
জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে সরকার গঠন করলে দিনাজপুরকে সিটি করপোরেশন করা হবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। আজ শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) দিনাজপুরের বড় মাঠে আয়োজিত নির্বাচনী সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।
শফিকুর রহমান বলেন, জামায়াত দেশ পরিচালনার সুযোগ পেলে দিনাজপুর শহরকে সিটি করপোরেশনে রূপান্তর করা হবে।
জামায়াত আমির আরও বলেন, ‘কৃষিকে আর পুরান ধাঁচে চালানো হবে না। এখানে আধুনিকায়ন করে, আধুনিক লজিস্টিক সরবরাহ করে ন্যায্যমূল্যে তা কৃষকের হাতে তুলে দিয়ে আমরা এই কৃষিজ উৎপাদন বাড়িয়ে তুলব।’
জামায়াত আমির অভিযোগ করে বলেন, কৃষিপণ্য উৎপাদন করার পরে বাজারে তা সঠিক মূল্যে পাওয়া যায় না। সংরক্ষণের অভাবে অনেক সময় উৎপাদিত ফসল ধ্বংস হয়ে যায়। এসব সমস্যা সমাধানের মাধ্যমে ফসলের ন্যায্যমূল্য দেওয়া হবে। তিনি বলেন, ‘আমরা আপনাদের কথা দিচ্ছি, ফসলের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা হবে।’ ফসল ও সবজির সংরক্ষণও নিশ্চিত করা হবে বলে জানান জামায়াত আমির।
জায়গায় জায়গায় ফসল ও সবজির সংরক্ষণাগার গড়ে তোলা হবে বলে প্রতিশ্রুতি দেন শফিকুর রহমান। সারা বছর দেশের মানুষ ন্যায্য দামে কৃষিপণ্যগুলো পাবেন বলেও আশ্বাস দেন জামায়াত আমির।
এসব কারা করবে—প্রশ্ন রেখে জামায়াত আমির বলেন, ‘যারা মানুষের তকদির নিয়ে টানাটানি করে তারা, নাকি যারা আল্লাহর ভয় করে তারা? আমাদের কেউ কেউ জিজ্ঞেস করে আপনারা যদি একটি সরকার গঠন করার সুযোগ পান তাহলে দেশ কেমন হবে? আমি বলি, আজকের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যেমন হয়েছে তার চেয়ে ভালো হবে। ওরা নির্বাচিত হয়েছে ছয় মাসও হয়নি ইতিমধ্যেই কাজ শুরু করে দিয়েছে। ওরা নির্বাচিত হয়েছে এক বছরের জন্য, আমরা সুযোগ পাব পাঁচ বছরের জন্য। সেই পাঁচ বছর আমরা এই দেশের জনগণকে সাথে নিয়ে জনগণের জন্য জনবান্ধব বাংলাদেশ গড়ে তুলব।’
জামায়াত আমির বলেন, ‘আজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মাদকসেবী নাই, বখাটে নাই, গুন্ডাপান্ডা নাই, বাইরের গুন্ডাপান্ডা নাই আজ সেখানে আছে সুষ্ঠু পরিবেশ আর শিক্ষার প্রতিযোগিতা। ওই রকম বাংলাদেশের স্বপ্ন আমরা দেখি, ওই বাংলাদেশই আমাদের মিশন এবং আমরা গড়ব।’
শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা ওই বাংলাদেশ গড়তে চাই, যেখানে বিচার অর্থের বিনিময়ে কেনা যায় না, যেখানে ধনী-গরিব-শিক্ষিত সর্ব শিক্ষিত সবার জন্য অধিকার সমান হবে। ওই বাংলাদেশ আমরা চাই যেখানে ধর্মে ধর্মে আর কোনো সংঘাত হবে না বরং একই বাগানের বিভিন্ন ধরনের গাছ হিসেবে আমরা রাজস্থান করব সম্মান ও ভালোবাসা দিয়ে।’

জুলাই জাতীয় সনদ অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন না করার প্রতিবাদ জানিয়ে সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির মতবিনিময় সভা মাঝপথে বর্জন (ওয়াকআউট) করেছে রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন...
৪ ঘণ্টা আগে
গণভোটে জনগণের দেওয়া ম্যান্ডেট পাশ কাটিয়ে সংসদীয় বিশেষ কমিটির মাধ্যমে সংবিধান সংশোধনের উদ্যোগ গ্রহণযোগ্য নয় বলে জানিয়েছে ১১ দলীয় ঐক্য। জুলাই জাতীয় সনদে অন্তর্ভুক্ত এবং গণভোটে অনুমোদিত সাংবিধানিক সংস্কার নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছে জোটটি।
৭ ঘণ্টা আগে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) নতুন ছাত্র সংগঠন ‘জাতীয় ছাত্রসভা—ন্যাশনাল স্টুডেন্টস অ্যাসেম্বলি’র প্রস্তুতি কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। গতকাল শনিবার রাতে সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ১৪ সদস্যের এ কমিটি প্রকাশ করা হয়।
৮ ঘণ্টা আগে
জুলাই সনদে সই করা রাজনৈতিক দল ও জোটের নেতাদের সঙ্গে জাতীয় সংসদের সংবিধান সংশোধন-সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির বৈঠকে অংশ নেবে না ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। আজ রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) এ বৈঠক বসবে।
১০ ঘণ্টা আগে