নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার খন্দকার গোলাম ফারুক বলেছেন, দেশের স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্বকে সমুন্নত রাখার জন্য অপশক্তিকে কঠোর হাতে দমন করবে পুলিশ।
আজ বুধবার বিকেলে রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইনস অডিটরিয়ামে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
বাংলাদেশ পুলিশ মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর আয়োজিত অনুষ্ঠানের মুখ্য আলোচক ছিলেন ঢাকা জেলার সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) মাহবুব উদ্দিন আহমেদ।
সভাপতির বক্তব্যে ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশ পুলিশ একাত্তরের চেতনায় উজ্জীবিত। একাত্তরে যারা জীবন দিয়েছিল, আমরা তাঁদের চেতনায় উজ্জীবিত। আমরা পুলিশ একাত্তরে তাঁদের ষড়যন্ত্র রুখে দিয়েছি, পঁচাত্তরে আমাদের পুলিশ সদস্য সিদ্দিকুর রহমান তাঁর বুকের রক্ত দিয়েছে। আমরা ২০১২-১৩ সালে আমাদের রক্ত দিয়েছি। আমাদের পুড়িয়ে মেরেছে, কিন্তু আমরা বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বকে বিপন্ন হতে দিইনি।’
ডিএমপি কমিশনার বলেন, ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার পেছনে একটি কারণ ছিল। আর সেটি হলো বাংলাদেশকে নেতৃত্বশূন্য করা। সেটা করতে পারলে যারা পাকিস্তানের দোসর, তারা আবার বাংলাদেশকে পাকিস্তান করতে পারত। হত্যাকারীদের উদ্দেশ্য ছিল বাংলাদেশকে যদি নেতৃত্বশূন্য করা যায়, তবে তাদের পেয়ারা পাকিস্তান প্রতিষ্ঠা করা যাবে।
জঙ্গিবাদ আমদানি করে পুলিশকে দমনের চেষ্টা করা হয়েছে জানিয়ে ডিএমপির প্রধান বলেন, ‘আবার সেই পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে। আপনারা দেখেছেন পরশু একাত্তরের সেই পরাজিত শক্তি আইনশৃঙ্খলা অবনতি ঘটানোর জন্য ঢাকা শহরে তাণ্ডব চালিয়েছে। আমরা কঠোর হাতে অতীতেও এটি দমন করেছি, বর্তমান ও ভবিষ্যতেও এই অপশক্তিকে দমন করে যাব। আমরা দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে সমন্বিত রাখার জন্য একাত্তরে সক্রিয় ছিলাম, থাকব।’
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ পুলিশের আইজি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন। এ সময় আরও বক্তব্য দেন ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে নিহত বিশেষ শাখার (এসবি) সদস্য সিদ্দিকুর রহমানের ছেলে মুস্তাফিজুর রহমান।
অনুষ্ঠান শেষে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে কুইজ, রচনা ও উপস্থিত বক্তব্য প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে ক্রেস্ট ও সনদ তুলে দেন আইজিপি।
ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার খন্দকার গোলাম ফারুক বলেছেন, দেশের স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্বকে সমুন্নত রাখার জন্য অপশক্তিকে কঠোর হাতে দমন করবে পুলিশ।
আজ বুধবার বিকেলে রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইনস অডিটরিয়ামে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
বাংলাদেশ পুলিশ মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর আয়োজিত অনুষ্ঠানের মুখ্য আলোচক ছিলেন ঢাকা জেলার সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) মাহবুব উদ্দিন আহমেদ।
সভাপতির বক্তব্যে ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশ পুলিশ একাত্তরের চেতনায় উজ্জীবিত। একাত্তরে যারা জীবন দিয়েছিল, আমরা তাঁদের চেতনায় উজ্জীবিত। আমরা পুলিশ একাত্তরে তাঁদের ষড়যন্ত্র রুখে দিয়েছি, পঁচাত্তরে আমাদের পুলিশ সদস্য সিদ্দিকুর রহমান তাঁর বুকের রক্ত দিয়েছে। আমরা ২০১২-১৩ সালে আমাদের রক্ত দিয়েছি। আমাদের পুড়িয়ে মেরেছে, কিন্তু আমরা বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বকে বিপন্ন হতে দিইনি।’
ডিএমপি কমিশনার বলেন, ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার পেছনে একটি কারণ ছিল। আর সেটি হলো বাংলাদেশকে নেতৃত্বশূন্য করা। সেটা করতে পারলে যারা পাকিস্তানের দোসর, তারা আবার বাংলাদেশকে পাকিস্তান করতে পারত। হত্যাকারীদের উদ্দেশ্য ছিল বাংলাদেশকে যদি নেতৃত্বশূন্য করা যায়, তবে তাদের পেয়ারা পাকিস্তান প্রতিষ্ঠা করা যাবে।
জঙ্গিবাদ আমদানি করে পুলিশকে দমনের চেষ্টা করা হয়েছে জানিয়ে ডিএমপির প্রধান বলেন, ‘আবার সেই পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে। আপনারা দেখেছেন পরশু একাত্তরের সেই পরাজিত শক্তি আইনশৃঙ্খলা অবনতি ঘটানোর জন্য ঢাকা শহরে তাণ্ডব চালিয়েছে। আমরা কঠোর হাতে অতীতেও এটি দমন করেছি, বর্তমান ও ভবিষ্যতেও এই অপশক্তিকে দমন করে যাব। আমরা দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে সমন্বিত রাখার জন্য একাত্তরে সক্রিয় ছিলাম, থাকব।’
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ পুলিশের আইজি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন। এ সময় আরও বক্তব্য দেন ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে নিহত বিশেষ শাখার (এসবি) সদস্য সিদ্দিকুর রহমানের ছেলে মুস্তাফিজুর রহমান।
অনুষ্ঠান শেষে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে কুইজ, রচনা ও উপস্থিত বক্তব্য প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে ক্রেস্ট ও সনদ তুলে দেন আইজিপি।
ভিডিওতে বলতে শোনা যায়, ‘বাঘারপাড়া উপজেলার সব ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান বিএনপি নেতা টি এস আইয়ুবের সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করে কাজ করছেন। বাংলাদেশে একটি নজিরবিহীন ঘটনা হচ্ছে—৫ আগস্টের পর থেকে বাঘারপাড়ার সব ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এখনো নিজ নিজ পরিষদে বসে নির্বিঘ্নে কাজ করছেন; যা টি এস আইয়ুবের...
৬ মিনিট আগেনীলফামারী-১ (ডোমার-ডিমলা) আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় সাবেক সংসদ সদস্য আফতাব উদ্দিন সরকার আদালতে হাজির হতে এসে জনরোষের মুখে পড়েছেন। আজ রোববার (৬ এপ্রিল) দুপুরে নীলফামারী আদালতে ডোমারের পৃথক দুটি মামলায় হাজিরা দিতে এলে জনরোষের মুখে পড়েন তিনি। তাঁকে দেখে আদালত প্রাঙ্গণে কিছু মানুষ ভুয়া ভুয়া স্লোগান দেন।
১৯ মিনিট আগেনাটোরের লালপুরে ঈদ উপলক্ষে নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগে তিনটি পরিবহনকে ২৪ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
২২ মিনিট আগেরাজবাড়ীর পাংশা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ও এসআইসহ তিনজনের বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টা অভিযোগে আদালতে মামলা হয়েছে। রোববার রাজবাড়ীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে পাংশা উপজেলার মাছপাড়া ইউনিয়নের লক্ষণদিয়া গ্রামের ২৫ বছর বয়সী এক গৃহবধূ এ মামলাটি দায়ের করেন।
২৫ মিনিট আগে