ক্রীড়া ডেস্ক
নারী না পুরুষ—ইমান খেলিফকে হয়তো জীবনের বাকি সময়েও এই বিতর্ক মাথায় নিয়ে চলতে হবে। এ আর নতুন কী তাঁর জন্য! প্যারিস অলিম্পিকে রিংয়ে নামার পর থেকেই তো লৈঙ্গিক পরিচয় বিতর্কের মধ্যে পড়তে হয়েছে আলজেরিয়ান বক্সারকে। শুরুতেই খেলিফের শক্তিশালী পাঞ্চে মাত্র ৪৬ সেকেন্ডেই কাঁদতে কাঁদতে লড়াই থেকে সরে দাঁড়ান ইতালির অ্যাঞ্জেলা কারিনি। এরপর কোয়ার্টার ও সেমিফাইনালেও দাপুটে জয়। গত পরশু মেয়েদের ৬৬ কেজি বক্সিংয়ে চীনের ইয়াং লিউকে ৫-০ ব্যবধানে হারিয়ে সোনাও জিতেছেন খেলিফ।
২৫ বছর বয়সী বক্সারের সাফল্যের গল্পটা জীবনের অনেক বাধা পেরিয়ে আসার। রাজধানী আলজিয়ার্স থেকে ৩০০ কিলোমিটার দূরের খুব এক গরিব গ্রামে জন্ম তাঁর। তবে অজান্তেই চুলে বিনি বাঁধা ৫ ফুট ৯ ইঞ্চি উচ্চতার মেয়েটি হয়ে উঠেছেন বক্সিংয়ের কেন্দ্রীয় এক চরিত্র। তাইওয়ানের লিন ইউ-টিংয়ের পাশাপাশি লৈঙ্গিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে না পারায় গত বছর খেলিফকে বাদ পড়তে হয়েছিল বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপ থেকে। গেমস শুরুর মাসখানেক আগে তাঁর আধা-মরুভূমি গ্রামের রক্ষণশীল গ্রামের অধিবাসীরাও চাননি, তিনি গেমসে খেলুক। এ নিয়ে খেলিফ বলেন, ‘আমি এসেছি এক রক্ষণশীল পরিবার থেকে। মেয়েরা খুব বেশি বক্সিং খেলে না, বিশেষ করে আলজেরিয়ায়। এটা কঠিন ছিল।’
শারীরিকভাবে শক্তিশালী হওয়ায় খেলিফ তাঁর গ্রাম বিবান মেসবাহয়ক ফুটবল খেলতেন। সেখানে মারামারিও করতেন। জোরে ঘুষি মারার অনুশীলনটা হয়তো সেখানেই আয়ত্ত করেছিলেন তিনি। ইউনিসেফকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে খেলিফ জানান, ছোটবেলায় স্ক্র্যাপ (পরিত্যক্ত) জিনিসপত্র বিক্রি করতেন এবং তাঁর মা পাশের শহরে ঘরে তৈরি কুসকুস (চানাচুর জাতীয় আফ্রিকান খাবার) বিক্রি করতেন। বাবা ওমর শুরুতে চাননি, ইমান বক্সিং খেলুক। তবে পরে সন্তানের সবচেয়ে বড় সমর্থক হয়ে ওঠেন তিনি। অনুশীলনে স্পৃহা দেখে ওমর একবার এএফপি’কে বলেছিলেন, তার কন্যা ‘আফ্রিকান মেয়েদের জন্য উদাহরণ’।
এক সময় বক্সিং ছেড়ে দেওয়ারও চিন্তাভাবনা করেছিলেন খেলিফ। ২০২২ সালে আলেজেরিয়ান সংবাদ সংস্থা এপিএস’কে বলেছিলেন, ‘আমার পরিবার এটা মেনে নিচ্ছিল না। সমাজ মনে করছিল, আমি ভুল কিছু করছি। তবে সেসব বাধা আমাকে আরও শক্তিশালী করেছে এবং আমার স্বপ্নপূরণে আরও বেশি প্রেরণা দিয়েছে।’ খেলিফের স্বপ্ন ছিল অলিম্পিকে সোনা জেতা। এ নিয়ে ইউনিসেফ’কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, ‘সোনা জেতায় স্বপ্ন। যদি জিতি, মা ও বাবা দেখবেন, তাদের সন্তানেরা কত দূর যেতে পারেন। আমি আলজেরিয়ার মেয়ে ও শিশুদের অনুপ্রাণিত করতে চাই।’
খেলিফের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার শুরু হয়েছিল বছর তিনেক আগে টোকিও অলিম্পিকে। সেখানে তিনি নিজের ওজন শ্রেণিতে পঞ্চম হয়েছিলেন। গত বছর নয়াদিল্লিতে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপ সেমিফাইনালেও ওঠেন। তবে এরপর আন্তর্জাতিক বক্সিং অ্যাসোসিয়েশনের লৈঙ্গিক পরীক্ষায় অযোগ্য হন খেলিফ। কিন্তু সেটি আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটি (আইওসি) দ্বারা স্বীকৃত না হওয়ায় প্যারিসে যেতে কোনো বাধা থাকেনি তাঁর। খেলিফ যে মেয়ে সেটির প্রমাণ দিতে ওমর এএফপিকে তাঁর জন্মসনদও দেখিয়েছিলেন। গড়ন ছেলেদের মতো হওয়ায় ছোটবেলাতেই যে খেলিফের বক্সিং ক্যারিয়ার হুমকির মুখে পড়েছিল! তবে সেই বাধা জয় করে প্যারিসে সোনা জিতলেন তিনি। হোক না যত বিতর্ক, স্বপ্ন যে পূরণ হয়ে গেছে!
নারী না পুরুষ—ইমান খেলিফকে হয়তো জীবনের বাকি সময়েও এই বিতর্ক মাথায় নিয়ে চলতে হবে। এ আর নতুন কী তাঁর জন্য! প্যারিস অলিম্পিকে রিংয়ে নামার পর থেকেই তো লৈঙ্গিক পরিচয় বিতর্কের মধ্যে পড়তে হয়েছে আলজেরিয়ান বক্সারকে। শুরুতেই খেলিফের শক্তিশালী পাঞ্চে মাত্র ৪৬ সেকেন্ডেই কাঁদতে কাঁদতে লড়াই থেকে সরে দাঁড়ান ইতালির অ্যাঞ্জেলা কারিনি। এরপর কোয়ার্টার ও সেমিফাইনালেও দাপুটে জয়। গত পরশু মেয়েদের ৬৬ কেজি বক্সিংয়ে চীনের ইয়াং লিউকে ৫-০ ব্যবধানে হারিয়ে সোনাও জিতেছেন খেলিফ।
২৫ বছর বয়সী বক্সারের সাফল্যের গল্পটা জীবনের অনেক বাধা পেরিয়ে আসার। রাজধানী আলজিয়ার্স থেকে ৩০০ কিলোমিটার দূরের খুব এক গরিব গ্রামে জন্ম তাঁর। তবে অজান্তেই চুলে বিনি বাঁধা ৫ ফুট ৯ ইঞ্চি উচ্চতার মেয়েটি হয়ে উঠেছেন বক্সিংয়ের কেন্দ্রীয় এক চরিত্র। তাইওয়ানের লিন ইউ-টিংয়ের পাশাপাশি লৈঙ্গিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে না পারায় গত বছর খেলিফকে বাদ পড়তে হয়েছিল বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপ থেকে। গেমস শুরুর মাসখানেক আগে তাঁর আধা-মরুভূমি গ্রামের রক্ষণশীল গ্রামের অধিবাসীরাও চাননি, তিনি গেমসে খেলুক। এ নিয়ে খেলিফ বলেন, ‘আমি এসেছি এক রক্ষণশীল পরিবার থেকে। মেয়েরা খুব বেশি বক্সিং খেলে না, বিশেষ করে আলজেরিয়ায়। এটা কঠিন ছিল।’
শারীরিকভাবে শক্তিশালী হওয়ায় খেলিফ তাঁর গ্রাম বিবান মেসবাহয়ক ফুটবল খেলতেন। সেখানে মারামারিও করতেন। জোরে ঘুষি মারার অনুশীলনটা হয়তো সেখানেই আয়ত্ত করেছিলেন তিনি। ইউনিসেফকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে খেলিফ জানান, ছোটবেলায় স্ক্র্যাপ (পরিত্যক্ত) জিনিসপত্র বিক্রি করতেন এবং তাঁর মা পাশের শহরে ঘরে তৈরি কুসকুস (চানাচুর জাতীয় আফ্রিকান খাবার) বিক্রি করতেন। বাবা ওমর শুরুতে চাননি, ইমান বক্সিং খেলুক। তবে পরে সন্তানের সবচেয়ে বড় সমর্থক হয়ে ওঠেন তিনি। অনুশীলনে স্পৃহা দেখে ওমর একবার এএফপি’কে বলেছিলেন, তার কন্যা ‘আফ্রিকান মেয়েদের জন্য উদাহরণ’।
এক সময় বক্সিং ছেড়ে দেওয়ারও চিন্তাভাবনা করেছিলেন খেলিফ। ২০২২ সালে আলেজেরিয়ান সংবাদ সংস্থা এপিএস’কে বলেছিলেন, ‘আমার পরিবার এটা মেনে নিচ্ছিল না। সমাজ মনে করছিল, আমি ভুল কিছু করছি। তবে সেসব বাধা আমাকে আরও শক্তিশালী করেছে এবং আমার স্বপ্নপূরণে আরও বেশি প্রেরণা দিয়েছে।’ খেলিফের স্বপ্ন ছিল অলিম্পিকে সোনা জেতা। এ নিয়ে ইউনিসেফ’কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, ‘সোনা জেতায় স্বপ্ন। যদি জিতি, মা ও বাবা দেখবেন, তাদের সন্তানেরা কত দূর যেতে পারেন। আমি আলজেরিয়ার মেয়ে ও শিশুদের অনুপ্রাণিত করতে চাই।’
খেলিফের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার শুরু হয়েছিল বছর তিনেক আগে টোকিও অলিম্পিকে। সেখানে তিনি নিজের ওজন শ্রেণিতে পঞ্চম হয়েছিলেন। গত বছর নয়াদিল্লিতে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপ সেমিফাইনালেও ওঠেন। তবে এরপর আন্তর্জাতিক বক্সিং অ্যাসোসিয়েশনের লৈঙ্গিক পরীক্ষায় অযোগ্য হন খেলিফ। কিন্তু সেটি আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটি (আইওসি) দ্বারা স্বীকৃত না হওয়ায় প্যারিসে যেতে কোনো বাধা থাকেনি তাঁর। খেলিফ যে মেয়ে সেটির প্রমাণ দিতে ওমর এএফপিকে তাঁর জন্মসনদও দেখিয়েছিলেন। গড়ন ছেলেদের মতো হওয়ায় ছোটবেলাতেই যে খেলিফের বক্সিং ক্যারিয়ার হুমকির মুখে পড়েছিল! তবে সেই বাধা জয় করে প্যারিসে সোনা জিতলেন তিনি। হোক না যত বিতর্ক, স্বপ্ন যে পূরণ হয়ে গেছে!
সব সময় যে আক্রমণভাগের খেলোয়াড়েরা ম্যাচ জেতালেন তেমনটা নয়। দলের প্রয়োজনে ডিফেন্ডাররাও হতে পারেন ‘কান্ডারি’। আজ প্রিমিয়ার লিগে যেমন রহমতগঞ্জের বিপক্ষে সেই ভূমিকায় আবাহনীর শাকিল হোসেন। মুন্সিগঞ্জে তাঁর গোলেই গুরুত্বপূর্ণ তিন পয়েন্ট নিয়ে মাঠে ছেড়েছে মারুফুল হকের শিষ্যরা।
১৮ মিনিট আগেএর চেয়ে ভালো একটা দিন আর কী হতে পারত মনফিলস-সভিতোলিনা দম্পতির জন্য! অস্ট্রেলিয়ান ওপেন আজ দুজনেই জিতেছেন। আর তাঁদের জেতাটা চলতি টুর্নামেন্টের বড় দুটি অঘটনও!
২ ঘণ্টা আগেজসপ্রীত বুমরা, মোহাম্মদ শামি ও হার্দিক পান্ডিয়াকে রেখেই আজ আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফির দল ঘোষণা করেছে ভারত। এই তিন ক্রিকেটার একই সঙ্গে ভারতীয় ওয়ানডে দলে সবশেষ খেলেছিলেন ঘরের মাঠে ২০২৩ বিশ্বকাপে।
৩ ঘণ্টা আগেঅনেক দিন ধরেই জাতীয় দলের বাইরে জামাল ভূঁইয়া। প্রিমিয়ার লিগে পাননি কোনো দলও। শেষ পর্যন্ত ডেনমার্কেই ফিরে যান। সেখানে লম্বা সময় ছুটির আমেজে থাকলেও অনুশীলন ছাড়েননি জামাল, ‘এত দিন আমি ডেনমার্কে ছিলাম, ওখানে স্থানীয় পর্যায়ে খেলেছি ক্লাবে অনুশীলন করেছি।’
৩ ঘণ্টা আগে