
‘১৬ বছর ধরে এখানে একটুও গ্যাস পাওয়া যায় না, একটাও চুলা জ্বলে না, কিন্তু বিল পরিশোধ করতে হয়। সরকার ও তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষের কাছে আমাদের দাবি, আগামী রমজান থেকে যাতে আমরা গ্যাস পেতে পারি।’
আজ রোববার গ্যাসের দাবিতে মানববন্ধনে অংশ নিয়ে কথাগুলো বলছিলেন ঢাকার আশুলিয়া থানার দক্ষিণ গাজীরচটের বাসিন্দা আজাদ হোসেন।
সকাল ১০টার দিকে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির আশুলিয়া জোনাল বিপণন অফিসের সামনে মানববন্ধন করেন স্থানীয় ভুক্তভোগী গ্রাহকেরা। তাঁরা প্রথমে বাইপাইলে তিতাস অফিসসংলগ্ন নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়কের পাশে মানববন্ধন করেন। পরে অফিসের নিচে বিভিন্ন স্লোগানসহ মিছিল করেন।

কর্মসূচিতে শতাধিক বিক্ষুব্ধ গ্রাহক অংশ নেন। তাঁদের হাতে ‘গ্যাস দাও না হয় বিলের টাকা ফেরত দাও’, ‘গ্যাস নাই রান্না নাই, সময়মতো খাবার নাই, এ সমস্যার সমাধান চাই’, ‘বৈধ লাইনে গ্যাস নাই, অবৈধ সংযোগে গ্যাস পায়, এই অনিয়মের সমাধান চাই’ ইত্যাদি স্লোগান লেখা প্ল্যাকার্ড ছিল।
ভুক্তভোগীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দক্ষিণ গাজীরচট, আড়িয়ারা মোড়, শের আলী মার্কেট, আয়নাল মার্কেট, হক মার্কেট, সিকদারবাগ, বটতলা ও মণ্ডলবাড়ি এলাকায় প্রায় ১৬ বছর ধরে গ্যাসের সমস্যা চলছে। কিন্তু তাঁরা বিল দিয়ে যাচ্ছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক গ্রাহক বলেন, ‘আমরা জানি এলাকায় অবৈধ লাইন আছে। তারা কীভাবে গ্যাস পায়? আমরা এর প্রতিবাদ জানাই। পরবর্তী সময়ে আরও বড় কর্মসূচি দেব, অফিস ঘেরাও করব। এর আগে বহুবার তাদের (কর্তৃপক্ষ) জানানো হয়েছে।’

আপনাদের দেখার দরকার নেই—কে বিএনপি, কে আওয়ামী লীগ, কে জামায়াত করে। কেউ যদি দোষী হয় তাকে আইনের আওতায় আনুন, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন। গত ১৭ বছরে দেশে যা হয়েছে তার পুনরাবৃত্তি আমরা দেখতে চাই না।
১৭ মিনিট আগে
রাজধানীর বেইলি রোডে ঝলমলে আলোকসজ্জার দোকান আর বিলাসী ইফতার আয়োজনে ব্যস্ত বিক্রেতা। ক্রেতার ভিড়ও বেশ। পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী খাবার নিয়ে জমে উঠেছে এখানকার ইফতার বাজার। প্রতিবারের মতো এবারও বিভিন্ন হোটেল-রেস্টুরেন্টে নানান পদের ইফতারসামগ্রীর দেখা মিলেছে।
২২ মিনিট আগে
রাজধানীর মগবাজার ও জুরাইন এলাকা থেকে অজ্ঞাতনামা দুই ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ শুক্রবার বিকেলে মরদেহ দুটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও সিইও সাফিকুর রহমানের উত্তরার বাসায় এক শিশু গৃহকর্মীকে নিয়মিত নির্যাতন করা হতো বলে আদালতে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন ওই বাসারই আরেক গৃহকর্মী সুফিয়া বেগম। তবে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে নির্যাতনের কথা স্বীকার করলেও আদালতে জবানবন্দি দিতে অস্বীকৃতি...
১ ঘণ্টা আগে