অনলাইন ডেস্ক
সেনাবাহিনী ও সেনাপ্রধানের প্রতি কেউ কেউ অকারণে বিদ্বেষ ছড়ানো হচ্ছে মন্তব্য করেছেন সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার–উজ–জামান। জনগণের উদ্দেশ্যে তিনি বলেছেন, সেনাবাহিনীকে আক্রমণ না করে উপদেশ দিন, যাতে দেশ ও জাতিকে এগিয়ে নিতে পারে।
২০০৯ সালে তৎকালীন বিডিআর (বর্তমান বিজিবি) সদর দপ্তর পিলখানায় সংঘটিত নির্মম হত্যাকাণ্ডে নিহত সেনা কর্মকর্তাদের স্মরণে আজ মঙ্গলবার সকালে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সেনাপ্রধান এসব কথা বলেন। রিটায়ার্ড আর্মড ফোর্সেস অফিসার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন (রাওয়া) ক্লাবের আয়োজনে রাজধানীর মহাখালীর রাওয়া ক্লাবের হেলমেট হলে এ অনুষ্ঠান হয়।
জেনারেল ওয়াকার বলেন, ‘একটা কমন জিনিস আমি দেখতে পাচ্ছি, সেনাবাহিনী এবং সেনাপ্রধানের প্রতি বিদ্বেষ কারো কারো, কী কারণে আজ পর্যন্ত আমি আমি এটা খুঁজে পাইনি। আমরা হচ্ছি একমাত্র ফোর্স, যেটা আপনাদের জন্য কাজ করে যাচ্ছি, দাঁড়িয়ে আছি প্ল্যাটফর্মে। অফকোর্স নেভি অ্যান্ড এয়ারফোর্স, নেভি চিফ আবার মন খারাপ করে, ইয়া করছে! নেভি এয়ারফোর্স অল উই অল আমাদেরকে সাহায্য করেন।’
জনগণের উদ্দেশ্যে সেনাপ্রধান বলেন, ‘আমাদেরকে আক্রমণ করেন না, আমাদেরকে অনুপ্রাণিত করেন, আমাদেরকে উপদেশ দেন। কোনো একটা সমস্যা হয়ে গেলে আমি নুরুদ্দিন স্যারের শরণাপন্ন হই এবং উনি আমাকে উপদেশ দেন, সিনিয়র জেনারেলরা আমাকে উপদেশ দেন। আমি সবার কাছে শরণাপন্ন হই। আমাদের প্রতি আক্রমণ করেন না। উপদেশ দেন, আমরা অবশ্যই ভালো উপদেশ গ্রহণ করব। আমরা একসাথে থাকতে চাই এবং দেশ এবং জাতিকে এগিয়ে নিয়ে যে দিতে চাই।’
লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) নূরুদ্দীন খান ১৯৯০ সালের ৩১ আগস্ট থেকে ১৯৯৪ সালের ৩০ আগস্ট পর্যন্ত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান ছিলেন। পরে আওয়ামী লীগে যোগ দেন।
সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার বলেন, ‘এই দেশের শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব খালি সেনাবাহিনীর না। দুই লক্ষ পুলিশ আছে, বিজিবি আছে, র্যাব আছে, আনসার-ভিডিপি আছে। আমার আছে হচ্ছে ৩০ হাজার সৈন্য। এদেরকে আমি এই যে একটা বিরাট ভয়েড, আমি এই ৩০ হাজার সৈন্য দিয়ে, আমি কীভাবে এটা পূরণ করব? ৩০ হাজার থাকে, আবার ৩০ হাজার চলে যায়, ক্যান্টনমেন্টে আরও ৩০ হাজার আসে, এটা দিয়ে আমরা দিনরাত চেষ্টা করে যাচ্ছি। এখানে যে সমস্ত উচ্ছৃঙ্খল কাজ হয়েছে, সেটা আমাদের নিজস্ব তৈরি। এটা আমাদের নিজস্ব ম্যানুফ্যাকচারড। আমরা এইগুলো তৈরি করেছি। এই বিপরীতমুখী কাজ করলে দেশে কখনো শান্তিশৃঙ্খলা আসবে না। এই জিনিসটা আপনাদের মনে রাখতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘তদন্ত কমিশন হচ্ছে আবার আরেকটা আমাদের, সর্বদা আমরা চেষ্টা করব তদন্ত কমিশনকে সহায়তা করতে। যে ধরনের সাহায্য-সহযোগিতা প্রয়োজন হয় আমরা করব।’
সেনাবাহিনী ও সেনাপ্রধানের প্রতি কেউ কেউ অকারণে বিদ্বেষ ছড়ানো হচ্ছে মন্তব্য করেছেন সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার–উজ–জামান। জনগণের উদ্দেশ্যে তিনি বলেছেন, সেনাবাহিনীকে আক্রমণ না করে উপদেশ দিন, যাতে দেশ ও জাতিকে এগিয়ে নিতে পারে।
২০০৯ সালে তৎকালীন বিডিআর (বর্তমান বিজিবি) সদর দপ্তর পিলখানায় সংঘটিত নির্মম হত্যাকাণ্ডে নিহত সেনা কর্মকর্তাদের স্মরণে আজ মঙ্গলবার সকালে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সেনাপ্রধান এসব কথা বলেন। রিটায়ার্ড আর্মড ফোর্সেস অফিসার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন (রাওয়া) ক্লাবের আয়োজনে রাজধানীর মহাখালীর রাওয়া ক্লাবের হেলমেট হলে এ অনুষ্ঠান হয়।
জেনারেল ওয়াকার বলেন, ‘একটা কমন জিনিস আমি দেখতে পাচ্ছি, সেনাবাহিনী এবং সেনাপ্রধানের প্রতি বিদ্বেষ কারো কারো, কী কারণে আজ পর্যন্ত আমি আমি এটা খুঁজে পাইনি। আমরা হচ্ছি একমাত্র ফোর্স, যেটা আপনাদের জন্য কাজ করে যাচ্ছি, দাঁড়িয়ে আছি প্ল্যাটফর্মে। অফকোর্স নেভি অ্যান্ড এয়ারফোর্স, নেভি চিফ আবার মন খারাপ করে, ইয়া করছে! নেভি এয়ারফোর্স অল উই অল আমাদেরকে সাহায্য করেন।’
জনগণের উদ্দেশ্যে সেনাপ্রধান বলেন, ‘আমাদেরকে আক্রমণ করেন না, আমাদেরকে অনুপ্রাণিত করেন, আমাদেরকে উপদেশ দেন। কোনো একটা সমস্যা হয়ে গেলে আমি নুরুদ্দিন স্যারের শরণাপন্ন হই এবং উনি আমাকে উপদেশ দেন, সিনিয়র জেনারেলরা আমাকে উপদেশ দেন। আমি সবার কাছে শরণাপন্ন হই। আমাদের প্রতি আক্রমণ করেন না। উপদেশ দেন, আমরা অবশ্যই ভালো উপদেশ গ্রহণ করব। আমরা একসাথে থাকতে চাই এবং দেশ এবং জাতিকে এগিয়ে নিয়ে যে দিতে চাই।’
লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) নূরুদ্দীন খান ১৯৯০ সালের ৩১ আগস্ট থেকে ১৯৯৪ সালের ৩০ আগস্ট পর্যন্ত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান ছিলেন। পরে আওয়ামী লীগে যোগ দেন।
সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার বলেন, ‘এই দেশের শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব খালি সেনাবাহিনীর না। দুই লক্ষ পুলিশ আছে, বিজিবি আছে, র্যাব আছে, আনসার-ভিডিপি আছে। আমার আছে হচ্ছে ৩০ হাজার সৈন্য। এদেরকে আমি এই যে একটা বিরাট ভয়েড, আমি এই ৩০ হাজার সৈন্য দিয়ে, আমি কীভাবে এটা পূরণ করব? ৩০ হাজার থাকে, আবার ৩০ হাজার চলে যায়, ক্যান্টনমেন্টে আরও ৩০ হাজার আসে, এটা দিয়ে আমরা দিনরাত চেষ্টা করে যাচ্ছি। এখানে যে সমস্ত উচ্ছৃঙ্খল কাজ হয়েছে, সেটা আমাদের নিজস্ব তৈরি। এটা আমাদের নিজস্ব ম্যানুফ্যাকচারড। আমরা এইগুলো তৈরি করেছি। এই বিপরীতমুখী কাজ করলে দেশে কখনো শান্তিশৃঙ্খলা আসবে না। এই জিনিসটা আপনাদের মনে রাখতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘তদন্ত কমিশন হচ্ছে আবার আরেকটা আমাদের, সর্বদা আমরা চেষ্টা করব তদন্ত কমিশনকে সহায়তা করতে। যে ধরনের সাহায্য-সহযোগিতা প্রয়োজন হয় আমরা করব।’
বাংলাদেশে তিস্তা নদীসহ পানিসম্পদ খাতের সমন্বিত ব্যবস্থাপনায় যুক্ত হবে চীন। বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে বয়ে চলা অভিন্ন নদী যমুনার উজানে পানিপ্রবাহের বিষয়ে তথ্য দেবে দেশটি। চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের শীর্ষ বৈঠকে গতকাল শুক্রবার এ সিদ্ধান্ত হয়।
১৩ মিনিট আগেরাষ্ট্র সংস্কারের লক্ষ্যে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের কাছে সুপারিশ জমা দিয়েছে বিএনপি, জামায়াত, এনসিপিসহ ২৪টি রাজনৈতিক দল। এসব সুপারিশ পর্যালোচনায় দেখা গেছে, সংবিধান সংস্কার ও নির্বাচন-সংক্রান্ত বিষয়ে বড় ধরনের মতানৈক্য রয়েছে বড় দলগুলোর মধ্যে।
৪৩ মিনিট আগেভিড় থাকলেও ট্রেন ছেড়ে যাচ্ছে সময়মতো। মহাসড়কে বাস আটকে যাচ্ছে না অসহনীয় জটে। ঢাকা থেকে লঞ্চযাত্রায় এখন আর আগের মতো ঠেলাঠেলি নেই। ঈদযাত্রায় ঘরমুখী মানুষকে তাই পড়তে হচ্ছে না বড় কোনো বিড়ম্বনায়।
২ ঘণ্টা আগেচীনের শীর্ষস্থানীয় কোম্পানিগুলোকে বাংলাদেশে বিনিয়োগের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ইউনূস। তিনি চীনা বিনিয়োগকারীদের পশ্চিমা দেশ ও এশিয়ায় পণ্য রপ্তানির জন্য বাংলাদেশকে উৎপাদন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
৩ ঘণ্টা আগে