে বিভিন্ন গাইডলাইন দেওয়ার পাশাপাশি যথাসম্ভব শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন।
নোটিশ বলা হয়েছে, বর্তমানে এই প্রচণ্ড তাপপ্রবাহে ঢাকা জজ আদালতের আইনজীবী ও বিচারকেরা চরম স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রয়েছেন। ঢাকা জজ আদালতের কক্ষগুলোর আয়তন খুবই ছোট। বিপুলসংখ্যক বিচারপ্রার্থীর ভিড়ে আদালতের অধিকাংশ এজলাস কক্ষ গিজগিজ করে। একদিকে প্রচণ্ড তাপপ্রবাহ, অপর দিকে ছোট আয়তনের এজলাস কক্ষে বিপুলসংখ্যক বিচারপ্রার্থীদের ভিড়। সব মিলিয়ে আইনজীবী ও বিচারকেরা অত্যন্ত কষ্টে তাঁদের আইনি দায়িত্ব পালন করেন। এ অবস্থায় এই প্রচণ্ড তাপপ্রবাহে ঢাকা জজ আদালতের আইনজীবী ও বিচারকদের জীবন চরম ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। এ জন্য ঢাকা জজ আদালতের সব এজলাস কক্ষে অনতিবিলম্বে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত যন্ত্র (এসি) স্থাপন করা অত্যাবশ্যক।
আইনি নোটিশ পাওয়ার তিন কার্যদিবসের মধ্যে ঢাকা জজকোর্টের সব আদালতে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ (এসি) ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করা হয়েছে। অন্যথায় এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে হাইকোর্টে রিট মামলা দায়ের করা হবে বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়।
নুর নবী সরকার কালাইয়ের কিডনি বেচাকেনার দালাল চক্রের সদস্য। এ অপরাধে তিনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে কিডনি, অস্ত্র ও মানবপাচারসহ একাধিক মামলা চলমান।
১৭ মিনিট আগেঅন্তর্বর্তী সরকারের কাছে জনগণের যে প্রত্যাশা ছিল, সেটা ধাক্কা খেয়েছে। আমরা ভেবেছিলাম অন্তর্বর্তী সরকারের নেতৃত্বে একটি সর্বদলীয় সরকার হবে। যেখানে গণ-অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী দলের প্রতিনিধিরা থাকবেন। কিন্তু দুঃখজনক...
২ ঘণ্টা আগেসেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত একটি সংলাপে খুলনার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় সংস্কার সম্পন্ন করে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচন আয়োজনের আহ্বান জানিয়েছেন। আজ শনিবার...
২ ঘণ্টা আগেভোজ্যতেলের মূল্যবৃদ্ধি, সরবরাহ সংকটের প্রেক্ষাপটে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে আজ শনিবার সিটি গ্রুপের ভোজ্যতেল পরিশোধন কারখানা ও বোতলজাতকরণ কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এ সময় তাঁরা সিটি গ্রুপের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
৩ ঘণ্টা আগে