অনলাইন ডেস্ক
বিএনপির সমাবেশকে কেন্দ্র করে রাজধানীর পল্টন থানা এলাকায় যুবদল নেতা শামীমের মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা মামলায় সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার এম আশরাফুল ইসলামকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আজ রোববার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাইফুজজামান কারাগারে পাঠানোর এই নির্দেশ দেন।
বিকেলে ব্যারিস্টার আশরাফুলকে আদালতে হাজির করে পল্টন থানা পুলিশ। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্টন থানার এসআই তন্ময় কুমার বিশ্বাস তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
গতকাল শনিবার তাকে রাজধানীর পল্টনের বিজয়নগর থেকে আটক করা হয়। পরে শামীম হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে হাজির করা হয়।
গত বছর ২৮ অক্টোবর বিএনপির মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠন এবং পুলিশের সঙ্গে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। ওই সংঘর্ষে পল্টন এলাকায় নিহত হন যুবদল নেতা শামীম।
এ ঘটনায় গত ১৪ সেপ্টেম্বর গাজীপুর সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলম সহ ৭০৪ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়।
মামলায় বলা হয়, গত বছর ২৮ অক্টোবর বিএনপির শান্তিপূর্ণ মহাসমাবেশ নস্যাৎ করা ও জাতীয় নেতাদের হত্যার জন্য মারাত্মক অস্ত্র নিয়ে শান্তিনগর, কাকরাইল, প্রেসক্লাব, পুরানা পল্টন, শাহজাহানপুর, কমলাপুর, মতিঝিল, মালিবাগ, ফকিরাপুলসহ শহরের বিভিন্ন স্থানে অবস্থান নেয় আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা।
সেদিন রাত ১০টা পর্যন্ত হামলা চালানো হয়। এতে বিএনপির শত শত নেতা–কর্মী আহত হন এবং যুবদলের নেতা শামীমকে হত্যা করা হয়।
জাহাঙ্গীর আলম ছাড়াও আওয়ামী লীগ নেতা মতিয়া চৌধুরী, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, কাজী জাফরুল্লাহ, মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, জাহাঙ্গীর কবির নানক, সিমিন হোসেন রিমি, ওবায়দুল কাদের প্রমুখ এই মামলার আসামি।
পুলিশ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই মামলায় ইতিপূর্বে গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের তথ্যমতে ব্যারিস্টার আশরাফুল ইসলামকে আটক করা হয়। তিনি শামীম হত্যার সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে তথ্য প্রমান পাওয়া যাচ্ছে। মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে আটক রাখা প্রয়োজন।
উল্লেখ্য, ব্যারিস্টার আশরাফুল ইসলাম আওয়ামী লীগ সমর্থক আইনজীবী। তবে আওয়ামী লীগের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডে ব্যাপক সমালোচনা করতেও তাঁকে দেখা গেছে।
বিএনপির সমাবেশকে কেন্দ্র করে রাজধানীর পল্টন থানা এলাকায় যুবদল নেতা শামীমের মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা মামলায় সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার এম আশরাফুল ইসলামকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আজ রোববার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাইফুজজামান কারাগারে পাঠানোর এই নির্দেশ দেন।
বিকেলে ব্যারিস্টার আশরাফুলকে আদালতে হাজির করে পল্টন থানা পুলিশ। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্টন থানার এসআই তন্ময় কুমার বিশ্বাস তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
গতকাল শনিবার তাকে রাজধানীর পল্টনের বিজয়নগর থেকে আটক করা হয়। পরে শামীম হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে হাজির করা হয়।
গত বছর ২৮ অক্টোবর বিএনপির মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠন এবং পুলিশের সঙ্গে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। ওই সংঘর্ষে পল্টন এলাকায় নিহত হন যুবদল নেতা শামীম।
এ ঘটনায় গত ১৪ সেপ্টেম্বর গাজীপুর সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলম সহ ৭০৪ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়।
মামলায় বলা হয়, গত বছর ২৮ অক্টোবর বিএনপির শান্তিপূর্ণ মহাসমাবেশ নস্যাৎ করা ও জাতীয় নেতাদের হত্যার জন্য মারাত্মক অস্ত্র নিয়ে শান্তিনগর, কাকরাইল, প্রেসক্লাব, পুরানা পল্টন, শাহজাহানপুর, কমলাপুর, মতিঝিল, মালিবাগ, ফকিরাপুলসহ শহরের বিভিন্ন স্থানে অবস্থান নেয় আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা।
সেদিন রাত ১০টা পর্যন্ত হামলা চালানো হয়। এতে বিএনপির শত শত নেতা–কর্মী আহত হন এবং যুবদলের নেতা শামীমকে হত্যা করা হয়।
জাহাঙ্গীর আলম ছাড়াও আওয়ামী লীগ নেতা মতিয়া চৌধুরী, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, কাজী জাফরুল্লাহ, মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, জাহাঙ্গীর কবির নানক, সিমিন হোসেন রিমি, ওবায়দুল কাদের প্রমুখ এই মামলার আসামি।
পুলিশ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই মামলায় ইতিপূর্বে গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের তথ্যমতে ব্যারিস্টার আশরাফুল ইসলামকে আটক করা হয়। তিনি শামীম হত্যার সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে তথ্য প্রমান পাওয়া যাচ্ছে। মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে আটক রাখা প্রয়োজন।
উল্লেখ্য, ব্যারিস্টার আশরাফুল ইসলাম আওয়ামী লীগ সমর্থক আইনজীবী। তবে আওয়ামী লীগের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডে ব্যাপক সমালোচনা করতেও তাঁকে দেখা গেছে।
গাজীপুরের কালিয়াকৈরে পাঁচ বছর বয়সের এক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে তার মায়ের সহকর্মী এক কিশোরকে আটক করেছে পুলিশ। রোববার সন্ধ্যায় ওই কিশোরকে আটকের পর পুলিশে সোপর্দ করেছেন এলাকাবাসী। উপজেলার জামালপুর চৌরাস্তা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
১ ঘণ্টা আগেঝালকাঠি জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি সৈয়দ হাদিসুর রহমান মিলনকে অস্ত্র মামলায় ১৪ বছর কারাদণ্ড প্রদানসহ ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। গত ১৮ মার্চ বিকেলে ঝালকাঠি বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মো. রহিবুল ইসলাম এ রায় দেন।
১ ঘণ্টা আগেদুই ভাইয়ের বিবাদ মীমাংসার জন্য আলোচনায় বসেছিলেন ভগ্নিপতি। কিন্তু তাঁদের বিবাদ তো মিটলই না, উল্টো বাগ্বিতণ্ডার একপর্যায়ে বড় ভাইয়ের দায়ের কোপে ছোট ভাই খুন হয়েছেন। পুলিশ খবর পেয়েই অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আটক করেছে। ঘটনাটি ঘটেছে আজ রোববার বিকেলে ময়মনসিংহ সদর উপজেলার খাগডহর ইউনিয়নের মির্জাপুর মধ্যপাড়া..
১ ঘণ্টা আগে‘দক্ষিণ চট্টগ্রামের সাতটি থানা আমাদের হাতে আছে। মানে, দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ইদ্রিস মিয়ার হাতে।’ কথাগুলো দক্ষিণ চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার ছনহরা ইউনিয়নের বাসিন্দা জামশেদ হোসেন বাবু নামের এক যুবকের। সম্প্রতি জামশেদের সঙ্গে জামায়াতের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত নাজিম উদ্দিনের ৭ মিনিট ২ সেকেন্ডের...
২ ঘণ্টা আগে