অনলাইন ডেস্ক
গণমাধ্যমে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, টানেলের ভেতর থেকে উদ্ধার হওয়া ৪১ শ্রমিকের মধ্যে কেউ হাসপাতালের বিছানা বসে খাচ্ছেন, কেউ মোবাইল টিপছেন, কেউ চা পান করছেন, সেলফি তুলছেন। তাঁরা বেশ ভালো অবস্থায় আছেন বলে মনে হয়েছে।
ভূমিধসের ফলে ১২ নভেম্বর এই শ্রমিকেরা উত্তরাখান্ডের একটি টানেলের ভেতর আটকে পড়েছিলেন। এ ঘটনার ১৭ দিন পর নানা প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে গতকাল মঙ্গলবার তাঁদের উদ্ধার করেছে। উদ্ধারের পর তাঁদের পরিবারের সদস্যরা উদ্ধারকাজে জড়িত ব্যক্তিদের প্রতি বারবার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছেন।
একইভাবে উদ্ধার হওয়া শ্রমিকেরাও কথা বলতে শুরু করেছেন গণমাধ্যমের সঙ্গে। মূলত টানেলের ভেতর আটকে থাকা ১৭ দিনের গল্পই করছেন তাঁরা।
উদ্ধার হওয়া শ্রমিকদের একজন সত্য দেব। আটকে থাকা দিনগুলোকে তিনি ‘দমবন্ধকর’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন টাইমস অব ইন্ডিয়ার কাছে।
চামারা ওরাওন নামে আরেক শ্রমিক ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে জানিয়েছেন, তিনি টানেলের ভেতর সব সময় অস্থিরতা অনুভব করেছেন আর কখন তাঁকে উদ্ধার করা হবে—সেই চিন্তায় তিনি ডুবে ছিলেন সারাক্ষণ।
চামারা বলেন, ‘কিন্তু আমি কখনোই আশা হারাইনি।’
তিনি জানান, আটকে থাকা ১৭ দিনের মধ্যে মোবাইলে গেম খেলে তাঁর অনেক সময় কেটেছে। একটি পাইপ দিয়ে উদ্ধারকারীদের পাঠানো পোর্টেবল চার্জার দিয়েই তিনি তাঁর মোবাইলটি চার্জ করতেন।
তিনি বলেন, ‘এই সময়ের মধ্যে আমরা কারও কাছে কোনো কল করতে পারিনি। কারণ, সেখানে কোনো নেটওয়ার্ক ছিল না। তাই আমরা নিজেদের মধ্যেই কথা বলতাম, আর একে অপরের বিষয়ে জানতে চাইতাম।’
আরেক শ্রমিক জানান, আটকে থাকা অবস্থায় তাঁরা একে অপরকে সব সময় সাহস দেওয়া চেষ্টা করেছেন। কারও মধ্যে যেন দুশ্চিন্তা কিংবা নেতিবাচক চিন্তা না আসে সেই চেষ্টা করেছেন সবাই। আর তাঁদের কাছে পাঠানো খাবার তাঁরা সবাই একসঙ্গে খেতেন। এ ছাড়া তাঁরা টানেলের ভেতর পায়চারিও করতেন, মাঝেমধ্যে ধ্যানেও বসতেন। মূলত শরীরকে সক্ষম অবস্থায় রাখতেই তাঁরা এসব করতেন।
গণমাধ্যমে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, টানেলের ভেতর থেকে উদ্ধার হওয়া ৪১ শ্রমিকের মধ্যে কেউ হাসপাতালের বিছানা বসে খাচ্ছেন, কেউ মোবাইল টিপছেন, কেউ চা পান করছেন, সেলফি তুলছেন। তাঁরা বেশ ভালো অবস্থায় আছেন বলে মনে হয়েছে।
ভূমিধসের ফলে ১২ নভেম্বর এই শ্রমিকেরা উত্তরাখান্ডের একটি টানেলের ভেতর আটকে পড়েছিলেন। এ ঘটনার ১৭ দিন পর নানা প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে গতকাল মঙ্গলবার তাঁদের উদ্ধার করেছে। উদ্ধারের পর তাঁদের পরিবারের সদস্যরা উদ্ধারকাজে জড়িত ব্যক্তিদের প্রতি বারবার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছেন।
একইভাবে উদ্ধার হওয়া শ্রমিকেরাও কথা বলতে শুরু করেছেন গণমাধ্যমের সঙ্গে। মূলত টানেলের ভেতর আটকে থাকা ১৭ দিনের গল্পই করছেন তাঁরা।
উদ্ধার হওয়া শ্রমিকদের একজন সত্য দেব। আটকে থাকা দিনগুলোকে তিনি ‘দমবন্ধকর’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন টাইমস অব ইন্ডিয়ার কাছে।
চামারা ওরাওন নামে আরেক শ্রমিক ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে জানিয়েছেন, তিনি টানেলের ভেতর সব সময় অস্থিরতা অনুভব করেছেন আর কখন তাঁকে উদ্ধার করা হবে—সেই চিন্তায় তিনি ডুবে ছিলেন সারাক্ষণ।
চামারা বলেন, ‘কিন্তু আমি কখনোই আশা হারাইনি।’
তিনি জানান, আটকে থাকা ১৭ দিনের মধ্যে মোবাইলে গেম খেলে তাঁর অনেক সময় কেটেছে। একটি পাইপ দিয়ে উদ্ধারকারীদের পাঠানো পোর্টেবল চার্জার দিয়েই তিনি তাঁর মোবাইলটি চার্জ করতেন।
তিনি বলেন, ‘এই সময়ের মধ্যে আমরা কারও কাছে কোনো কল করতে পারিনি। কারণ, সেখানে কোনো নেটওয়ার্ক ছিল না। তাই আমরা নিজেদের মধ্যেই কথা বলতাম, আর একে অপরের বিষয়ে জানতে চাইতাম।’
আরেক শ্রমিক জানান, আটকে থাকা অবস্থায় তাঁরা একে অপরকে সব সময় সাহস দেওয়া চেষ্টা করেছেন। কারও মধ্যে যেন দুশ্চিন্তা কিংবা নেতিবাচক চিন্তা না আসে সেই চেষ্টা করেছেন সবাই। আর তাঁদের কাছে পাঠানো খাবার তাঁরা সবাই একসঙ্গে খেতেন। এ ছাড়া তাঁরা টানেলের ভেতর পায়চারিও করতেন, মাঝেমধ্যে ধ্যানেও বসতেন। মূলত শরীরকে সক্ষম অবস্থায় রাখতেই তাঁরা এসব করতেন।
ভারত ও বাংলাদেশ প্রায়ই ক্রিকেট ম্যাচ, সীমান্ত সমস্যা এবং ভূ-রাজনৈতিক উদ্বেগের কারণে বিভক্ত থাকে। তবে দেশর দুটির অবস্থান চলতি সপ্তাহে এক বিরল মুহূর্তে একবিন্দু এসে মিলিত হয়েছে। কারণ, ঢাকা ও নয়া দিল্লি মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনকে ‘বিভ্রান্তিকর’ এবং ‘তথ্যগত ভুল’ বলে প্রত্যাখ্যান...
১৫ মিনিট আগেবাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাগনি ও লন্ডনের একটি আসনের এমপি টিউলিপ সিদ্দিক বলেছেন, বাংলাদেশে তাঁর বিরুদ্ধে আনা দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রশ্নের উত্তর দিতে তাঁর ‘আইনজীবীরা প্রস্তুত।’ ব্রিটিশ সম্প্রচারমাধ্যম স্কাই নিউজকে তিনি এ কথা বলেছেন।
৩৬ মিনিট আগেযুক্তরাষ্ট্রের ডেমোক্র্যাট সিনেটর কোরি বুকার সিনেট ফ্লোরে টানা দুই দিন ঐতিহাসিক প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তিনি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে এ প্রতিবাদ জানান এবং দাবি করেন, এই প্রশাসন জনগণের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলছে।
৬ ঘণ্টা আগেস্থান মিয়ানমারের মান্দালয়ের থাহতায় কিয়াং বৌদ্ধবিহার। সেখানকার ধ্বংসস্তূপে এখনো প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র খুঁজছেন ভিক্ষুরা। তাঁদেরই একজন ওয়েয়ামা। বললেন, এখানকার কিছু ভবনের বয়স আমার বয়সের চেয়ে বেশি। এটা মেনে নেওয়া খুব কঠিন যে এগুলো ভেঙে গেছে।
৭ ঘণ্টা আগে