গত ৯ই এপ্রিল দৈনিক আজকের পত্রিকার অনলাইন সংস্করণে ‘গভীর রাতে প্রবাসীর স্ত্রীর ঘরে আওয়ামী লীগ নেতা, ধরার পর এলাকাবাসীর মারধর’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন ফরিদপুরের সালথা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক চৌধুরী সাব্বির আলী।
প্রতিবাদে তিনি বলেছেন, ‘আমাকে জড়িয়ে আজকের পত্রিকায় ও ফেসবুকে সংবাদ ও ভিডিও প্রচার করে বিভ্রান্তমূলক তথ্য উপস্থাপন ও সংবাদ প্রচার করা হয়ছে। যাহা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও চক্রান্তমূলক। একটি সালিসের ঘটনা সংক্রান্তের তথ্যকে ভিন্নভাবে প্রবাহিত করে সামাজিকভাবে আমার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার লক্ষ্যে এই ঘটনা সাজানো হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আসন্ন সালথা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আমি চেয়ারম্যান প্রার্থীর ঘোষণা দেওয়ার পরই একটি পক্ষ আমাকে নিয়ে চক্রান্তের ছক কষতে থাকে। আমার সরলতা ও সমাজসেবাকে পুঁজি করে আমাকে ষড়যন্ত্র মূলকভাবে ফাঁসানো হয়েছে এবং পুনরায় বিভিন্নভাবে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। মূলত ওই মেয়ের বাবার বাড়ি আমাদের এলাকায়। তাদের পারিবারিক ঝামেলা মেটানোর জন্য আমাকে ডাকা হয়। আমি সরল মনে বিবাদ মেটাতে ওখানে যাই। আমি কিছু বুঝে উঠার আগেই পরবর্তীতে পরিকল্পিতভাবে আমাকে হেনস্তা করা হয়। আর সাংবাদিকদের মিথ্যা তথ্য দিয়ে মুখরোচক সংবাদ প্রকাশে উৎসাহিত করে। খুব শিগগিরই ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করব। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।’
প্রতিবেদকের বক্তব্য: সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে এবং স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ ও জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে।

বন্ধ থাকা শিল্পকারখানা দ্রুতই চালু করার পদক্ষেপ নেওয়া হবে। সিলেটের উন্নয়ন পরিকল্পনা সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘সিলেটের জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সংসদ সদস্যদের সঙ্গে বসে পরিকল্পনা করব। কাজের মধ্য দিয়ে আমরা আমাদের সক্ষমতা প্রমাণ করব।’
১ ঘণ্টা আগে
যশোরের শার্শায় পল্লিচিকিৎসক আলামিন হত্যার ২৪ ঘণ্টা পার হলেও এখন পর্যন্ত কোনো কূলকিনারা করতে পারেনি পুলিশ। তবে আজ শুক্রবার জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহত আলামিনের দুই স্ত্রীসহ চারজনকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
আপনাদের দেখার দরকার নেই—কে বিএনপি, কে আওয়ামী লীগ, কে জামায়াত করে। কেউ যদি দোষী হয় তাকে আইনের আওতায় আনুন, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন। গত ১৭ বছরে দেশে যা হয়েছে তার পুনরাবৃত্তি আমরা দেখতে চাই না।
৪ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর বেইলি রোডে ঝলমলে আলোকসজ্জার দোকান আর বিলাসী ইফতার আয়োজনে ব্যস্ত বিক্রেতা। ক্রেতার ভিড়ও বেশ। পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী খাবার নিয়ে জমে উঠেছে এখানকার ইফতার বাজার। প্রতিবারের মতো এবারও বিভিন্ন হোটেল-রেস্টুরেন্টে নানান পদের ইফতারসামগ্রীর দেখা মিলেছে।
৪ ঘণ্টা আগে