নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) মহাপরিচালক মেজর জেনারেল হামিদুল হকের নেতৃত্বে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন ১১টি দেশের ১৩ জন সামরিক কর্মকর্তা। যাঁরা ঢাকায় নিযুক্ত বিভিন্ন দূতাবাসের সামরিক প্রতিনিধি (ডিফেন্স অ্যাটাশে) হিসেবে কর্মরত আছেন।
আজ রোববার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এ সময় মহান স্বাধীনতাযুদ্ধে শাহাদাত বরণকারী শহীদদের প্রতি তাঁরা ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন করে কিছু সময় নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। এরপর বিদেশি সামরিক কর্মকর্তারা জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাখা পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন।
শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে ডিজিএফআই মহাপরিচালক মেজর জেনারেল হামিদুল হক বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আহ্বানে ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে যাঁরা আত্মত্যাগ করেছিলেন, সেসব শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করার জন্য ঢাকায় নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের সামরিক প্রতিনিধিরা এখানে এসেছেন। তাঁরা ডিজিএফআইয়ের ব্যবস্থাপনায় আজকে রোববার শ্রদ্ধা নিবেদন করলেন। এখানে ১১টি দেশের ১৩ জন সামরিক প্রতিনিধি শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন।
এক প্রশ্নের জবাবে ডিজিএফআইয়ের প্রধান বলেন, ‘প্রতিটি দেশের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক আছে। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি হচ্ছে—সকলের সঙ্গে বন্ধুত্ব কারও সঙ্গে বৈরিতা নয়। এ পরিপ্রেক্ষিতে বিভিন্ন দেশের সামরিক প্রতিনিধিরা আমাদের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেছেন।’
শ্রদ্ধা নিবেদন অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকা ১১টি দেশের ১৩ জন সামরিক কর্মকর্তা হলেন—অস্ট্রেলিয়ার প্রতিনিধি লে. কর্নেল জন ডেম্পসি, চায়নার প্রতিনিধি সিনিয়র কর্নেল ডু জিংসেন, ভারতের প্রতিনিধি ব্রিগেডিয়ার মানমিত সিং সাবারওয়াল, ইন্দোনেশিয়ার প্রতিনিধি কর্নেল আজওয়ান আবদি, মিয়ানমারের প্রতিনিধি ব্রিগেডিয়ার সো ন্যুয়েত, নেপালের প্রতিনিধি ব্রিগেডিয়ার রোশান শামসের রানা, প্যালেস্টাইনের প্রতিনিধি কর্নেল মাহমুদ সারাওনাহ, রাশিয়ার প্রতিনিধি কর্নেল সারগেই ভিক্টরোভিচ নেয়দেনভ্ ও লে. কর্নেল আলেক্সি ইয়্যুরিভিচ তেরেকভ, তুর্কির প্রতিনিধি কর্নেল এরদাল শাহীন, যুক্তরাজ্যের প্রতিনিধি লে. কর্নেল জন ক্র্যাফোর্ড ম্যাকলিলান স্কর্ট, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি লে. কর্নেল মাইকেল এরিক দ্যিমেশেই ও মেজর ইয়ান লিওনার্দ।
প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) মহাপরিচালক মেজর জেনারেল হামিদুল হকের নেতৃত্বে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন ১১টি দেশের ১৩ জন সামরিক কর্মকর্তা। যাঁরা ঢাকায় নিযুক্ত বিভিন্ন দূতাবাসের সামরিক প্রতিনিধি (ডিফেন্স অ্যাটাশে) হিসেবে কর্মরত আছেন।
আজ রোববার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এ সময় মহান স্বাধীনতাযুদ্ধে শাহাদাত বরণকারী শহীদদের প্রতি তাঁরা ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন করে কিছু সময় নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। এরপর বিদেশি সামরিক কর্মকর্তারা জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাখা পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন।
শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে ডিজিএফআই মহাপরিচালক মেজর জেনারেল হামিদুল হক বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আহ্বানে ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে যাঁরা আত্মত্যাগ করেছিলেন, সেসব শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করার জন্য ঢাকায় নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের সামরিক প্রতিনিধিরা এখানে এসেছেন। তাঁরা ডিজিএফআইয়ের ব্যবস্থাপনায় আজকে রোববার শ্রদ্ধা নিবেদন করলেন। এখানে ১১টি দেশের ১৩ জন সামরিক প্রতিনিধি শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন।
এক প্রশ্নের জবাবে ডিজিএফআইয়ের প্রধান বলেন, ‘প্রতিটি দেশের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক আছে। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি হচ্ছে—সকলের সঙ্গে বন্ধুত্ব কারও সঙ্গে বৈরিতা নয়। এ পরিপ্রেক্ষিতে বিভিন্ন দেশের সামরিক প্রতিনিধিরা আমাদের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেছেন।’
শ্রদ্ধা নিবেদন অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকা ১১টি দেশের ১৩ জন সামরিক কর্মকর্তা হলেন—অস্ট্রেলিয়ার প্রতিনিধি লে. কর্নেল জন ডেম্পসি, চায়নার প্রতিনিধি সিনিয়র কর্নেল ডু জিংসেন, ভারতের প্রতিনিধি ব্রিগেডিয়ার মানমিত সিং সাবারওয়াল, ইন্দোনেশিয়ার প্রতিনিধি কর্নেল আজওয়ান আবদি, মিয়ানমারের প্রতিনিধি ব্রিগেডিয়ার সো ন্যুয়েত, নেপালের প্রতিনিধি ব্রিগেডিয়ার রোশান শামসের রানা, প্যালেস্টাইনের প্রতিনিধি কর্নেল মাহমুদ সারাওনাহ, রাশিয়ার প্রতিনিধি কর্নেল সারগেই ভিক্টরোভিচ নেয়দেনভ্ ও লে. কর্নেল আলেক্সি ইয়্যুরিভিচ তেরেকভ, তুর্কির প্রতিনিধি কর্নেল এরদাল শাহীন, যুক্তরাজ্যের প্রতিনিধি লে. কর্নেল জন ক্র্যাফোর্ড ম্যাকলিলান স্কর্ট, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি লে. কর্নেল মাইকেল এরিক দ্যিমেশেই ও মেজর ইয়ান লিওনার্দ।
চিকেন’স নেক বা শিলিগুড়ি করিডর ভারতের মূল ভূখণ্ডকে উত্তর-পূর্ব রাজ্যগুলোর সঙ্গে সংযুক্ত করে রাখা একটি সংকীর্ণ ভূখণ্ড, যার ভূরাজনৈতিক গুরুত্ব অপরিসীম। বাংলাদেশ, চীন, নেপাল ও ভুটানের সীমান্তবর্তী এই করিডর ভারতের নিরাপত্তা ও সংযোগের জন্য গুরুত্বপূর্ণ লাইফলাইন।
৩ ঘণ্টা আগেআমাদের প্রধান উপদেষ্টা সরাসরি যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করবেন। যেহেতু আমাদের নিশ্চিতভাবে সবচেয়ে বড় সম্পদ প্রধান উপদেষ্টা মহোদয়। উনার যে আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা, সেটাকে ব্যবহার করে আমরা যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করব...
৪ ঘণ্টা আগেবাংলাদেশি পণ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক আরোপ নিয়ে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে বৈঠক শুরু হয়েছ। সরকারের ইতিবাচক সিদ্ধান্তে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ ইউরোপে বাংলাদেশের রপ্তানি বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
৭ ঘণ্টা আগেপ্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, খেলাধুলা শিশু ও তরুণদের মেধা ও মনন বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। এর মাধ্যমে প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব, শৃঙ্খলাবোধ, অধ্যবসায়, দায়িত্বজ্ঞান ও কর্তব্যপরায়ণতার সৃষ্টি হয়।
৭ ঘণ্টা আগে