প্রশ্ন: আমি কয়েক মাস ধরে মানসিক যন্ত্রণায় ভুগছি। দুই ভাইবোনের মধ্যে আমি সবার ছোট। আমার ৭ বছর বয়সে বাবা মারা যান। সরকারি ব্যাংকে চাকরি করে মা একা আমাদের বড় করেছেন। মায়ের সবচেয়ে কাছের ছিলাম আমি। আমার বিয়ে হয়েছে দেড় বছর হলো। পরিবারের সবার সিদ্ধান্তে ৯ মাস আগে মায়ের বিয়ে দিই। ৫৭ বছর বয়সে একজন নারীর বিয়ে দিলে সমাজের কথা শুনতে হবে, সেটা জানতাম। তবে ইদানীং আমি কেমন জানি খিটখিটে হয়ে যাচ্ছি। এ কাজে আমার স্বামীর কোনো আপত্তি ছিল না। আশপাশের মানুষের কথায় বিরক্ত হচ্ছি, রেগে যাচ্ছি। জানি, এতে আমার মা কষ্ট পাচ্ছেন। আমার এই আচরণ ঠিক করব কীভাবে?
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, ঢাকা
উত্তর: আমি তো বলব, আপনারা অনেক উদার ও সাহসী। সামাজিক প্রশ্ন বা প্রচলিত ধারণা আমলে না এনে আপনাদের মাকে বিয়ে দিয়েছেন। আপনি সব সময় মায়ের সঙ্গে থাকতেন। জীবনের সবচেয়ে কঠিন সময়টাতেও তাঁর সঙ্গে ছিলেন। এখন আপনারা দুজনই বিবাহিত। দৈনন্দিন যাপিত জীবনে পরিবর্তন আসবে—এটিই স্বাভাবিক।
আগে যেভাবে মাকে কাছে পেয়েছিলেন, এখন সেভাবে তাঁকে পাচ্ছেন না। হয়তো আপনার অবচেতন মন অনেকের মতো বিষয়টি মানতে পারছে না। এ জন্য সব মিলিয়ে আপনি কষ্ট পাচ্ছেন। তবে আপনার স্বস্তির জায়গা হলো, আপনার স্বামী বিষয়টি সুন্দরভাবে মেনে নিয়েছেন।
আপনার এই খিটখিটে অনুভব যৌক্তিক না অযৌক্তিক, সেটা ভাবুন। এর যৌক্তিক কারণ থাকলে সরাসরি মায়ের সঙ্গে আলোচনা করুন। আর কারণ না থাকলে মাকে আরও ভালোবাসুন। অনুযোগ না করে তাঁকে নতুন করে অনুভব করুন। তাঁর সঙ্গে সময় কাটান। উদার ও অনুভূতিপ্রবণ একটি হৃদয় আছে আপনার। আমার বিশ্বাস, এই সমস্যা থেকে আপনি নিজেই বেরিয়ে আসতে পারবেন।
পরামর্শ দিয়েছেন, ডা. ফারজানা রহমান, সহযোগী অধ্যাপক, মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট

প্রবাদ বলে, প্রত্যেক সফল পুরুষের পেছনে একজন নারী থাকেন। এই প্রবল নারী বিরোধিতার যুগেও সেটা দেখা গেল পার্বত্য চট্টগ্রামে। সে অঞ্চলের রাজনীতির আকাশে অনন্য নাম অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ান। এই রাজনীতিবিদের এবারের ভূমিধস বিজয়ের পেছনে প্রচ্ছন্ন নয়, একেবারে প্রত্যক্ষ যোগাযোগ আছে তাঁর সহধর্মিণী মৈত্রী...
১ দিন আগে
দেশে নারীদের মোটরসাইকেল চালনার হার ধীরে ধীরে বাড়ছে। বর্তমানে মোট মোটরসাইকেল চালকের প্রায় ১ শতাংশ নারী। তবে গবেষকেরা জানাচ্ছেন, সামাজিক মনোভাবের পরিবর্তন, যানজট, ব্যক্তিগত চলাচল এবং আয়ের প্রয়োজন বেড়ে যাওয়ায় নারী বাইকারের সংখ্যা বাড়ছে।
৩ দিন আগে
আগুনে পুড়ে খাঁটি সোনা হওয়ার গল্প আমরা অনেক শুনেছি। কিন্তু ঝু কুনফেইর গল্পটাকে বলতে হয় কাচ ঘষে হীরা হওয়ার গল্প। চীনের এক প্রত্যন্ত গ্রামের চরম দারিদ্র্য থেকে উঠে আসা এই ব্যক্তিত্ব আজ বিশ্বের চতুর্থ শীর্ষ ধনী ‘সেলফ-মেড’ নারী। অ্যাপল, স্যামসাং কিংবা টেসলার মতো বিশ্বখ্যাত ব্র্যান্ডের টাচস্ক্রিন সাম্র
৩ দিন আগে
বিবাহবিচ্ছেদের জন্য আদালতে যেসব কারণ সাধারণত গ্রহণযোগ্য বলে বিবেচিত হয়, সেগুলোর মধ্যে আছে, দীর্ঘমেয়াদি ভরণপোষণের অভাব, মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন, পরিবারের প্রতি দায়িত্বহীনতা এবং মানসিক, সামাজিক ও আর্থিকভাবে একসঙ্গে থাকা অসহনীয় অবস্থা।
৩ দিন আগে