বীরশ্রেষ্ঠ মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীরের প্রতি আমাদের অগাধ শ্রদ্ধা। কিন্তু তাঁর নাম ভাঙিয়ে একটি ফেরি পদ্মার বুকে একের পর এক তাণ্ডবলীলা চালিয়ে যাচ্ছে; যা সত্যিই দুঃখজনক। পিলারে হামলা করতে করতে তার সাদা থাবা আজ স্প্যান পর্যন্ত পৌঁছে গেছে।
কেন ভাই? এত বড় দেহ নিয়েও নীরবে দাঁড়িয়ে থাকা ভদ্র সেতুর ওপর কেন বারবার তোমাকে উষ্ঠা খেতে হবে? তোমার কেন এত মোরগ লড়াই খেলার শখ? আর মাঠ খুঁজে পাও না?
এই প্রশ্নগুলোর উত্তর তো দিতে পারবে না। কিন্তু ষড়যন্ত্র করে মাথার ওপর একটা শিং তো ঠিকই দাঁড় করিয়ে রাখতে পেরেছে। সেতুর ওপর মাস্তুল ভাঙার দায় দিতে ইচ্ছে করেই একটা রড দাঁড় করিয়ে রেখেছে। এমন কাজটা জাহাঙ্গীর না করলেও পারত।
মারামারির ইচ্ছা না থাকলে জাহাঙ্গীর নিশ্চয়ই ভাটার সময় আসত। এসে যখন পড়েছেই মাথাটা একটু নিচু করে চলে যেতে পারত। মাথা নিচু করতে তার ইজ্জতে খুব লাগলে কয়েক ড্রাম পানি বা দু-একটা গাড়ি বেশি তুলে দেহটাকে আরেকটু ডুবিয়ে নিলেও হতো। কিছু না পারলেও কয়েকজন ট্রাক ড্রাইভারকে ওপরে পাঠিয়ে স্প্যানটি ওপরে তুলে ধরে নিচ থেকে পার হয়ে যেতে পারত। যায়নি। কারণ, সেতুকে বারবার ধাক্কা দেওয়াই ছিল তার এইম ইন লাইফ।
জাহাঙ্গীর গায়ে পায়ে সাদা। কিন্তু এই ফেরির মনে যে এত কালো, তা কে জানে!
এত কিছুর পরও সেতু কিন্তু জাহাঙ্গীরের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েনি। প্রকৃতির বিচারেই সে দাঁত ভাঙা জবাব পেয়েছে। সম্মিলিত ষড়যন্ত্রের পঞ্চম দফায় জাহাঙ্গীরের দাঁত ভেঙেছে। ভদ্র সেতুর কিন্তু কিছুই হয়নি। বর্ষাকালে এসে আবারও ধাক্কাধাক্কির চিন্তা করলে জাহাঙ্গীরের ছাদসহ উড়ে যাবে সেই পূর্বাভাস তো দেওয়াই যায়। কারণ, ধৈর্যেরও তো একটা সীমা আছে। আর কত?

কাঁকড়াটি খাওয়ার পরদিন থেকেই এমার শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে। তাঁর ঠোঁট নীল হয়ে যায় এবং তাঁর বারবার খিঁচুনি হচ্ছিল। পরবর্তীকালে অচেতন অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। কিন্তু চিকিৎসকেরা তাঁকে বাঁচাতে পারেননি। স্থানীয় গ্রামপ্রধান ল্যাডি গেমাং বলেন, এমা এবং তাঁর স্বামী দুজনেই অভিজ্ঞ মাছ শিকারি...
৮ দিন আগে
প্রাত্যহিক জীবনের ছোটখাটো ভুল যে কখনো কখনো বড় কোনো বিপদের খোঁজ এনে দেয়, তারই এক চিত্র যেন দেখা গেল অ্যান্ডি জনসনের পরিবারে। সম্প্রতি পিপল ডটকমের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, কীভাবে ছেলের পায়ে ভুল জুতা পরিয়ে দেওয়ার একটি সাধারণ ঘটনা এক বাবার ক্রমশ দৃষ্টিশক্তি হারানোকে সামনে নিয়ে এল।
১২ দিন আগে
অলিম্পিক মানেই রেকর্ড আর সাফল্যের লড়াই। কিন্তু ২০২৬ মিলান-কোর্টিনা শীতকালীন অলিম্পিকের মঞ্চে এবার এক নজিরবিহীন ও বিচিত্র বিতর্কের জন্ম হয়েছে। পুরুষ স্কি জাম্পাররা তাঁদের লিঙ্গে ‘হায়ালুরোনিক অ্যাসিড’ ইনজেকশন দিয়ে শরীরের আয়তন বাড়ানোর চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
১৪ দিন আগে
ভাগ্য আর দক্ষতা যখন এক হয়ে যায়, তখনই মনে হয় এমন কিছু ঘটে যা মিরাকলই বলা যায়। তেমনই কিছু ঘটেছে গণিতে পিএইচডিধারী এক নারীর জীবনে। ১৭ বছরে চারবার লটারি জিতে ২ কোটি ডলারেরও বেশি অর্থ পেয়েছেন তিনি। যা কি না সাধারণ লটারি জেতার প্রচলিত সব পরিসংখ্যানকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে দিয়েছে।
১৬ দিন আগে