
বাংলাদেশকে প্রায় ৫৯ কোটি টাকার সমান (৩৫ মিলিয়ন ড্যানিশ ক্রোনা) অনুদান দেবে ডেনমার্ক। এ বিষয়ে বাংলাদেশ ও ডেনমার্কের মধ্যে গত মঙ্গলবার রাজধানীর শেরে বাংলা নগরের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগে (ইআরডি) একটি অনুদানভিত্তিক সংশোধনী কাঠামো চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
এই চুক্তির অধীনে ডেনমার্ক ৩৫ মিলিয়ন ড্যানিশ ক্রোনা (ডিকেকে) যা প্রায় ৫৯ কোটি টাকার সমান—অনুদান হিসেবে প্রদান করবে বলে ইআরডির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। ইআরডি সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকী এবং ঢাকায় রয়্যাল ড্যানিশ দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত ক্রিশ্চিয়ান ব্রিক্স মোলার নিজ নিজ পক্ষ থেকে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
অনুষ্ঠানে ইআরডি এবং ঢাকায় ডেনমার্ক দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। ডেনমার্ক বাণিজ্য পরিষদের মাধ্যমে বাণিজ্যিক কার্যক্রমেও জড়িত বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
বাংলাদেশের পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে ডেনমার্ক মানবাধিকার, গণতন্ত্র এবং সুশাসন সংক্রান্ত কার্যক্রমে সহায়তা সম্প্রসারিত করছে, যা দেশের সংস্কার কর্মসূচির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।
বাংলাদেশ ও ডেনমার্কের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার ৫২ বছরের দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। এ সময়ে ডেনমার্ক কৃষি, পানি ও স্যানিটেশন, পরিবহন খাত, জলবায়ু পরিবর্তন, মানবাধিকার এবং সুশাসন কর্মসূচিতে বাংলাদেশকে সহায়তা প্রদান করেছে।

ভূমিমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ ৪৬ বছর পর রাজশাহী সদর আসন থেকে মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়াটা সমগ্র রাজশাহীবাসীর জন্য গৌরবের। এটি কোনো একক ব্যক্তির অর্জন নয়, বরং রাজশাহীর মানুষের ভালোবাসা, আস্থা ও সমর্থনের ফল। প্রায় দুই দশক পর রাজশাহীর উন্নয়ন পরিকল্পনা নতুনভাবে সাজানোর সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে...
১ ঘণ্টা আগে
সিলেটের আইটি পার্কে কর্মসংস্থান সৃষ্টি নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কর্মসংস্থান তৈরি করতে বিনিয়োগ প্রয়োজন। বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, লালফিতার দৌরাত্ম্য কমানো এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতাসহ সহায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় নির্বাচনের পর ভারত-বাংলাদেশ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বরফ গলতে শুরু করেছে। দীর্ঘ অচলাবস্থা কাটিয়ে এবার পর্যটন ভিসাসহ সব ধরনের ভিসা পরিষেবা ‘পুরোপুরি সচল’ করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন সিলেটে নিযুক্ত ভারতের সিনিয়র কনস্যুলার অফিসার অনিরুদ্ধ রায়।
২ ঘণ্টা আগে
নতুন সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি হিসেবে ৫০ লাখ পরিবারকে মাসে ২ হাজার থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকা সহায়তায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি বাস্তবায়নে আর্থিক সীমাবদ্ধতাকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম। কার্ড নির্বাচনে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বিবেচনায় নিয়ে তাড়াহুড়ো না করারও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
১১ ঘণ্টা আগে