
চলতি অর্থবছর শেষে ভারত ৭ দশমিক ৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জনের পথে রয়েছে। দেশটির মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) চার ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাচ্ছে এবং এর মাধ্যমে জাপানকে পেছনে ফেলে এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহৎ অর্থনীতি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছে ভারত।

ইউরোপিয়ান জার্নাল অব পলিটিক্যাল ইকোনমিতে প্রকাশিত গ্রিক অর্থনীতিবিদ মাইকেল ক্লেটসস ও আন্দ্রেয়াস সিন্টোসের লেখা ‘দ্য ইফেক্টস অব আইএমএফ কন্ডিশনাল প্রোগ্রাম অন দ্য আনএমপ্লয়মেন্ট রেট’ শীর্ষক প্রবন্ধের উদ্ধৃতি দিয়ে বাংলাদেশের একটি দৈনিক পত্রিকায় ‘আইএমএফ থেকে ঋণ গ্রহণকারী দেশগুলোয় বেকারত্ব বেড়েছে...

২০২১ সালে মোদির জনপ্রিয়তা ছিল ৭০ শতাংশ, ২০২৫ সালে এসে তা কমে দাঁড়িয়েছে ৫৮ শতাংশে। শুধু তাই নয়, এনডিএ সরকারের কাজকর্মে সন্তুষ্টির হার গত ছয় মাসে কমেছে ১০ শতাংশ। ফেব্রুয়ারিতে যেখানে ৬২ শতাংশ মানুষ সন্তুষ্ট ছিল, এখন তা দাঁড়িয়েছে ৫২ শতাংশে। বিশ্লেষকদের মতে, এটা একটা দীর্ঘমেয়াদি পতনের ধারা, যা ভবিষ্যতে

দেশে গত তিন বছরে দরিদ্রের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিশিপেশন রিসার্চ সেন্টারের (পিপিআরসি) এক গবেষণা তথ্য বলছে, দেশে এখন দারিদ্র্যের হার ২৭ দশমিক ৯৩ শতাংশ। অথচ সরকারি হিসাবেই ২০২২ সালে দারিদ্র্যের হার ছিল ১৮ দশমিক ৭ শতাংশ।