মাহিদুল ইসলাম,কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার)
দেশের ভ্রমণপিপাসুদের কাছে অন্যতম আকর্ষণীয় জেলা মৌলভীবাজার। এখানে ছোট-বড় মিলিয়ে শতাধিক পর্যটনকেন্দ্র রয়েছে। আছে অসংখ্য চা-বাগান ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বসবাস। ঈদুল ফিতরের ছুটিতে এসব জায়গায় পর্যটকদের বরণ করে নিয়ে নেওয়া হয়েছে নানা প্রস্তুতি।
মৌলভীবাজারে ঘুরে দেখা যেতে পারে—লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান, মাধবপুর লেক, বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান স্মৃতি কমপ্লেক্স, মাধবকুণ্ড জলপ্রপাত, বাইক্কা বিল, ডিনস্টন সিমেট্রি, হামহাম জলপ্রপাত, মণিপুরী পল্লি, হাকালুকি হাওর, মনু ব্যারেজ, বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট, নীলকণ্ঠ টি কেবিন, সীতেশ বাবুর চিড়িয়াখানা, গগন টিলা, কমলা রানির দীঘি, পৃথিমপাশা নবাববাড়ি, পাথারিয়া হিলস রিজার্ভ ফরেস্ট, আদমপুর বনবিট, খাসিয়া পুঞ্জি, বর্ষিজোড়া ইকোপার্ক, হজরত শাহ মোস্তফা (র.)-এর মাজার, পদ্মছড়া লেক, ক্যামেলিয়া লেক, পাত্রখোলা লেক, বাম্বোতল লেক, শমশেরনগর গল্ফ মাঠসহ বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান।
পর্যটন-সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা জানান, জেলায় আগত পর্যটকদের থাকার জন্য রয়েছে পাঁচ তারকা মানের হোটেল থেকে শুরু করে বিভিন্ন রিসোর্ট ও কটেজ। এ বছর অন্যান্য বছরের তুলনায় পর্যটকের সমাগম বেশি হবে। ইতিমধ্যে হোটেল ও রিসোর্টগুলোর প্রায় ৮০ শতাংশ আগাম বুকিং হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পর্যটকদের নিরাপত্তার জন্য কয়েক স্তরের নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। জেলা পুলিশের পাশাপাশি ট্যুরিস্ট পুলিশ কাজ করছে। পর্যটকেরা নিরাপদে চলাফেরা ও থাকার জন্য সংশ্লিষ্ট হোটেল ও পর্যটনকেন্দ্র নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে।
ট্যুরিস্ট পুলিশ শ্রীমঙ্গল জোনের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. কামরুল হোসেন চৌধুরী বলেন, ‘ঈদের ছুটিতে পর্যটকদের ভ্রমণ নির্বিঘ্ন করতে আমাদের পক্ষ থেকে নিরাপত্তার সার্বিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এ জেলার মধ্যে সবচেয়ে বেশি পর্যটক আসেন শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জে।’
এ বিষয়ে মৌলভীবাজারের পুলিশ সুপার কে এইচ জাহাঙ্গীর হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ঈদের ছুটিতে আগত পর্যটকদের নিরাপত্তার জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। জেলা পুলিশ, থানা-পুলিশ ও ট্যুরিস্ট পুলিশ কাজ করবে। গুরুত্বপূর্ণ প্রতিটি পর্যটনকেন্দ্র পুলিশ থাকবে, যাতে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে। এ ছাড়া আমরা হোটেল ও রিসোর্ট মালিকদের সঙ্গে সভা করেছি। যাঁরা হোটেল বা রিসোর্টে থাকবেন তাঁদের তালিকা আমাদের কাছে দেওয়ার জন্য বলেছি।’
দেশের ভ্রমণপিপাসুদের কাছে অন্যতম আকর্ষণীয় জেলা মৌলভীবাজার। এখানে ছোট-বড় মিলিয়ে শতাধিক পর্যটনকেন্দ্র রয়েছে। আছে অসংখ্য চা-বাগান ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বসবাস। ঈদুল ফিতরের ছুটিতে এসব জায়গায় পর্যটকদের বরণ করে নিয়ে নেওয়া হয়েছে নানা প্রস্তুতি।
মৌলভীবাজারে ঘুরে দেখা যেতে পারে—লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান, মাধবপুর লেক, বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান স্মৃতি কমপ্লেক্স, মাধবকুণ্ড জলপ্রপাত, বাইক্কা বিল, ডিনস্টন সিমেট্রি, হামহাম জলপ্রপাত, মণিপুরী পল্লি, হাকালুকি হাওর, মনু ব্যারেজ, বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট, নীলকণ্ঠ টি কেবিন, সীতেশ বাবুর চিড়িয়াখানা, গগন টিলা, কমলা রানির দীঘি, পৃথিমপাশা নবাববাড়ি, পাথারিয়া হিলস রিজার্ভ ফরেস্ট, আদমপুর বনবিট, খাসিয়া পুঞ্জি, বর্ষিজোড়া ইকোপার্ক, হজরত শাহ মোস্তফা (র.)-এর মাজার, পদ্মছড়া লেক, ক্যামেলিয়া লেক, পাত্রখোলা লেক, বাম্বোতল লেক, শমশেরনগর গল্ফ মাঠসহ বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান।
পর্যটন-সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা জানান, জেলায় আগত পর্যটকদের থাকার জন্য রয়েছে পাঁচ তারকা মানের হোটেল থেকে শুরু করে বিভিন্ন রিসোর্ট ও কটেজ। এ বছর অন্যান্য বছরের তুলনায় পর্যটকের সমাগম বেশি হবে। ইতিমধ্যে হোটেল ও রিসোর্টগুলোর প্রায় ৮০ শতাংশ আগাম বুকিং হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পর্যটকদের নিরাপত্তার জন্য কয়েক স্তরের নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। জেলা পুলিশের পাশাপাশি ট্যুরিস্ট পুলিশ কাজ করছে। পর্যটকেরা নিরাপদে চলাফেরা ও থাকার জন্য সংশ্লিষ্ট হোটেল ও পর্যটনকেন্দ্র নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে।
ট্যুরিস্ট পুলিশ শ্রীমঙ্গল জোনের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. কামরুল হোসেন চৌধুরী বলেন, ‘ঈদের ছুটিতে পর্যটকদের ভ্রমণ নির্বিঘ্ন করতে আমাদের পক্ষ থেকে নিরাপত্তার সার্বিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এ জেলার মধ্যে সবচেয়ে বেশি পর্যটক আসেন শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জে।’
এ বিষয়ে মৌলভীবাজারের পুলিশ সুপার কে এইচ জাহাঙ্গীর হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ঈদের ছুটিতে আগত পর্যটকদের নিরাপত্তার জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। জেলা পুলিশ, থানা-পুলিশ ও ট্যুরিস্ট পুলিশ কাজ করবে। গুরুত্বপূর্ণ প্রতিটি পর্যটনকেন্দ্র পুলিশ থাকবে, যাতে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে। এ ছাড়া আমরা হোটেল ও রিসোর্ট মালিকদের সঙ্গে সভা করেছি। যাঁরা হোটেল বা রিসোর্টে থাকবেন তাঁদের তালিকা আমাদের কাছে দেওয়ার জন্য বলেছি।’
মোহাম্মদ মিরাজ হোসাইন। বাসিন্দা বরিশাল মহানগরের ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের। গত মার্চে টিসিবির স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ড পেয়েছেন। সেই কার্ড ব্যবহার করে একবার টিসিবির পণ্যও তুলেছেন। ঈদুল ফিতরের আগে অন্য কার্ডধারীদের সঙ্গে তাঁরও পণ্য পাওয়ার কথা; কিন্তু বিধি বাম। ঈদের আগে পণ্য তুলতে গিয়ে জানতে পারেন, তার কার্ড
৩৫ মিনিট আগেমিয়ানমার সীমান্তবর্তী দুই ইউনিয়ন কক্সবাজারের রামু উপজেলার গর্জনিয়া ও কচ্ছপিয়া। এই দুই ইউনিয়নের প্রধান বাজার গর্জনিয়া। সপ্তাহে দুই দিন সেখানে বসে হাট। আর এই হাট ঘিরে বেড়েছে সীমান্তে চোরাচালান। আসছে গরু, মাদক। আর সীমান্ত পেরিয়ে যাচ্ছে নিত্যপণ্য এবং জ্বালানি তেল। হাটকে ঘিরে গরু চোলাচালানের কথা
৪০ মিনিট আগেপটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকতঘেঁষা মার্কেটটি একসময় টাইলস মার্কেট নামে পরিচিত ছিল। নিচতলায় রয়েছে ৪০-৫০টি দোকান। অনেক আগেই এই মার্কেটকে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করেছে কুয়াকাটা পৌরসভা কর্তৃপক্ষ। কিন্তু সে নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করেই চলছে কার্যক্রম। শুধু তা-ই নয়, সৈকত দখল করে মার্কেটটি সম্প্রসারণ করা হচ্ছে...
৬ ঘণ্টা আগেমৌলভীবাজারে মনু ও ধলাই নদীর ১৬টি প্রতিরক্ষা বাঁধসহ অন্যান্য ছোট নদীর অসংখ্য বাঁধ ভেঙে গত বছর জেলায় চার দফা বন্যা হয়েছে। বন্যায় ফসল ও ঘরবাড়ি হারিয়েছে হাজারো মানুষ। পানিবন্দী হয়ে পড়ে প্রায় চার লাখ মানুষ। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ছিল ৬০০ কোটি টাকার অধিক। এত কিছুর পরও জেলার অন্যতম প্রধান দুই নদীর প্রতিরক্ষা...
৬ ঘণ্টা আগে