আল্লাহর ভয়ে কান্না করা অতি উঁচু পর্যায়ের একটি আমল। মহান আল্লাহ বান্দার এ আমল খুব পছন্দ করেন। মহানবী (সা.) বলেন, ‘আল্লাহর কাছে দুটি ফোঁটা এবং দুটি চিহ্ন থেকে বেশি প্রিয় আর কিছুই নেই। দুটি ফোঁটা হলো, আল্লাহর ভয়ে কান্নার অশ্রুফোঁটা এবং আল্লাহর পথে প্রবাহিত রক্তের ফোঁটা। আর দুটি চিহ্ন হলো, আল্লাহর পথে (আঘাতের) চিহ্ন এবং আল্লাহ নির্ধারিত কোনো ফরজ ইবাদত আদায়ের চিহ্ন।’ (তিরমিজি)
মহান আল্লাহর ভয়ে কাঁদার অনেক ফজিলত হাদিস শরিফে বর্ণিত হয়েছে। নবী (সা.) বলেন, ‘আল্লাহর ভয়ে যে ব্যক্তি কেঁদেছে, সে জাহান্নামে প্রবেশ করবে না, যতক্ষণ না (দোহনকৃত) দুধ বাঁটে ফিরে যাবে। (অর্থাৎ দুটোই অসম্ভব)। আর আল্লাহর রাস্তার ধুলো ও জাহান্নামের ধোঁয়া একত্র হবে না।’ (তিরমিজি)
অন্য হাদিসে বর্ণিত আছে, রাসুল (সা.) বলেন, ‘জাহান্নামের আগুন দুটি চোখকে স্পর্শ করবে না। আল্লাহ তাআলার ভয়ে যে চোখ কাঁদে এবং আল্লাহ তাআলার পথে যে চোখ (নিরাপত্তার জন্য) পাহারা দিয়ে বিনিদ্র রাত পার করে।’ (তিরমিজি)
আরেক হাদিসে এসেছে, মহানবী (সা.) বলেন, ‘যেদিন আল্লাহর (আরশের) ছায়া ছাড়া কোনো ছায়া থাকবে না, সেদিন আল্লাহ তাআলা সাত প্রকারের মানুষকে তাঁর ছায়ায় আশ্রয় দেবেন। (তাদের মধ্যে একজন হচ্ছে,) ...যে ব্যক্তি নির্জনে আল্লাহকে স্মরণ করে, ফলে তার চোখ থেকে অশ্রু ঝরে।’ (বুখারি)
মহানবী (সা.) আল্লাহর ভয়ে অধিক পরিমাণে কাঁদতেন। এক হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, আব্দুল্লাহ ইবনে শিখখির (রা.) বলেন, ‘আমি একদিন রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর কাছে উপস্থিত হয়ে দেখতে পেলাম, তিনি নামাজ আদায় করছেন। তাঁর বক্ষদেশ থেকে কান্নার এমন শব্দ বের হচ্ছে, যেমন চুলার ওপর রাখা পাত্র থেকে টগবগ শব্দ পাওয়া যায়।’ (শামায়েলে তিরমিজি)
লেখক: ইসলামবিষয়ক গবেষক

শাশ্বত চেতনাবোধের বিনির্মাণ ও অনুপম মনুষ্যত্ব অর্জনের এক কার্যকর প্রশিক্ষণের বার্তা নিয়ে আগমন করে রমজান। শাবান মাসের শেষে পশ্চিম আকাশে বাঁকা চাঁদ উঁকি দিতেই ধরণির বুকে রহমতের ফল্গুধারা নেমে আসে। শুরু হয় মুমিন হৃদয়ের দীর্ঘ প্রতীক্ষার স্নিগ্ধ প্রহর—পবিত্র মাহে রমজান।
৮ ঘণ্টা আগে
দিন শেষে রাত নেমে এসেছে মক্কার আকাশে। ধীরে ধীরে রাত গভীর হচ্ছে। বাড়ছে নিস্তব্ধতা। কমছে কোলাহল। এসবের মাঝেই নতুন এক আলোর আগমনের অপেক্ষা। মক্কার এক প্রান্তে বসে অপেক্ষা করছেন এক ইহুদি পণ্ডিত। তাঁর চোখ আকাশের দিকে স্থির। মনোযোগ গভীর। দীর্ঘ অপেক্ষার পর তিনি তাঁর কাঙ্ক্ষিত বস্তু পেয়েছেন বলেই চেহারায়...
৮ ঘণ্টা আগে
মানুষের অস্তিত্বের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে ভাষা। এটি মানুষের চিন্তাচেতনা, নিজস্ব সংস্কৃতি, অনুভূতি প্রকাশ ও আত্মপরিচয়ের প্রধান বাহক। বিশেষত মাতৃভাষা মানুষের হৃদয় ও আবেগের ভাষা। যে ভাষায় মানুষ প্রথম কথা বলতে শেখে, শিক্ষা ও সংস্কৃতি চর্চায় তা অপরিহার্য ভূমিকা রাখে।
৮ ঘণ্টা আগে
রমজানের স্নিগ্ধ আমেজ আর আনন্দের জোয়ারে মিসরের পুরোনো কায়রোর সমকক্ষ আর কোনো জনপদ নেই বললেই চলে। এখানকার প্রতিটি রাস্তা, অলিগলি দিয়ে হাঁটার সময় আপনার চোখে পড়বে পবিত্র মাসকে বরণ করে নেওয়ার একেকটি জীবন্ত দৃশ্য। কেউ হয়তো নিজের বাড়ির আঙিনায় বা দোকানের সামনে বসে লোহা কিংবা...
৯ ঘণ্টা আগে