এক চীনা চিড়িয়াখানার বিরুদ্ধে অদ্ভুত এক অভিযোগ এসেছে। দর্শনার্থীরা অভিযোগ করেছেন, পান্ডা বলে চিড়িয়াখানায় যে প্রাণীগুলো দেখানো হয়, সেগুলো মোটেই পান্ডা নয় বরং রং করা চাও চাও ডগ। আর এই অভিযোগে রীতিমতো সরগরম চীনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম। তবে চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ কোনো ধরনের প্রতারণার অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
এসব তথ্য জানা যায় মার্কিন সংবাদমাধ্যম ইউনাইটেড প্রেস ইন্টারন্যাশনালের এক প্রতিবেদনে।
জিয়াংসু প্রদেশের তাইঝুতে যাওয়া দর্শনার্থীরা জানান, তাঁরা রীতিমতো বিস্মিত হয়ে আবিষ্কার করেছেন ১ মে চিড়িয়াখানায় ‘পান্ডা ডগ’ পরিচয়ে যে প্রাণীগুলো দেখানো হয়, সেগুলো মোটেই পান্ডা নয়। এদের লোম ছেঁটে পরিপাটি ও রং করে পান্ডার চেহারা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।
এদিকে চিড়িয়াখানাটির একজন মুখপাত্র স্বীকার করেছেন, নিজেদের কোনো পান্ডা না থাকায় কুকুরগুলো প্রদর্শন করতে বাধ্য হয় তারা। তবে লোম ছেঁটে পরিপাটি করে রং করাটা কুকুরের জন্য বিপজ্জনক হতে পারে—এ ধরনের মতের বিরোধিতা করেন তিনি।
এদিকে চিড়িয়াখানার একজন কর্মচারী রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত সংবাদমাধ্যম দ্য গ্লোবাল টাইমসকে জানায়, ‘পান্ডা কুকুর’ বলে কোনো ধরনের প্রতারণার আশ্রয় নেওয়া হয়নি। কারণ প্রাণীগুলোর ঘেরে ব্যাখ্যা করা ছিল, এরা পান্ডার ছদ্মবেশে থাকা চাউ চাউ কুকুর।

কাঁকড়াটি খাওয়ার পরদিন থেকেই এমার শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে। তাঁর ঠোঁট নীল হয়ে যায় এবং তাঁর বারবার খিঁচুনি হচ্ছিল। পরবর্তীকালে অচেতন অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। কিন্তু চিকিৎসকেরা তাঁকে বাঁচাতে পারেননি। স্থানীয় গ্রামপ্রধান ল্যাডি গেমাং বলেন, এমা এবং তাঁর স্বামী দুজনেই অভিজ্ঞ মাছ শিকারি...
৮ দিন আগে
প্রাত্যহিক জীবনের ছোটখাটো ভুল যে কখনো কখনো বড় কোনো বিপদের খোঁজ এনে দেয়, তারই এক চিত্র যেন দেখা গেল অ্যান্ডি জনসনের পরিবারে। সম্প্রতি পিপল ডটকমের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, কীভাবে ছেলের পায়ে ভুল জুতা পরিয়ে দেওয়ার একটি সাধারণ ঘটনা এক বাবার ক্রমশ দৃষ্টিশক্তি হারানোকে সামনে নিয়ে এল।
১২ দিন আগে
অলিম্পিক মানেই রেকর্ড আর সাফল্যের লড়াই। কিন্তু ২০২৬ মিলান-কোর্টিনা শীতকালীন অলিম্পিকের মঞ্চে এবার এক নজিরবিহীন ও বিচিত্র বিতর্কের জন্ম হয়েছে। পুরুষ স্কি জাম্পাররা তাঁদের লিঙ্গে ‘হায়ালুরোনিক অ্যাসিড’ ইনজেকশন দিয়ে শরীরের আয়তন বাড়ানোর চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
১৪ দিন আগে
ভাগ্য আর দক্ষতা যখন এক হয়ে যায়, তখনই মনে হয় এমন কিছু ঘটে যা মিরাকলই বলা যায়। তেমনই কিছু ঘটেছে গণিতে পিএইচডিধারী এক নারীর জীবনে। ১৭ বছরে চারবার লটারি জিতে ২ কোটি ডলারেরও বেশি অর্থ পেয়েছেন তিনি। যা কি না সাধারণ লটারি জেতার প্রচলিত সব পরিসংখ্যানকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে দিয়েছে।
১৬ দিন আগে