খুলনা প্রতিনিধি
খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুয়েট) সংঘর্ষের ঘটনায় চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে। এ ছাড়া ক্যাম্পাসে রাজনীতি নিষিদ্ধ থাকাসহ পাঁচ দফা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।
আজ বুধবার বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেটের জরুরি সভা শেষে এসব কথা জানানো হয়।
কমিটিতে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রফেসর ড. এম এ হাসেমকে সভাপতি ও সহকারী পরিচালক (ছাত্র ও কল্যাণ) শাহ মুহম্মদ আজমত উল্লাহকে সদস্যসচিব এবং প্রফেসর ড. মোহাম্মাদ আবু ইউসুফ ও প্রফেসর ড. আবু জাকির মোর্শেদকে সদস্য করা হয়েছে।
অন্যান্য সিদ্ধান্তের মধ্যে রয়েছে–একাডেমিক কার্যক্রম ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত স্থগিত, আহতদের সব চিকিৎসা খরচ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বহন করবে। বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী, শিক্ষক-কর্মচারীদের সব ধরনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধাদেশ বহাল রাখা।
যদি কেউ এ আদেশ অমান্য করে তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ ছাড়া অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার সঙ্গে জড়িত বহিরাগতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত শিক্ষার্থীদের সাময়িক বহিষ্কারের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
এদিকে আজ দিনভর ক্যাম্পাসে থমথমে অবস্থা বিরাজ করলেও অপ্রীতিকর কোনো ঘটনা ঘটেনি। বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভূত পরিস্থিতির কারণে সকাল থেকে অনেক শিক্ষার্থী হল ত্যাগ করেছেন। ক্যাম্পাসের বাইরে বিভিন্ন বাসাবাড়িতে যারা ভাড়া রয়েছেন, তাঁদের ভেতর ভয় ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। শিক্ষার্থীদের অভিভাবকেরা রয়েছেন উদ্বিগ্ন।
এর আগে গতকাল মঙ্গলবার ছাত্ররাজনীতি বন্ধ করা নিয়ে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুয়েট) বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও ছাত্রদলের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে। এতে উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
তাঁদের অধিকাংশের শরীরে ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে। আহতদের কুয়েটের মেডিকেল সেন্টারসহ আশপাশের বেসরকারি ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় পাঁচজনকে আটক করেছে পুলিশ।
বিষয়টি নিশ্চিত করে খানজাহান আলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কবির হোসেন বলেন, ঘটনাস্থল থেকে পাঁচজনকে আটক করা হয়েছে। তবে থানায় কোনো মামলা হয়নি বলে জানান তিনি।
খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের এডিসি (নর্থ) মো. নাজমুল হাসান রাজীব বলেন, সংঘর্ষের ঘটনায় গত রাতে পাঁচজনকে আটক করা হয়। তবে এখনো কোনো মামলা হয়নি। ক্যাম্পাসের গেটে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি ভালো আছে।
বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন, শিবির ও ছাত্রলীগকে দায়ী করল ছাত্রদল:
খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুয়েট) সংঘর্ষের ঘটনার জন্য বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও ছাত্রশিবিরের গুপ্ত কর্মী এবং ক্যাম্পাসে রয়ে যাওয়া নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের কর্মীদের দায়ী করেছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল।
সেই সঙ্গে ক্ষোভ প্রকাশ করে ছাত্রদল নেতারা বলেন, ‘সারা দেশের ক্যাম্পাসগুলোতে শুধু ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন’ রাজনীতি করতে পারবে, আর অন্য কোনো সংগঠন করতে পারবে না, এটা তো হতে পারে না।’
উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে আজ খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তাঁরা। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সিনিয়র সহসভাপতি আবু আফসান মো. ইয়াহিয়া বলেন, ‘মঙ্গলবার খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুয়েট) একটি চরম অনাকাঙ্ক্ষিত ও অনভিপ্রেত ঘটনা ঘটেছে। পাল্টাপাল্টি হামলায় হতাহত হয়েছেন শতাধিক শিক্ষার্থী ও স্থানীয় বাসিন্দা।
আমরা জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের পক্ষ থেকে এখানে সরেজমিনে তদন্তের দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়ে এসেছি। আমরা আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করার সঙ্গে সঙ্গে সহিংসতার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি এবং এসব ন্যক্কারজনক হামলাতে ও এসবের উসকানিতে জড়িত যেই হোক না কেন, সুষ্ঠু তদন্তপূর্বক তাঁদের বিচারের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিতের দাবি জানাচ্ছি।’
আবু আফসান বলেন, ‘এই ঘটনার পর অনলাইন ও অফলাইনে অপপ্রচারের মাধ্যমে সত্য ঘটনাকে চাপা দিয়ে ছাত্রদলের নামে যে মিথ্যা অপবাদ চারদিকে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে, তার জবাবে বাস্তব প্রেক্ষাপটে আমাদের সংগঠনের নৈতিক ও রাজনৈতিক অবস্থান ব্যাখ্যা করা অতি জরুরি হয়ে দাঁড়িয়েছে। যদিও আমরা এখানে তদন্তের দায়ভার নিয়ে এসেছি এবং মোটা দাগে একটি প্রতিবেদন আমরা ছাত্রদল, কেন্দ্রীয় সংসদের কাছে জমা দেব, কিন্তু তারপরেও প্রশাসন কর্তৃক আরও পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্তের পর বিচারিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়া পর্যন্ত এসব ঘটনার পুরো সত্য-মিথ্যা নির্ধারণ সম্ভব নয়।’
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘ছাত্র আন্দোলনের মধ্য দিয়ে নতুন একটি বাংলাদেশে আমরা পদার্পণ করেছি। সেই বাংলাদেশে যদি আমরা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বলি ছাত্ররাজনীতি থাকবে না। বিগত জুলাই-আগস্ট বাংলাদেশের রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তন না আনলে রাজনীতি করাটা কঠিন হবে।
ছাত্রদল শুরু থেকেই ইতিবাচক রাজনীতি করে আসছে। সংকটটা তখনই প্রকট হবে, যদি আপনি জুলাই-আগস্টের স্পিরিটের সঙ্গে না যান। ছাত্রদল সব সময় জুলাই-আগস্টের স্পিরিটকে ধারণ করে প্রতিটি ক্যাম্পাসে ছাত্ররাজনীতি করতে চায়। আমরা একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ চাই। যেখানে সব দলের মতামতের প্রতিফলন ঘটবে।
ছাত্রলীগের মতো একটি দলই রাজনীতি করবে বাকিদের যদি রাজনীতি করতে না দেন তাহলে ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে যাঁরা শহীদ হয়েছেন, সেই শহীদের রক্তের সঙ্গে বেইমানি করা হবে।’
সংবাদ সম্মেলন ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শ্যামল মালুম বলেন, কুয়েটে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কমিটি রয়েছে। এটি সম্পূর্ণ একটি রাজনৈতিক ছাত্রসংগঠন। তারা রাজনৈতিক দল গঠন করে আগামীতে নির্বাচনে অংশগ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছে। তারা কুয়েটে নিজেদের কার্যক্রম চালু রেখে কোন মুখে দাবি করে এখানে ছাত্ররাজনীতি চালু করতে দেবে না।
কুয়েটের ৭৪ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্যাডে হাসনাত আবদুল্লাহ এবং আরিফ সোহেল স্বাক্ষরিত একটি কমিটি প্রকাশিত হয়েছে। সেই কমিটি স্পষ্ট প্রকাশ পায় যে সেখানে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চালু আছে।
শ্যামল মালুম বলেন, মঙ্গলবারের ঘটনার একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। সেই ভিডিওতে দেখা যায়, ছাত্রদলের ছেলেরা হেঁটে যাচ্ছে, অপরদিকে ওরা মিছিল নিয়ে আসছে। সেখানে প্রতিষ্ঠানের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক ওমর ফারুক দেখিয়ে দিচ্ছে ছাত্রদলের ছেলেরা যাচ্ছে এবং তার উসকানিতে ছাত্রদলের ছেলেদের তাঁরা ধরেছেন এবং পরবর্তী প্রেক্ষাপট সৃষ্টি হয়েছে।
এ সময় ছাত্রদলের সহসভাপতি হাবিবুল বাশার, সাফি ইসলাম, যুগ্ম সম্পাদক সাহেদ হাসান, হাসানুর রহমান, শাহাদাত হোসেন, সোহেল রানা, নুরুজ্জামান চন্দন, কুয়েট শিক্ষার্থী রাহুল জাবেদ, ইফান ফয়সাল, শেখ জিলানী, মাসুম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুয়েট) সংঘর্ষের ঘটনায় চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে। এ ছাড়া ক্যাম্পাসে রাজনীতি নিষিদ্ধ থাকাসহ পাঁচ দফা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।
আজ বুধবার বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেটের জরুরি সভা শেষে এসব কথা জানানো হয়।
কমিটিতে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রফেসর ড. এম এ হাসেমকে সভাপতি ও সহকারী পরিচালক (ছাত্র ও কল্যাণ) শাহ মুহম্মদ আজমত উল্লাহকে সদস্যসচিব এবং প্রফেসর ড. মোহাম্মাদ আবু ইউসুফ ও প্রফেসর ড. আবু জাকির মোর্শেদকে সদস্য করা হয়েছে।
অন্যান্য সিদ্ধান্তের মধ্যে রয়েছে–একাডেমিক কার্যক্রম ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত স্থগিত, আহতদের সব চিকিৎসা খরচ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বহন করবে। বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী, শিক্ষক-কর্মচারীদের সব ধরনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধাদেশ বহাল রাখা।
যদি কেউ এ আদেশ অমান্য করে তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ ছাড়া অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার সঙ্গে জড়িত বহিরাগতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত শিক্ষার্থীদের সাময়িক বহিষ্কারের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
এদিকে আজ দিনভর ক্যাম্পাসে থমথমে অবস্থা বিরাজ করলেও অপ্রীতিকর কোনো ঘটনা ঘটেনি। বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভূত পরিস্থিতির কারণে সকাল থেকে অনেক শিক্ষার্থী হল ত্যাগ করেছেন। ক্যাম্পাসের বাইরে বিভিন্ন বাসাবাড়িতে যারা ভাড়া রয়েছেন, তাঁদের ভেতর ভয় ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। শিক্ষার্থীদের অভিভাবকেরা রয়েছেন উদ্বিগ্ন।
এর আগে গতকাল মঙ্গলবার ছাত্ররাজনীতি বন্ধ করা নিয়ে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুয়েট) বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও ছাত্রদলের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে। এতে উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
তাঁদের অধিকাংশের শরীরে ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে। আহতদের কুয়েটের মেডিকেল সেন্টারসহ আশপাশের বেসরকারি ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় পাঁচজনকে আটক করেছে পুলিশ।
বিষয়টি নিশ্চিত করে খানজাহান আলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কবির হোসেন বলেন, ঘটনাস্থল থেকে পাঁচজনকে আটক করা হয়েছে। তবে থানায় কোনো মামলা হয়নি বলে জানান তিনি।
খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের এডিসি (নর্থ) মো. নাজমুল হাসান রাজীব বলেন, সংঘর্ষের ঘটনায় গত রাতে পাঁচজনকে আটক করা হয়। তবে এখনো কোনো মামলা হয়নি। ক্যাম্পাসের গেটে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি ভালো আছে।
বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন, শিবির ও ছাত্রলীগকে দায়ী করল ছাত্রদল:
খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুয়েট) সংঘর্ষের ঘটনার জন্য বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও ছাত্রশিবিরের গুপ্ত কর্মী এবং ক্যাম্পাসে রয়ে যাওয়া নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের কর্মীদের দায়ী করেছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল।
সেই সঙ্গে ক্ষোভ প্রকাশ করে ছাত্রদল নেতারা বলেন, ‘সারা দেশের ক্যাম্পাসগুলোতে শুধু ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন’ রাজনীতি করতে পারবে, আর অন্য কোনো সংগঠন করতে পারবে না, এটা তো হতে পারে না।’
উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে আজ খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তাঁরা। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সিনিয়র সহসভাপতি আবু আফসান মো. ইয়াহিয়া বলেন, ‘মঙ্গলবার খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুয়েট) একটি চরম অনাকাঙ্ক্ষিত ও অনভিপ্রেত ঘটনা ঘটেছে। পাল্টাপাল্টি হামলায় হতাহত হয়েছেন শতাধিক শিক্ষার্থী ও স্থানীয় বাসিন্দা।
আমরা জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের পক্ষ থেকে এখানে সরেজমিনে তদন্তের দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়ে এসেছি। আমরা আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করার সঙ্গে সঙ্গে সহিংসতার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি এবং এসব ন্যক্কারজনক হামলাতে ও এসবের উসকানিতে জড়িত যেই হোক না কেন, সুষ্ঠু তদন্তপূর্বক তাঁদের বিচারের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিতের দাবি জানাচ্ছি।’
আবু আফসান বলেন, ‘এই ঘটনার পর অনলাইন ও অফলাইনে অপপ্রচারের মাধ্যমে সত্য ঘটনাকে চাপা দিয়ে ছাত্রদলের নামে যে মিথ্যা অপবাদ চারদিকে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে, তার জবাবে বাস্তব প্রেক্ষাপটে আমাদের সংগঠনের নৈতিক ও রাজনৈতিক অবস্থান ব্যাখ্যা করা অতি জরুরি হয়ে দাঁড়িয়েছে। যদিও আমরা এখানে তদন্তের দায়ভার নিয়ে এসেছি এবং মোটা দাগে একটি প্রতিবেদন আমরা ছাত্রদল, কেন্দ্রীয় সংসদের কাছে জমা দেব, কিন্তু তারপরেও প্রশাসন কর্তৃক আরও পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্তের পর বিচারিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়া পর্যন্ত এসব ঘটনার পুরো সত্য-মিথ্যা নির্ধারণ সম্ভব নয়।’
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘ছাত্র আন্দোলনের মধ্য দিয়ে নতুন একটি বাংলাদেশে আমরা পদার্পণ করেছি। সেই বাংলাদেশে যদি আমরা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বলি ছাত্ররাজনীতি থাকবে না। বিগত জুলাই-আগস্ট বাংলাদেশের রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তন না আনলে রাজনীতি করাটা কঠিন হবে।
ছাত্রদল শুরু থেকেই ইতিবাচক রাজনীতি করে আসছে। সংকটটা তখনই প্রকট হবে, যদি আপনি জুলাই-আগস্টের স্পিরিটের সঙ্গে না যান। ছাত্রদল সব সময় জুলাই-আগস্টের স্পিরিটকে ধারণ করে প্রতিটি ক্যাম্পাসে ছাত্ররাজনীতি করতে চায়। আমরা একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ চাই। যেখানে সব দলের মতামতের প্রতিফলন ঘটবে।
ছাত্রলীগের মতো একটি দলই রাজনীতি করবে বাকিদের যদি রাজনীতি করতে না দেন তাহলে ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে যাঁরা শহীদ হয়েছেন, সেই শহীদের রক্তের সঙ্গে বেইমানি করা হবে।’
সংবাদ সম্মেলন ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শ্যামল মালুম বলেন, কুয়েটে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কমিটি রয়েছে। এটি সম্পূর্ণ একটি রাজনৈতিক ছাত্রসংগঠন। তারা রাজনৈতিক দল গঠন করে আগামীতে নির্বাচনে অংশগ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছে। তারা কুয়েটে নিজেদের কার্যক্রম চালু রেখে কোন মুখে দাবি করে এখানে ছাত্ররাজনীতি চালু করতে দেবে না।
কুয়েটের ৭৪ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্যাডে হাসনাত আবদুল্লাহ এবং আরিফ সোহেল স্বাক্ষরিত একটি কমিটি প্রকাশিত হয়েছে। সেই কমিটি স্পষ্ট প্রকাশ পায় যে সেখানে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চালু আছে।
শ্যামল মালুম বলেন, মঙ্গলবারের ঘটনার একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। সেই ভিডিওতে দেখা যায়, ছাত্রদলের ছেলেরা হেঁটে যাচ্ছে, অপরদিকে ওরা মিছিল নিয়ে আসছে। সেখানে প্রতিষ্ঠানের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক ওমর ফারুক দেখিয়ে দিচ্ছে ছাত্রদলের ছেলেরা যাচ্ছে এবং তার উসকানিতে ছাত্রদলের ছেলেদের তাঁরা ধরেছেন এবং পরবর্তী প্রেক্ষাপট সৃষ্টি হয়েছে।
এ সময় ছাত্রদলের সহসভাপতি হাবিবুল বাশার, সাফি ইসলাম, যুগ্ম সম্পাদক সাহেদ হাসান, হাসানুর রহমান, শাহাদাত হোসেন, সোহেল রানা, নুরুজ্জামান চন্দন, কুয়েট শিক্ষার্থী রাহুল জাবেদ, ইফান ফয়সাল, শেখ জিলানী, মাসুম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
বরগুনার আমতলী উপজেলার আঠারগাছিয়া ইউনিয়নের ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি জাহিদ মাস্টারের নেতৃত্বে রাতের আঁধারে আঠারগাছিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠ দখল করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ছাড়া তিন যুগেরও বেশি সময় থাকা একটি দোকানকে সরিয়ে রাস্তায় ফেলে রেখে আরও একটি দোকান নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে ওই বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে।
৪ ঘণ্টা আগেবরিশাল নগরের শিশুদের মানসিক ও শারীরিক বিকাশের জন্য ৯ বছর আগে উদ্বোধন হয় গ্রিন সিটি পার্ক। ঐতিহাসিক বেলস পার্কের পাশে এ পার্কটি চালুর পর থেকেই আট বছর পর্যন্ত সব শিশুর জন্য ছিল উন্মুক্ত। কিন্তু ঈদুল ফিতরের দিন থেকে দুই বছর বয়সীদেরও পার্কে প্রবেশের জন্য গুনতে হচ্ছে ১০ টাকা।
৪ ঘণ্টা আগেচট্টগ্রাম বন্দরের সবচেয়ে বড় প্রকল্প বে টার্মিনাল নির্মাণের কাজ নতুন করে গতি পাচ্ছে। ব্রেকওয়াটার, নেভিগেশন অ্যাকসেস চ্যানেল তৈরি এবং রেল ও সড়ক সংযোগসহ বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণের মতো বড় তিনটি কাজকে একটি প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত করে অনুমোদনের জন্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগেভোলা সদর উপজেলার ভেলুমিয়া ইউনিয়নে জমির বিরোধকে কেন্দ্র করে ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি জামাল উদ্দিন হত্যার ঘটনায় বুধবার (২ এপ্রিল) সকালে মামলা করা হয়েছে। নিহত জামাল উদ্দিনের ছেলে লিটন বাদী হয়ে ২১ জনকে আসামি করে ভোলা সদর মডেল থানায় এ মামলা করেন। এদিকে বিএনপি নেতা হত্যার ঘটনায় পুলিশ ৪ জনকে গ্রেপ্তার...
৭ ঘণ্টা আগে