কুমিল্লা প্রতিনিধি
‘ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে যাওয়ার পথে যাত্রাবিরতিকালে যেখানে প্রস্রাবে ধরে, এর নাম হচ্ছে কুমিল্লা।’—নিজ জেলা নিয়ে এমন মন্তব্য করে এবার ভাইরাল হয়েছেন মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া নামে বিএনপির এক নেতা। তিনি কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য ও কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি।
গতকাল শুক্রবার ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়াকে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ও মহানগর বিএনপির নেতাদের নিয়েও নানা বিস্ফোরক মন্তব্য করতে শোনা গেছে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গতকাল নাঙ্গলকোট উপজেলায় একটি ইফতার অনুষ্ঠানে গিয়ে বক্তব্য দেন মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া। এ সময় তিনি ‘বেয়াদব ও মুনাফেকদের’ জন্য ফাঁদ পেতেছেন বলে মন্তব্য করেন। গতকাল রাত থেকে ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর এসব বক্তব্য ভাইরাল হয়।
দলীয় নেতাদের নিয়ে এমন বক্তব্যের বিষয়ে দলের হাই কমান্ডকে লিখিতভাবে অবহিত করার কথা জানিয়েছেন মহানগর বিএনপির নেতারা।
এর আগে গত ১৯ জানুয়ারি সড়কে যুবদলের কর্মিসভা করতে না দেওয়ায় কুমিল্লার লালমাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এহসান মুরাদকে হুমকি দিয়ে ভাইরাল হন এই নেতা।
ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ৪ মিনিট ২৩ সেকেন্ডের ভাইরাল ভিডিওতে মোবাশ্বের আলমকে বলতে শোনা যায়, ‘আবু এবং টিপুকে (উৎবাতুল বারী আবু মহানগর বিএনপির সভাপতি ও ইউসুফ মোল্লা টিপু সাধারণ সম্পাদক) নিয়ে আগে কমিটি দেওয়ায় আবু তা মেনে নিতে পারেনি। রিঅ্যাক্ট করেছে। আবু ভাই আমার বিরুদ্ধে ধর্মসাগর পাড়ে বক্তব্য দিছে। নিয়তি দেখেন। তখন টিপু ভাই কিন্তু প্রতিবাদ করেনি। উনারা এখন এক ও অভিন্ন। একসঙ্গে দুজন সুখে-শান্তিতে সংসার করছে। উনাদের শত্রু আমরা; কারণ, আমরা বহিরাহগত। উনাদের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক কী?’
ভিডিওতে মোবাশ্বেরকে আরও বলতে শোনা যায়, ‘ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে যাওয়ার পথে যাত্রাবিরতিকালে যেখানে প্রস্রাবে ধরে, এর নাম হচ্ছে কুমিল্লা। আমরা বহিরাগতরা দক্ষিণ জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে লোক সাপ্লাই দেই। আমাদের সঙ্গে উনাদের প্রেম লোক সাপ্লাই দেওয়াই। উনাদের স্বার্থে ওরা কারও ভাই না, আত্মীয় না। আমি এলাকায় ১৫৫ ওয়ার্ডে ইফতার অনুষ্ঠান আয়োজন করতে পারব। আপনারা পুরো মহানগরের ২৭ ওয়ার্ডে এমন ২৭টি অনুষ্ঠান করতে পারবেন না। আপনাদের চেয়ে আমাদের পুঁজি খারাপ না।’
বিএনপি নেতার ওই মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মশিউর রহমান সজীব বলেন, ‘আমি কুমিল্লার সন্তান, কুমিল্লাকে নিয়ে এমন অপমানজনক কথাবার্তা আমরা মেনে নিতে পারি না। তিনি কুমিল্লার পাশাপাশি কুমিল্লার মানুষকে অপমান করেছেন। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মাঝের জেলা কুমিল্লা। এ মহাসড়কের পাশে অনেক উন্নত মানের হোটেল ও রিসোর্ট রয়েছে। ইতিহাস-ঐতিহ্যের জেলা কুমিল্লা। তাই বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ীসহ স্বনামধন্য লোকেরা যাত্রাপথে কুমিল্লায় আসেন। এটা আমাদের গর্ব। আমরা অতিথিপরায়ণ। বিএনপি নেতার এমন মন্তব্য ক্ষমার অযোগ্য।’
জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা মানসুর নিজামী বলেন, ‘তিনি (মোবাশ্বের) একজন দায়িত্বশীল নেতা হলে এমন বক্তব্য দিতে পারতেন না। তিনি দলের পাশাপাশি কুমিল্লা জেলার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছেন। তাঁকে প্রকাশ্যে দল ও কুমিল্লাবাসীর নিকট ক্ষমা চাইতে হবে।’
বিশিষ্ট সমাজকর্মী মীর মফিজুল ইসলাম বলেন, ‘নিজ জেলা নিয়ে কারও এমন মন্তব্য করাটা খুবই দুঃখজনক। নিজ জেলার প্রতি আন্তরিকতা থাকলে কেউ এমন বক্তব্য দিতে পারে না। রাজনৈতিক বক্তব্য তাঁর ব্যক্তিগত; কিন্তু জেলাকে নিয়ে এমন মন্তব্যের জন্য তাঁকে ক্ষমা চাইতে হবে।’
এ বিষয়ে কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ মোল্লা টিপু বলেন, ‘ভিডিওটি আমি দেখেছি। কোনো সুস্থ ব্যক্তি দলীয় নেতাদের নিয়ে এমন অশালীন বক্তব্য দিতে পারেন না। এমন বক্তব্য রাজনৈতিক শিষ্টাচারবহির্ভূত। বিষয়টি এরই মধ্যে দলের হাই কমান্ড অবগত হয়েছেন। আমরা লিখিতভাবেও বিষয়টি কেন্দ্রে জানাব।’
দলীয় নেতাদের বিরুদ্ধে এমন অশালীন মন্তব্যের বিষয়ে মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া বলেন, ‘আমি তো শুধু রাজনৈতিক স্মৃতিচারণ করেছি মাত্র।’ তিনি বলেন, ‘যারা নির্বাচনের সময় ৫০০/১,০০০ টাকার জন্য বসে থাকতেন, তাঁরাই এখন দলের পদে আছেন।...অবস্থা এমন যে ব্যাংকের ম্যানেজারের চেয়ে ক্যাশিয়ার বড়।’
‘ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে যাওয়ার পথে যাত্রাবিরতিকালে যেখানে প্রস্রাবে ধরে, এর নাম হচ্ছে কুমিল্লা।’—নিজ জেলা নিয়ে এমন মন্তব্য করে এবার ভাইরাল হয়েছেন মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া নামে বিএনপির এক নেতা। তিনি কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য ও কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি।
গতকাল শুক্রবার ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়াকে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ও মহানগর বিএনপির নেতাদের নিয়েও নানা বিস্ফোরক মন্তব্য করতে শোনা গেছে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গতকাল নাঙ্গলকোট উপজেলায় একটি ইফতার অনুষ্ঠানে গিয়ে বক্তব্য দেন মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া। এ সময় তিনি ‘বেয়াদব ও মুনাফেকদের’ জন্য ফাঁদ পেতেছেন বলে মন্তব্য করেন। গতকাল রাত থেকে ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর এসব বক্তব্য ভাইরাল হয়।
দলীয় নেতাদের নিয়ে এমন বক্তব্যের বিষয়ে দলের হাই কমান্ডকে লিখিতভাবে অবহিত করার কথা জানিয়েছেন মহানগর বিএনপির নেতারা।
এর আগে গত ১৯ জানুয়ারি সড়কে যুবদলের কর্মিসভা করতে না দেওয়ায় কুমিল্লার লালমাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এহসান মুরাদকে হুমকি দিয়ে ভাইরাল হন এই নেতা।
ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ৪ মিনিট ২৩ সেকেন্ডের ভাইরাল ভিডিওতে মোবাশ্বের আলমকে বলতে শোনা যায়, ‘আবু এবং টিপুকে (উৎবাতুল বারী আবু মহানগর বিএনপির সভাপতি ও ইউসুফ মোল্লা টিপু সাধারণ সম্পাদক) নিয়ে আগে কমিটি দেওয়ায় আবু তা মেনে নিতে পারেনি। রিঅ্যাক্ট করেছে। আবু ভাই আমার বিরুদ্ধে ধর্মসাগর পাড়ে বক্তব্য দিছে। নিয়তি দেখেন। তখন টিপু ভাই কিন্তু প্রতিবাদ করেনি। উনারা এখন এক ও অভিন্ন। একসঙ্গে দুজন সুখে-শান্তিতে সংসার করছে। উনাদের শত্রু আমরা; কারণ, আমরা বহিরাহগত। উনাদের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক কী?’
ভিডিওতে মোবাশ্বেরকে আরও বলতে শোনা যায়, ‘ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে যাওয়ার পথে যাত্রাবিরতিকালে যেখানে প্রস্রাবে ধরে, এর নাম হচ্ছে কুমিল্লা। আমরা বহিরাগতরা দক্ষিণ জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে লোক সাপ্লাই দেই। আমাদের সঙ্গে উনাদের প্রেম লোক সাপ্লাই দেওয়াই। উনাদের স্বার্থে ওরা কারও ভাই না, আত্মীয় না। আমি এলাকায় ১৫৫ ওয়ার্ডে ইফতার অনুষ্ঠান আয়োজন করতে পারব। আপনারা পুরো মহানগরের ২৭ ওয়ার্ডে এমন ২৭টি অনুষ্ঠান করতে পারবেন না। আপনাদের চেয়ে আমাদের পুঁজি খারাপ না।’
বিএনপি নেতার ওই মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মশিউর রহমান সজীব বলেন, ‘আমি কুমিল্লার সন্তান, কুমিল্লাকে নিয়ে এমন অপমানজনক কথাবার্তা আমরা মেনে নিতে পারি না। তিনি কুমিল্লার পাশাপাশি কুমিল্লার মানুষকে অপমান করেছেন। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মাঝের জেলা কুমিল্লা। এ মহাসড়কের পাশে অনেক উন্নত মানের হোটেল ও রিসোর্ট রয়েছে। ইতিহাস-ঐতিহ্যের জেলা কুমিল্লা। তাই বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ীসহ স্বনামধন্য লোকেরা যাত্রাপথে কুমিল্লায় আসেন। এটা আমাদের গর্ব। আমরা অতিথিপরায়ণ। বিএনপি নেতার এমন মন্তব্য ক্ষমার অযোগ্য।’
জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা মানসুর নিজামী বলেন, ‘তিনি (মোবাশ্বের) একজন দায়িত্বশীল নেতা হলে এমন বক্তব্য দিতে পারতেন না। তিনি দলের পাশাপাশি কুমিল্লা জেলার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছেন। তাঁকে প্রকাশ্যে দল ও কুমিল্লাবাসীর নিকট ক্ষমা চাইতে হবে।’
বিশিষ্ট সমাজকর্মী মীর মফিজুল ইসলাম বলেন, ‘নিজ জেলা নিয়ে কারও এমন মন্তব্য করাটা খুবই দুঃখজনক। নিজ জেলার প্রতি আন্তরিকতা থাকলে কেউ এমন বক্তব্য দিতে পারে না। রাজনৈতিক বক্তব্য তাঁর ব্যক্তিগত; কিন্তু জেলাকে নিয়ে এমন মন্তব্যের জন্য তাঁকে ক্ষমা চাইতে হবে।’
এ বিষয়ে কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ মোল্লা টিপু বলেন, ‘ভিডিওটি আমি দেখেছি। কোনো সুস্থ ব্যক্তি দলীয় নেতাদের নিয়ে এমন অশালীন বক্তব্য দিতে পারেন না। এমন বক্তব্য রাজনৈতিক শিষ্টাচারবহির্ভূত। বিষয়টি এরই মধ্যে দলের হাই কমান্ড অবগত হয়েছেন। আমরা লিখিতভাবেও বিষয়টি কেন্দ্রে জানাব।’
দলীয় নেতাদের বিরুদ্ধে এমন অশালীন মন্তব্যের বিষয়ে মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া বলেন, ‘আমি তো শুধু রাজনৈতিক স্মৃতিচারণ করেছি মাত্র।’ তিনি বলেন, ‘যারা নির্বাচনের সময় ৫০০/১,০০০ টাকার জন্য বসে থাকতেন, তাঁরাই এখন দলের পদে আছেন।...অবস্থা এমন যে ব্যাংকের ম্যানেজারের চেয়ে ক্যাশিয়ার বড়।’
টিআইবি নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেছেন, ‘ধর্ষণ’ শব্দ ব্যবহার না করার অনুরোধের মাধ্যমে ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী বাস্তবে ধর্ষকের পক্ষ নিচ্ছেন। তিনি এই বক্তব্য প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়ে বলেন, অপরাধকে লঘু করার কোনো...
২০ দিন আগেধর্ষণের শিকার নারীর ছবি বা পরিচয় সংবাদ মাধ্যম কিংবা ফেসবুকসহ সামাজিক মাধ্যমে কেউ প্রকাশ করলেই পুলিশ বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তাকে আটক করতে পারবে। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ১৪ ধারায় বর্ণিত এই অপরাধ আমলযোগ্য হওয়ায় জড়িত অভিযোগে কোনো ব্যক্তিকে সঙ্গে সঙ্গে আটক করা যাবে।
০৯ মার্চ ২০২৫সাতক্ষীরার ওয়ারী গ্রামে ব্যবসায়ী স্বামীকে শ্বাসরোধে হত্যার পর বুকের ওপর ‘সরি জান, আই লাভ ইউ’ লিখে স্ত্রী আত্মহত্যা করেছেন। আজ শুক্রবার দুপুরে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়নের ওয়ারিয়ার পালপাড়ায় একটি ভাড়া বাড়ি থেকে পুলিশ মরদেহ দুটি উদ্ধার করেছে।
২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫রাজধানীর উত্তরায় প্রকাশ্যে এক দম্পতিকে কুপিয়ে আহত করার ঘটনায় দায়ের করা হত্যাচেষ্টার মামলায় গ্রেপ্তার আরও ৩ ‘কিশোর গ্যাং’ সদস্যকে তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। আজ বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শাহিন রেজা রিমান্ডে নেওয়ার এ আদেশ দেন।
১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৫