মহাসাগরে পরিচিত পর্বতের সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। গবেষকেরা স্যাটেলাইটের মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ করে মহাসাগরের পূর্বে অজানা প্রায় ২০ হাজার পর্বতের তথ্য ‘আর্থ অ্যান্ড স্পেস সায়েন্স’ বিজ্ঞান সাময়িকীতে প্রকাশ করেছেন।
সায়েন্স নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গবেষক দলটি সমুদ্রের নিচে মোট ১৯ হাজার ৩২৫টি পর্বত আবিষ্কার করে। গবেষকেরা তাঁদের কিছু পর্যবেক্ষণকে ‘সোনার’ প্রযুক্তি দিয়ে শনাক্ত করা পর্বতের মানচিত্রের সঙ্গে তুলনা করেছেন। নতুন আবিষ্কৃত পর্বতগুলোর বেশির ভাগই ছোট আকারের। গবেষকদের অনুমান অনুযায়ী, পর্বতগুলো প্রায় ৭০০ থেকে ২ হাজার ৫০০ মিটার পর্যন্ত লম্বা।
পৃথিবীপৃষ্ঠের মতো সমুদ্রের তলদেশ থেকেও পর্বতগুলো বেড়ে ওঠে। ভিত্তি থেকে শিখর পর্যন্ত পরিমাপ করলে পৃথিবীর সবচেয়ে উঁচু পর্বত হলো ‘মাউনা কেয়া’। এটি হাওয়াইয়ান-সম্রাট সিমাউন্ট চেইনের অংশ।
সান দিয়েগোর ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের স্ক্রিপস ইনস্টিটিউশন অব ওশানোগ্রাফির ভূপদার্থবিদ ডেভিড স্যান্ডওয়েল বলেন, এগুলো সমুদ্রের “স্টিরিং রডের” (একটি গ্লাস স্টিরিং রড হলো রাসায়নিক মেশানোর জন্য ব্যবহৃত ল্যাবরেটরির একটি সরঞ্জাম।’
সমুদ্রের তলদেশে ২৪ হাজার ৬০০-রও বেশি পর্বত আগে মানচিত্রে যুক্ত করা হয়েছে৷ এই লুকানো পাহাড়গুলো খুঁজে পাওয়ার একটি সাধারণ উপায় হলো ‘সোনার’ প্রযুক্তি ব্যবহার। তবে এটি একটি ব্যয়বহুল ও সময়নিবিড় প্রক্রিয়া। এর জন্য একটি জাহাজের প্রয়োজন হয়। বিজ্ঞানী জুলি গেভরজিয়ান বলেন, ‘সমুদ্রের প্রায় ২০ শতাংশ পর্বত এইভাবে শনাক্ত করা হয়েছে।’

কুখ্যাত যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইনের নথিপত্র থেকে এবার সামনে এলো ডিএনএ-র গঠনের সহ-আবিষ্কারক নোবেলজয়ী মার্কিন বিজ্ঞানী জেমস ওয়াটসনের নাম। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফ-এর এক প্রতিবেদনে প্রকাশিত কিছু ছবিতে দেখা গেছে, এপস্টেইনের নিউইয়র্ক ম্যানশনে তিন তরুণীর সঙ্গে হাস্যোজ্জ্বল অবস্থায় রয়েছেন এই বিজ্ঞ
২ দিন আগে
বাংলাদেশে ভাইরাসবাহিত রহস্যজনক এক রোগের সংক্রমণের খবর পাওয়া যাচ্ছে। শুরুতে নিপাহ ভাইরাস সংক্রমণের প্রাদুর্ভাব বলে মনে করা হলেও, এটি আসলে আরেকটি নতুন ও সম্ভাব্য প্রাণঘাতী বাদুড়বাহিত ভাইরাসের কারণে হয়েছে। নতুন এক গবেষণায় এমন সতর্কবার্তাই দিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিপেনডেন্টের....
১৬ দিন আগে
ধনকুবের এবং যৌন পাচারের দায়ে অভিযুক্ত জেফরি এপস্টেইনকে ঘিরে এখন সারা দুনিয়ায় তোলপাড় চলছে। এবার আলোচনার কেন্দ্রে শিশুকামিতা, কিশোরী পাচার, রাজনীতি ও কূটনীতি। তবে ২০১৯ সালের জুলাই মাসে প্রকাশিত নথিতে উঠে এসেছিল আরও এক বিস্ফোরক তথ্য।
১৬ দিন আগে
বিজ্ঞানীদের মতে, গ্রহটির তার নিজ নক্ষত্র মণ্ডলের বাসযোগ্য অঞ্চলে অবস্থান করার প্রায় ৫০ শতাংশ সম্ভাবনা রাখে। তবে এটির পৃষ্ঠের তাপমাত্রা মঙ্গলগ্রহের মতো অত্যন্ত শীতল হতে পারে, যা মাইনাস ৭০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচেও নামতে পারে।
২২ দিন আগে