একটি কোভিড টিকাকেন্দ্র অপ্রত্যাশিতভাবে সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিতে হয়। কারণ দুটি সাপ। টিকাকেন্দ্রের ভবনের ভেতরে ঢুকে পড়েছিল ওগুলো। ঘটনাটি ওয়েলসের সেরডিওন নামের একটি গ্রামের। এদিকে পরিস্থিতি সামাল দিতে ভ্যাকসিন কেন্দ্রটির দায়িত্বে থাকা হাওয়েল ডডা হেলথ বোর্ড বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞদের সাহায্য চেয়েছেন।
সাপ দুটির নাম রাখা হয় কুম এবং কু। এ দুটি সাপের মধ্যে কু আকারে বড় এবং ধারণা করা হচ্ছে সে একটি অ্যাডার সাপ। অন্যদিকে কুম একটি গ্রাস স্নেক বলে মনে করা হচ্ছে।
এসব তথ্য জানা যায় ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম স্কাই নিউজের এক প্রতিবেদনে।
অ্যাডারটি পরে দালানটি ছেড়ে চলে গেলেও অপর সাপটি সেখানেই অবস্থান করছিল। হাওয়েল ডডা হেলথ বোর্ড ওই সরীসৃপকে সরিয়ে নিতে বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ চেয়েছেন।
পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কোভিড টিকাকেন্দ্র বন্ধ থাকবে বলেও জানায় তারা।
‘আমরা আশা করছি, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আবার টিকাকেন্দ্রটি খুলতে সক্ষম হব।’ স্বাস্থ্য বোর্ড ফেসবুকে একটি পোস্টে বলেছে।
ওয়াইল্ডলাইফ ট্রাস্টের মতে, গ্রাস সাপ ইংল্যান্ড ও ওয়েলসজুড়ে বিস্তৃত নিরীহ একটি সাপ। অ্যাডার হলো যুক্তরাজ্যের একমাত্র বিষাক্ত সাপ, তবে এর বিষ কিছুটা যন্ত্রণা হওয়া ছাড়া সাধারণত মানুষের জন্য বড় বিপদের কারণ হয় না। তবে শিশু, অসুস্থ বা বৃদ্ধদের জন্য এই বিষ বিপজ্জনক হতে পারে।

কাঁকড়াটি খাওয়ার পরদিন থেকেই এমার শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে। তাঁর ঠোঁট নীল হয়ে যায় এবং তাঁর বারবার খিঁচুনি হচ্ছিল। পরবর্তীকালে অচেতন অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। কিন্তু চিকিৎসকেরা তাঁকে বাঁচাতে পারেননি। স্থানীয় গ্রামপ্রধান ল্যাডি গেমাং বলেন, এমা এবং তাঁর স্বামী দুজনেই অভিজ্ঞ মাছ শিকারি...
৮ দিন আগে
প্রাত্যহিক জীবনের ছোটখাটো ভুল যে কখনো কখনো বড় কোনো বিপদের খোঁজ এনে দেয়, তারই এক চিত্র যেন দেখা গেল অ্যান্ডি জনসনের পরিবারে। সম্প্রতি পিপল ডটকমের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, কীভাবে ছেলের পায়ে ভুল জুতা পরিয়ে দেওয়ার একটি সাধারণ ঘটনা এক বাবার ক্রমশ দৃষ্টিশক্তি হারানোকে সামনে নিয়ে এল।
১২ দিন আগে
অলিম্পিক মানেই রেকর্ড আর সাফল্যের লড়াই। কিন্তু ২০২৬ মিলান-কোর্টিনা শীতকালীন অলিম্পিকের মঞ্চে এবার এক নজিরবিহীন ও বিচিত্র বিতর্কের জন্ম হয়েছে। পুরুষ স্কি জাম্পাররা তাঁদের লিঙ্গে ‘হায়ালুরোনিক অ্যাসিড’ ইনজেকশন দিয়ে শরীরের আয়তন বাড়ানোর চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
১৪ দিন আগে
ভাগ্য আর দক্ষতা যখন এক হয়ে যায়, তখনই মনে হয় এমন কিছু ঘটে যা মিরাকলই বলা যায়। তেমনই কিছু ঘটেছে গণিতে পিএইচডিধারী এক নারীর জীবনে। ১৭ বছরে চারবার লটারি জিতে ২ কোটি ডলারেরও বেশি অর্থ পেয়েছেন তিনি। যা কি না সাধারণ লটারি জেতার প্রচলিত সব পরিসংখ্যানকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে দিয়েছে।
১৬ দিন আগে