নওগাঁ জেলা কারাগারে থাকা এক হাজতির মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (রামেক) চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল সোমবার রাত ৯টার দিকে মারা যান তিনি।
নিহত ব্যক্তির নাম সিদ্দিক হোসেন মোল্লা (৪৫)। তিনি নওগাঁর মান্দা উপজেলার পরানপুর ইউনিয়নের গোপালপুর গ্রামের মৃত মজিবর রহমান মোল্লার ছেলে ও পরানপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন।
ভারতীয় জাল রুপি লেনদেনের সময় সিদ্দিক মোল্লা ও মহাদেবপুর উপজেলা সদরের বাসিন্দা কারিয়াপ্পা চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করে মান্দা থানা-পুলিশ। এর পর থেকে তাঁরা দুজনেই নওগাঁ কারাগারে হাজতবাস করছিলেন।
সিদ্দিক মোল্লার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে মান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনসুর রহমান বলেন, ৪ ফেব্রুয়ারি গোপালপুর বাজারে অভিযান চালিয়ে সিদ্দিক মোল্লা ও কারিয়াপ্পা চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে ১৩ লাখ ৭৫ হাজার ভারতীয় জাল রুপি উদ্ধার করা হয়।
ওসি মনসুর রহমান আরও বলেন, এ ঘটনায় অধিকতর তদন্তের জন্য গ্রেপ্তার দুজনকে তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছিল। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে গত ১৩ ফেব্রুয়ারি তাদের দুজনকে আদালতের মাধ্যমে আবারও নওগাঁ কারাগারে পাঠানো হয়।
এ প্রসঙ্গে নওগাঁ জেল সুপার নজরুল ইসলাম বলেন, গতকাল দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে হাজতি সিদ্দিক মোল্লা হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাৎক্ষণিক তাঁকে কারাগার হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে নওগাঁ সদর হাসপাতালের মাধ্যমে তাঁকে রামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতে মারা যান তিনি।

বন্ধ থাকা শিল্পকারখানা দ্রুতই চালু করার পদক্ষেপ নেওয়া হবে। সিলেটের উন্নয়ন পরিকল্পনা সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘সিলেটের জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সংসদ সদস্যদের সঙ্গে বসে পরিকল্পনা করব। কাজের মধ্য দিয়ে আমরা আমাদের সক্ষমতা প্রমাণ করব।’
১ ঘণ্টা আগে
যশোরের শার্শায় পল্লিচিকিৎসক আলামিন হত্যার ২৪ ঘণ্টা পার হলেও এখন পর্যন্ত কোনো কূলকিনারা করতে পারেনি পুলিশ। তবে আজ শুক্রবার জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহত আলামিনের দুই স্ত্রীসহ চারজনকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
আপনাদের দেখার দরকার নেই—কে বিএনপি, কে আওয়ামী লীগ, কে জামায়াত করে। কেউ যদি দোষী হয় তাকে আইনের আওতায় আনুন, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন। গত ১৭ বছরে দেশে যা হয়েছে তার পুনরাবৃত্তি আমরা দেখতে চাই না।
৪ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর বেইলি রোডে ঝলমলে আলোকসজ্জার দোকান আর বিলাসী ইফতার আয়োজনে ব্যস্ত বিক্রেতা। ক্রেতার ভিড়ও বেশ। পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী খাবার নিয়ে জমে উঠেছে এখানকার ইফতার বাজার। প্রতিবারের মতো এবারও বিভিন্ন হোটেল-রেস্টুরেন্টে নানান পদের ইফতারসামগ্রীর দেখা মিলেছে।
৪ ঘণ্টা আগে