অনলাইন ডেস্ক
১৪ ডিসেম্বর ছিল রাজ কাপুরের জন্মশতবর্ষ পূর্তি। এ উপলক্ষে দিল্লিতে রাজ কাপুর নামাঙ্কিত চলচ্চিত্র উৎসবের আয়োজন করা হয়। ওই উৎসবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আমন্ত্রণ জানাতে পৌঁছে গিয়েছিল কাপুর পরিবার। সঙ্গে ছিলেন নবাব সাইফ আলি খানও। সেখানে গিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সরল জীবনযাপনে মুগ্ধ বলিউড অভিনেতা। তাঁর টাইট শিডিউল নিয়ে প্রশ্ন করেন সাইফ। হাসিমুখেই তিনি উত্তর দেন, এতে রীতিমতো হতবাক বলিউড তারকা।
গত মঙ্গলবার কাপুর পরিবার দিল্লিতে গিয়েছিল নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দেখা করার জন্য। জামাই সাইফ আলি খানও উপস্থিত ছিলেন সেখানে। সেখানেই আলাপচারিতার পর মোদিতে মুগ্ধ সাইফ। রাতে মাত্র তিন ঘণ্টা ঘুমান মোদি। ভোরে উঠে করেন যোগব্যায়াম, ধ্যান।
দিল্লি থেকে ফিরে এক সাক্ষাৎকারে সাইফ জানান, যেদিন কাপুরদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে দেখা করে, এর আগের দিনই সংসদ থেকে ফিরেছিলেন। সাইফ আলি খান ভেবেছিলেন, প্রধানমন্ত্রী হয়তো ভীষণ ক্লান্ত। কিন্তু ঘরে প্রবেশ করেই তিনি মিষ্টি হাসি হাসেন, এটা দেখার পর আর কোনো সংশয় কাজ করেনি তাঁদের। অভিনেতা প্রশ্ন করেছিলেন, ‘আপনি বিশ্রাম কখন নেন?’ উত্তরে মোদি জানান, তিনি মাত্র ৩ ঘণ্টা ঘুমান রাতে।
সাক্ষাতের সময় সাইফ আলির মা শর্মিলা ঠাকুর, তাঁর ছেলে জেহ ও তৈমুরের খোঁজ নিয়েছেন মোদি। সাইফ বলেন, ‘আমার বাবার (মনসুর আলি খান পতৌদি) সঙ্গে দেখা করার স্মৃতিও শেয়ার করলেন প্রধানমন্ত্রী। আমাদের পরিবারকে যে সম্মান তিনি দিলেন, এর জন্য আমরা কৃতজ্ঞ। আমার ছেলেদের জন্য আবার অটোগ্রাফও সই করে দিয়েছেন।’
কাপুর পরিবারের সঙ্গে মোদির কথোপকথনের ভিডিও প্রকাশ করা হয়েছে নরেন্দ্র মোদীর কার্যালয় থেকে। ওই ভিডিওতে সাইফকে বলেন, ‘আপনিই প্রথম প্রধানমন্ত্রী যাঁর সঙ্গে আমি দেখা করার সুযোগ পেলাম। ব্যক্তিগতভাবে আপনার সঙ্গে দুই বার দেখা করলাম। দারুণ ইতিবাচক মানুষ এবং কঠোর পরিশ্রমী আপনি। আপনার কাজের জন্য শুভেচ্ছা রইল।’
সাইফ আলি খানের মুখে নিজের অতিথি আপ্যায়নের প্রশংসা শুনে পালটা রসিকতা করে প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, ‘আপনার বাবার সঙ্গে আমার দেখা হয়েছে। আমি ভেবেছিলাম, তৃতীয় প্রজন্মের সঙ্গেও আমার দেখা হবে। কিন্তু আপনি তো তৃতীয় প্রজন্মকে নিয়ে এলেন না।’ মোদির কথায় সঙ্গে সঙ্গেই করিনার বলেছিলেন, ‘আমি কিন্তু ওদের নিয়ে আসতে চেয়েছিলাম।’
১৪ ডিসেম্বর ছিল রাজ কাপুরের জন্মশতবর্ষ পূর্তি। এ উপলক্ষে দিল্লিতে রাজ কাপুর নামাঙ্কিত চলচ্চিত্র উৎসবের আয়োজন করা হয়। ওই উৎসবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আমন্ত্রণ জানাতে পৌঁছে গিয়েছিল কাপুর পরিবার। সঙ্গে ছিলেন নবাব সাইফ আলি খানও। সেখানে গিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সরল জীবনযাপনে মুগ্ধ বলিউড অভিনেতা। তাঁর টাইট শিডিউল নিয়ে প্রশ্ন করেন সাইফ। হাসিমুখেই তিনি উত্তর দেন, এতে রীতিমতো হতবাক বলিউড তারকা।
গত মঙ্গলবার কাপুর পরিবার দিল্লিতে গিয়েছিল নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দেখা করার জন্য। জামাই সাইফ আলি খানও উপস্থিত ছিলেন সেখানে। সেখানেই আলাপচারিতার পর মোদিতে মুগ্ধ সাইফ। রাতে মাত্র তিন ঘণ্টা ঘুমান মোদি। ভোরে উঠে করেন যোগব্যায়াম, ধ্যান।
দিল্লি থেকে ফিরে এক সাক্ষাৎকারে সাইফ জানান, যেদিন কাপুরদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে দেখা করে, এর আগের দিনই সংসদ থেকে ফিরেছিলেন। সাইফ আলি খান ভেবেছিলেন, প্রধানমন্ত্রী হয়তো ভীষণ ক্লান্ত। কিন্তু ঘরে প্রবেশ করেই তিনি মিষ্টি হাসি হাসেন, এটা দেখার পর আর কোনো সংশয় কাজ করেনি তাঁদের। অভিনেতা প্রশ্ন করেছিলেন, ‘আপনি বিশ্রাম কখন নেন?’ উত্তরে মোদি জানান, তিনি মাত্র ৩ ঘণ্টা ঘুমান রাতে।
সাক্ষাতের সময় সাইফ আলির মা শর্মিলা ঠাকুর, তাঁর ছেলে জেহ ও তৈমুরের খোঁজ নিয়েছেন মোদি। সাইফ বলেন, ‘আমার বাবার (মনসুর আলি খান পতৌদি) সঙ্গে দেখা করার স্মৃতিও শেয়ার করলেন প্রধানমন্ত্রী। আমাদের পরিবারকে যে সম্মান তিনি দিলেন, এর জন্য আমরা কৃতজ্ঞ। আমার ছেলেদের জন্য আবার অটোগ্রাফও সই করে দিয়েছেন।’
কাপুর পরিবারের সঙ্গে মোদির কথোপকথনের ভিডিও প্রকাশ করা হয়েছে নরেন্দ্র মোদীর কার্যালয় থেকে। ওই ভিডিওতে সাইফকে বলেন, ‘আপনিই প্রথম প্রধানমন্ত্রী যাঁর সঙ্গে আমি দেখা করার সুযোগ পেলাম। ব্যক্তিগতভাবে আপনার সঙ্গে দুই বার দেখা করলাম। দারুণ ইতিবাচক মানুষ এবং কঠোর পরিশ্রমী আপনি। আপনার কাজের জন্য শুভেচ্ছা রইল।’
সাইফ আলি খানের মুখে নিজের অতিথি আপ্যায়নের প্রশংসা শুনে পালটা রসিকতা করে প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, ‘আপনার বাবার সঙ্গে আমার দেখা হয়েছে। আমি ভেবেছিলাম, তৃতীয় প্রজন্মের সঙ্গেও আমার দেখা হবে। কিন্তু আপনি তো তৃতীয় প্রজন্মকে নিয়ে এলেন না।’ মোদির কথায় সঙ্গে সঙ্গেই করিনার বলেছিলেন, ‘আমি কিন্তু ওদের নিয়ে আসতে চেয়েছিলাম।’
সাধারণত আমরা গল্পে যেটা দেখে থাকি, মুক্তিযুদ্ধটাকে কোনো একজন হিরোকে ধরে গ্লোরিফাই করে দেখানো হয় কিংবা যুদ্ধের কিছু দৃশ্য দেখানো হয়। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের সময় গণমানুষের যে অংশগ্রহণ ছিল, সেটা কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের সিনেমাগুলোতে কম উঠে এসেছে। নকশী কাঁথার জমিন একেবারেই গণমানুষের অংশগ্রহণ, চাষাভুষা, গ্রামের
২ ঘণ্টা আগেআলোচিত কোরিয়ান ড্রামা ‘রিপ্লাই ১৯৯৮’ মিলিয়ে দিল শশী ও অভিকে। বছর দেড়েক আগে এ সিরিজের বাংলা ডাবিংয়ে কণ্ঠ দিয়েছিলেন অভিনেত্রী শারমীন জোহা শশী। সেই ডাবিং পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন খালিদ হোসাইন অভি। সেই পরিচয় থেকেই ভালো লাগা, বন্ধুত্ব এবং অবশেষে পরিণয়।
৩ ঘণ্টা আগেবছরজুড়ে যেসব সিনেমা প্রেক্ষাগৃহ ও ফেস্টিভ্যালে আলোচিত হয়, সেসবের মধ্য থেকে সেরার তালিকা প্রকাশ করা হয় বছর শেষে। বিবিসির চলচ্চিত্র সমালোচক নিকোলাস বারবার ও ক্যারিন জেমস জানিয়েছেন, তাঁদের চোখে ২০২৪ সালের সেরা ২০ সিনেমার নাম। সেই তালিকা থেকে সেরা ১০ সিনেমার তথ্য নিয়ে এ প্রতিবেদন।
৩ ঘণ্টা আগেবৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় ‘কথা ক’ গান দিয়ে ব্যাপক আলোচনায় আসেন র্যাপ সংগীতশিল্পী সেজান। তিনি এবার নাম লেখালেন সিনেমার গানে। তাঁর গাওয়া ‘এই শহর স্বার্থপর’ গানটি ব্যবহার করা হয়েছে ‘প্রিয় মালতী’ সিনেমায়। মহানগর ঢাকার নিম্নমধ্যবিত্তদের বঞ্চনা আর বৈষম্যের কথা উঠে এসেছে এই গানে।
৮ ঘণ্টা আগে