ফিচার ডেস্ক
অনেকে রান্নাঘরে কাঠের জিনিসপত্র ব্যবহার করেন। বিশেষ করে কাঠের চামচ আর কাটিং বোর্ড। এ ছাড়া মগ, প্লেট, বাটি কিংবা বিভিন্ন নকশা করা বাটিও ব্যবহার করা হয়। মোটা দাগে ভেবে দেখলে, কাঠের তৈরি জিনিসপত্রের বড় সুবিধা হলো, এগুলো মূলত হালকা। কিন্তু এগুলোর তেল শোষণক্ষমতা বেশি বলে সহজে ময়লা হয়ে যায়।
পরিষ্কার করার জন্য প্রয়োজনীয় জিনিস
সাবান, লেবুর রস, বেকিং সোডা, চিকন ও মোটা লবণের মিশ্রণ, গরম পানি, স্পঞ্জ, থালা শুকানোর তোয়ালে।
প্রথম ধাপ: পাত্রগুলো ভালোভাবে ধুয়ে নিন
পাত্রগুলো ধোয়ার জন্য প্রথমে গরম পানি এবং ডিশওয়াশার সাবান ব্যবহার করতে পারেন। খেয়াল করে প্রতিটি খাঁজ ও কোনা পরিষ্কার করার চেষ্টা করুন। খাবারের দাগ এবং শুকনো খাবারের কণা দূর করতে নরম স্পঞ্জ ব্যবহার করতে পারেন। পরবর্তী ধাপে যাওয়ার আগে বাসনগুলো মুছে নিন।
দ্বিতীয় ধাপ: কাঠের বাসনকোসনের ওপর লেবুর রস দিন
কাঠের পাত্রে একটু লেবুর রস দিয়ে ভালো করে ঘষে নিন। অবশ্য এ জন্য লেবুর রসের বদলে সাদা ভিনেগার ব্যবহার করতে পারেন। এভাবে ৫ থেকে ১০ মিনিট রেখে দিন বাসনগুলো।
তৃতীয় ধাপ: লবণ ও বেকিং সোডা যোগ করুন
একটি পাত্রে লবণ নিয়ে তার সঙ্গে বেকিং সোডা যোগ করুন। তাতে পানি দিয়ে মিশ্রণটিকে বুদ্বুদ হতে দিন। ভালো হয় বাসনগুলো এই মিশ্রণের পাত্রে ভিজিয়ে রাখতে পারলে। তারপর কাপড় দিয়ে বাসনগুলো মুছে নিন। মোছার ক্ষেত্রে পরিষ্কার কাপড়, স্পঞ্জ বা লেবুর ছাল ব্যবহার করতে পারেন। এই মিশ্রণ কাঠের চামচ এবং অন্যান্য পাত্র থেকে ব্যাকটেরিয়া দূর করবে।
চতুর্থ ধাপ: ধুয়ে ফেলুন এবং শুকানোর জন্য সোজা করে রাখুন
রান্নাঘরে কাঠের জিনিসপত্র সংরক্ষণের আগে অবশ্যই শুকিয়ে নিতে হবে। পরিষ্কার করা বাসনকোসন তোয়ালে দিয়ে ভালো করে মুছে নিয়ে আলো আসে এমন খোলামেলা জায়গায় রেখে দিতে হবে। কড়া রোদে শুকাতে দেবেন না। তাহলে সেগুলো বেঁকে যেতে পারে।
সূত্র: লুস ডট এসজি
অনেকে রান্নাঘরে কাঠের জিনিসপত্র ব্যবহার করেন। বিশেষ করে কাঠের চামচ আর কাটিং বোর্ড। এ ছাড়া মগ, প্লেট, বাটি কিংবা বিভিন্ন নকশা করা বাটিও ব্যবহার করা হয়। মোটা দাগে ভেবে দেখলে, কাঠের তৈরি জিনিসপত্রের বড় সুবিধা হলো, এগুলো মূলত হালকা। কিন্তু এগুলোর তেল শোষণক্ষমতা বেশি বলে সহজে ময়লা হয়ে যায়।
পরিষ্কার করার জন্য প্রয়োজনীয় জিনিস
সাবান, লেবুর রস, বেকিং সোডা, চিকন ও মোটা লবণের মিশ্রণ, গরম পানি, স্পঞ্জ, থালা শুকানোর তোয়ালে।
প্রথম ধাপ: পাত্রগুলো ভালোভাবে ধুয়ে নিন
পাত্রগুলো ধোয়ার জন্য প্রথমে গরম পানি এবং ডিশওয়াশার সাবান ব্যবহার করতে পারেন। খেয়াল করে প্রতিটি খাঁজ ও কোনা পরিষ্কার করার চেষ্টা করুন। খাবারের দাগ এবং শুকনো খাবারের কণা দূর করতে নরম স্পঞ্জ ব্যবহার করতে পারেন। পরবর্তী ধাপে যাওয়ার আগে বাসনগুলো মুছে নিন।
দ্বিতীয় ধাপ: কাঠের বাসনকোসনের ওপর লেবুর রস দিন
কাঠের পাত্রে একটু লেবুর রস দিয়ে ভালো করে ঘষে নিন। অবশ্য এ জন্য লেবুর রসের বদলে সাদা ভিনেগার ব্যবহার করতে পারেন। এভাবে ৫ থেকে ১০ মিনিট রেখে দিন বাসনগুলো।
তৃতীয় ধাপ: লবণ ও বেকিং সোডা যোগ করুন
একটি পাত্রে লবণ নিয়ে তার সঙ্গে বেকিং সোডা যোগ করুন। তাতে পানি দিয়ে মিশ্রণটিকে বুদ্বুদ হতে দিন। ভালো হয় বাসনগুলো এই মিশ্রণের পাত্রে ভিজিয়ে রাখতে পারলে। তারপর কাপড় দিয়ে বাসনগুলো মুছে নিন। মোছার ক্ষেত্রে পরিষ্কার কাপড়, স্পঞ্জ বা লেবুর ছাল ব্যবহার করতে পারেন। এই মিশ্রণ কাঠের চামচ এবং অন্যান্য পাত্র থেকে ব্যাকটেরিয়া দূর করবে।
চতুর্থ ধাপ: ধুয়ে ফেলুন এবং শুকানোর জন্য সোজা করে রাখুন
রান্নাঘরে কাঠের জিনিসপত্র সংরক্ষণের আগে অবশ্যই শুকিয়ে নিতে হবে। পরিষ্কার করা বাসনকোসন তোয়ালে দিয়ে ভালো করে মুছে নিয়ে আলো আসে এমন খোলামেলা জায়গায় রেখে দিতে হবে। কড়া রোদে শুকাতে দেবেন না। তাহলে সেগুলো বেঁকে যেতে পারে।
সূত্র: লুস ডট এসজি
ইসলামিক সংস্কৃতিতে একে অপরের সঙ্গে সম্পর্ক গভীর করার জন্য খাবারকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মনে করা হয়। চলুন একবার দেখে নেওয়া যাক কোন দেশে ঈদ উৎসবে কোন বিশেষ ধরনের খাবারগুলো খাওয়া হয়।
১২ ঘণ্টা আগেদেশের তিন পার্বত্য জেলার মধ্যে খাগড়াছড়ি অন্যতম। এই জেলাটিকে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের আধারও বলে লোকজন। ফলে এখানে পর্যটকদের যাতায়াত আছে বেশ। যোগাযোগ ব্যবস্থাও দারুণ। ঈদের লম্বা ছুটিতে হাতে তিন থেকে চার দিনের সময় নিয়ে গেলে প্রকৃতির চোখ জুড়ানো রূপ দেখে আসা যাবে।
১৫ ঘণ্টা আগেদাওয়াতে উজ্জ্বল রঙের কাতান, অরগাঞ্জা বা সিল্কের শাড়ি, মানানসই লিপস্টিক, চোখে কাজল ও মাসকারা আর ম্যাচিং গয়না; এইতো, আর কী চাই!
১ দিন আগেবাংলাদেশে সেমাই একটি জনপ্রিয় খাবার, বিশেষ করে ঈদ বা উৎসবের সময়। এটি সাধারণত গম থেকে তৈরি ময়দা দিয়ে বানানো হয়। দুধে ভিজিয়ে, ভেজে বা মিষ্টি সিরাপে মিশিয়ে এটি রান্না করা যায়।
২ দিন আগে