
বাংলাদেশ পরিস্থিতি নিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলেছে ভারত। ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর ওয়াশিংটনে বুধবার (২২ জানুয়ারি) এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান।
প্রেসিডেন্ট হিসেবে ট্রাম্পের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে জয়শঙ্কর ওয়াশিংটন সফর করেন।
বুধবার নতুন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এবং জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা মাইক ওয়াল্টজের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন জয়শঙ্কর।
সেখানে বাংলাদেশ প্রসঙ্গে কথা হয়েছে কিনা, এমন এক প্রশ্নের জবাবে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, ‘হ্যাঁ, বাংলাদেশ বিষয়ে আমাদের মধ্যে সংক্ষিপ্ত আলোচনা হয়েছে।’ তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত বলতে অস্বীকৃতি জানান জয়শঙ্কর।
ছাত্র–জনতার অভ্যুত্থানের মুখে শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ‘পদত্যাগ করে’ গত ৫ আগস্ট দিল্লি চলে যান। গত ৮ আগস্ট ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেয়। গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগের মামলায় বিচারের মুখোমুখি করতে শেখ হাসিনাকে ফেরত চেয়ে ভারতকে কূটনৈতিক পত্র দিয়েছে সরকার। সব মিলিয়ে এক অস্বস্তিকর অবস্থা বিরাজ করছে দুই দেশের সম্পর্কে।
এমন অবস্থায় আঞ্চলিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ভারতের আলাপের কূটনীতিক তাৎপর্য আছে, এমনটা মনে করছেন বাংলাদেশের কূটনীতিকেরা।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, জনগণের অধিকার ও সমতা প্রতিষ্ঠাই ছিল একুশের মূল চেতনা। এ চেতনাকে ধারণ করে দীর্ঘ লড়াই সংগ্রাম পার হয়ে দেশে আজ গণতন্ত্র পুনপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে। গণতন্ত্রের এই অগ্রযাত্রাকে সুসংহত করতে বর্তমান সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
৬ মিনিট আগে
নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পরদিনই বাংলাদেশকে স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের সময়সীমা তিন বছর পিছিয়ে দেওয়ার জন্য আনুষ্ঠানিক আবেদন করা হয়েছে। সরকারের পক্ষে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব শাহরিয়ার কাদের ছিদ্দিকী গত বুধবার জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক...
২৩ মিনিট আগে
টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, সড়ক ও পরিবহন খাতে দীর্ঘদিনের চাঁদা সংস্কৃতিকে মালিক-শ্রমিক কল্যাণের যুক্তিতে বৈধতার আবরণ দেওয়ার চেষ্টা বিভ্রান্তিকর। এতে প্রকৃত সমস্যার সমাধান না হয়ে বরং বিদ্যমান বিশৃঙ্খলা ও নৈরাজ্যকে টিকিয়ে রাখার প্রবণতা শক্তিশালী হতে পারে।
১ ঘণ্টা আগে
চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে গড়ে তোলার প্রসঙ্গে আমির খসরু বলেন, এখন বাণিজ্যিক রাজধানীর কাজ শুরু হবে। বিনিয়োগ বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম আরও উন্নত করা—এসব লক্ষ্য নিয়েই সরকার এগোবে। বিনিয়োগের মাধ্যমেই তো বাণিজ্যিক রাজধানী হবে, মন্তব্য করেন তিনি।
২ ঘণ্টা আগে