
প্রতিবছরের জুন থেকে সেপ্টেম্বরের সময়টাতে ডেঙ্গুর প্রকোপ থাকে বেশি। এই সময়টাতে চিকিৎসকেরা প্রচুর পরিমাণে তরলজাতীয় খাবার গ্রহণের পরামর্শ দিয়ে থাকেন। তাই এই সময়টাতে ডাবের পানির চাহিদা বাড়ে কয়েক গুণ। চাহিদা বাড়ায় অতিরিক্ত মুনাফার আশায় আকাশছোঁয়া দামে ডাব বিক্রি করেন ব্যবসায়ীরা। এ বছরও বেড়েছে ডাবের দাম। অন্যান্য সময় যে ডাব বিক্রি হতো ২৫ থেকে ৫০ টাকায়, সেগুলোই এখন ১০০ টাকা দাম চাওয়া হচ্ছে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জের শান্তিমোড় এলাকার ডাব বিক্রেতা আজমাইন আলী বলেন, 'আগে ২৫ থেকে ৫০ টাকায় ডাব বিক্রি করেছি। সেই ডাবই এখন ৯০ থেকে ৯৫ টাকায় বিক্রি করতে হচ্ছে। মাঝারি ও ছোট আকারের ডাবও ৬৫ থেকে ৭০ টাকার কমে বিক্রি করতে পারছি না। বর্তমানে চাহিদার তুলনায় ডাবের সরবরাহ কম। অন্য জেলা থেকে ডাব এনে বিক্রি করতে হচ্ছে।'
শিবগঞ্জ বাজারের ডাব বিক্রেতা হানিফ জানান, এ বছর প্রথম থেকেই ডাবের দাম বেশি। অনেক ক্রেতা দাম শুনে ডাব কিনছেন না। চাঁপাইনবাবগঞ্জে সাধারণত নাটোর, বরিশাল এবং যশোর থেকে ডাব এনে বিক্রি করা হয়।
ডাব কিনতে আসা জসিম নামের এক দিনমজুর বলেন, 'আমার মায়ের জ্বর হয়েছিল। তাই গত পাঁচ দিন থেকেই ডাব কিনে বাড়ি নিয়ে যাচ্ছি। কিন্তু ডাবের দাম এতটাই বেশি যে আমাদের মতো মধ্যবিত্ত পরিবারের পক্ষে ডাব কেনা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে।'
ডাব কিনতে আসা আসমা বেগম বলেন, 'গত কয়েক দিন ধরে শরীরে প্রচণ্ড জ্বর। চিকিৎসক প্রতিদিন ডাব খেতে বলেছেন। কিন্তু ডাবের যে দাম, দুই দিন পর পর খাচ্ছি। প্রতিদিন কেনা সম্ভব হচ্ছে না। এক কথায়, ডাব গরিবের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে।'

আপনাদের দেখার দরকার নেই—কে বিএনপি, কে আওয়ামী লীগ, কে জামায়াত করে। কেউ যদি দোষী হয় তাকে আইনের আওতায় আনুন, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন। গত ১৭ বছরে দেশে যা হয়েছে তার পুনরাবৃত্তি আমরা দেখতে চাই না।
১ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর বেইলি রোডে ঝলমলে আলোকসজ্জার দোকান আর বিলাসী ইফতার আয়োজনে ব্যস্ত বিক্রেতা। ক্রেতার ভিড়ও বেশ। পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী খাবার নিয়ে জমে উঠেছে এখানকার ইফতার বাজার। প্রতিবারের মতো এবারও বিভিন্ন হোটেল-রেস্টুরেন্টে নানান পদের ইফতারসামগ্রীর দেখা মিলেছে।
১ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর মগবাজার ও জুরাইন এলাকা থেকে অজ্ঞাতনামা দুই ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ শুক্রবার বিকেলে মরদেহ দুটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও সিইও সাফিকুর রহমানের উত্তরার বাসায় এক শিশু গৃহকর্মীকে নিয়মিত নির্যাতন করা হতো বলে আদালতে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন ওই বাসারই আরেক গৃহকর্মী সুফিয়া বেগম। তবে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে নির্যাতনের কথা স্বীকার করলেও আদালতে জবানবন্দি দিতে অস্বীকৃতি...
২ ঘণ্টা আগে