প্রশ্ন: বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে কয়েকটি প্রশ্নের উত্তর জানতে চাই। বন্যার্তদের জাকাত দেওয়া যাবে কি না। পূজার টাকার ত্রাণ গ্রহণ করা যাবে কি না। মসজিদের টাকা বন্যার্তদের দেওয়া যাবে কি না। অমুসলিমদের ত্রাণ দেওয়া যাবে কি না।
জসিম উদ্দীন, চট্টগ্রাম।
উত্তর: জাকাত ইসলামের অন্যতম রুকন তথা আবশ্যকীয় মৌলিক বিধান। ইসলামের অন্যান্য মৌলিক বিধানের মতো জাকাতেরও রয়েছে সুস্পষ্ট নিয়ম-পদ্ধতি। এর ব্যতিক্রম করলে জাকাত আদায় হবে না। ইসলামে যেহেতু সম্পদশালী ও অমুসলিমদের জাকাত দেওয়ার বিধান নেই, তাই বন্যার্তদের মধ্যে যারা গরিব তাদেরই কেবল জাকাতের অর্থ থেকে ত্রাণ দেওয়া যাবে। ধনী অথবা অমুসলিমকে দিলে আদায় হবে না। তবে বন্যার কারণে কোনো ধনী ব্যক্তির সম্পদ ধ্বংস হয়ে গরিব হয়ে গেলে তাকে জাকাত দেওয়া যাবে। জাকাতের অর্থ দিয়ে রাস্তা বা বাড়িঘর সংস্কার করা যাবে না।
রং তাদের হাতে নগদ অর্থ বা অন্যান্য পণ্যসামগ্রী দিতে হবে। অন্যান্য আবশ্যকীয় দান, যেমন সদাকাতুল ফিতর, কাফফারা ইত্যাদির বিধানও জাকাতের মতো। এ ছাড়া অন্যান্য সাধারণ দানের টাকা দিয়ে মুসলিম-অমুসলিম, ধনী-গরিব সবাইকে ত্রাণ দেওয়া যাবে। মসজিদের দানবাক্সের টাকার ব্যাপারে বিধান হলো, তা কেবল মসজিদ ও মসজিদসংশ্লিষ্ট কাজে ব্যয় করতে হবে। তবে মসজিদে বন্যার্তদের জন্য আলাদাভাবে টাকা সংগ্রহ করলে তা দিয়ে বন্যার্তদের ত্রাণ দেওয়া যাবে। ইসলামে অমুসলিমদের উপহার গ্রহণ করতে কোনো বাধা নেই। তাই পূজার টাকা দিয়ে হিন্দুরা ত্রাণ বিতরণ করলে মুসলমানদের তা গ্রহণ করতে কোনো অসুবিধা নেই। সূত্র: সুরা তাওবা: ৬০; কিতাবুল উম্ম: ২ / ৭৭; সিলসিলাতুল আদাব: ১২ / ২৩।
উত্তর দিয়েছেন: শিক্ষক ও ফতোয়া গবেষক

শাশ্বত চেতনাবোধের বিনির্মাণ ও অনুপম মনুষ্যত্ব অর্জনের এক কার্যকর প্রশিক্ষণের বার্তা নিয়ে আগমন করে রমজান। শাবান মাসের শেষে পশ্চিম আকাশে বাঁকা চাঁদ উঁকি দিতেই ধরণির বুকে রহমতের ফল্গুধারা নেমে আসে। শুরু হয় মুমিন হৃদয়ের দীর্ঘ প্রতীক্ষার স্নিগ্ধ প্রহর—পবিত্র মাহে রমজান।
১৪ ঘণ্টা আগে
দিন শেষে রাত নেমে এসেছে মক্কার আকাশে। ধীরে ধীরে রাত গভীর হচ্ছে। বাড়ছে নিস্তব্ধতা। কমছে কোলাহল। এসবের মাঝেই নতুন এক আলোর আগমনের অপেক্ষা। মক্কার এক প্রান্তে বসে অপেক্ষা করছেন এক ইহুদি পণ্ডিত। তাঁর চোখ আকাশের দিকে স্থির। মনোযোগ গভীর। দীর্ঘ অপেক্ষার পর তিনি তাঁর কাঙ্ক্ষিত বস্তু পেয়েছেন বলেই চেহারায়...
১৪ ঘণ্টা আগে
মানুষের অস্তিত্বের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে ভাষা। এটি মানুষের চিন্তাচেতনা, নিজস্ব সংস্কৃতি, অনুভূতি প্রকাশ ও আত্মপরিচয়ের প্রধান বাহক। বিশেষত মাতৃভাষা মানুষের হৃদয় ও আবেগের ভাষা। যে ভাষায় মানুষ প্রথম কথা বলতে শেখে, শিক্ষা ও সংস্কৃতি চর্চায় তা অপরিহার্য ভূমিকা রাখে।
১৪ ঘণ্টা আগে
রমজানের স্নিগ্ধ আমেজ আর আনন্দের জোয়ারে মিসরের পুরোনো কায়রোর সমকক্ষ আর কোনো জনপদ নেই বললেই চলে। এখানকার প্রতিটি রাস্তা, অলিগলি দিয়ে হাঁটার সময় আপনার চোখে পড়বে পবিত্র মাসকে বরণ করে নেওয়ার একেকটি জীবন্ত দৃশ্য। কেউ হয়তো নিজের বাড়ির আঙিনায় বা দোকানের সামনে বসে লোহা কিংবা...
১৪ ঘণ্টা আগে