আল্লাহ তাআলা মানুষকে পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন পরীক্ষা করার জন্য। দুনিয়ার জীবনের সবকিছুর হিসাব পরকালে দিতে হবে। পরকালের শাস্তি থেকে বাঁচতে হলে তাঁর কাছে আত্মসমর্পণ করা ছাড়া গত্যন্তর নেই। এখানে আল্লাহর শাস্তি থেকে বাঁচার ৫টি উপায় আলোচনা করা হলো—
তওবা: হজরত ইউনুস (আ.)-এর গল্পে উল্লেখ আছে, আল্লাহ তাআলা তাঁর সম্প্রদায়ের ওপর থেকে আজাব তুলে নেন তাদের ইমান ও তওবার কারণে। ইরশাদ হয়েছে, ‘আর জনপদবাসীরা কেন এমন হয় না যে তারা ইমান আনত এবং ইমান তাদের উপকারে আসত। তবে ইউনুস সম্প্রদায় ব্যতীত। যখন তারা ইমান আনল, আমি তাদের থেকে পার্থিব জীবনের শাস্তি দূর করে দিলাম এবং তাদের কিছুকালের জন্য ভোগ-বিলাসের জীবন দান করলাম। (সুরা ইউনুস: ৯৮)
ইসতিগফার: আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘আল্লাহ এমন নন যে, আপনি (নবী) তাদের মধ্যে থাকবেন অথচ আল্লাহ তাদের শাস্তি দেবেন এবং আল্লাহ এমনও নন যে, তারা ক্ষমা প্রার্থনা করবে আর আল্লাহ তাদের শাস্তি দেবেন।’ (সুরা আনফাল: ৩৩)
কল্যাণের আহ্বান: ইরশাদ হয়েছে, ‘তোমাদের মধ্যে এমন এক দল যেন থাকে, যারা কল্যাণের দিকে আহ্বান করবে, সৎ কাজের নির্দেশ দেবে এবং অসৎ কাজে নিষেধ করবে। তারাই সফলকাম।’ (সুরা আলে ইমরান: ১০৪)
গুনাহ পরিত্যাগ: আল্লাহ যা নিষেধ করেছেন, তা থেকে দূরে থাকা এবং প্রকাশ্যে পাপ না করা, শাস্তি থেকে বাঁচার উপায়। লুত (আ.)-এর সম্প্রদায় প্রকাশ্য মজলিশে অপকর্মে লিপ্ত হতো। ফলে তাদের ওপর শাস্তি এসেছে। (সুরা আনকাবুত: ২৯)
দান-সদকা: পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা বাগানওয়ালাদের কথা বলেছেন। তারা গরিবদের বঞ্চিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। ফলে আল্লাহর পক্ষ থেকে এক বিপর্যয় তাদের বাগান জ্বালিয়ে-পুড়িয়ে শেষ করে দেয়। (সুরা কলম: ১৭-২৭)

শাশ্বত চেতনাবোধের বিনির্মাণ ও অনুপম মনুষ্যত্ব অর্জনের এক কার্যকর প্রশিক্ষণের বার্তা নিয়ে আগমন করে রমজান। শাবান মাসের শেষে পশ্চিম আকাশে বাঁকা চাঁদ উঁকি দিতেই ধরণির বুকে রহমতের ফল্গুধারা নেমে আসে। শুরু হয় মুমিন হৃদয়ের দীর্ঘ প্রতীক্ষার স্নিগ্ধ প্রহর—পবিত্র মাহে রমজান।
৭ ঘণ্টা আগে
দিন শেষে রাত নেমে এসেছে মক্কার আকাশে। ধীরে ধীরে রাত গভীর হচ্ছে। বাড়ছে নিস্তব্ধতা। কমছে কোলাহল। এসবের মাঝেই নতুন এক আলোর আগমনের অপেক্ষা। মক্কার এক প্রান্তে বসে অপেক্ষা করছেন এক ইহুদি পণ্ডিত। তাঁর চোখ আকাশের দিকে স্থির। মনোযোগ গভীর। দীর্ঘ অপেক্ষার পর তিনি তাঁর কাঙ্ক্ষিত বস্তু পেয়েছেন বলেই চেহারায়...
৭ ঘণ্টা আগে
মানুষের অস্তিত্বের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে ভাষা। এটি মানুষের চিন্তাচেতনা, নিজস্ব সংস্কৃতি, অনুভূতি প্রকাশ ও আত্মপরিচয়ের প্রধান বাহক। বিশেষত মাতৃভাষা মানুষের হৃদয় ও আবেগের ভাষা। যে ভাষায় মানুষ প্রথম কথা বলতে শেখে, শিক্ষা ও সংস্কৃতি চর্চায় তা অপরিহার্য ভূমিকা রাখে।
৮ ঘণ্টা আগে
রমজানের স্নিগ্ধ আমেজ আর আনন্দের জোয়ারে মিসরের পুরোনো কায়রোর সমকক্ষ আর কোনো জনপদ নেই বললেই চলে। এখানকার প্রতিটি রাস্তা, অলিগলি দিয়ে হাঁটার সময় আপনার চোখে পড়বে পবিত্র মাসকে বরণ করে নেওয়ার একেকটি জীবন্ত দৃশ্য। কেউ হয়তো নিজের বাড়ির আঙিনায় বা দোকানের সামনে বসে লোহা কিংবা...
৮ ঘণ্টা আগে