রুদ্র রুহান, বরগুনা
বরগুনার তালতলী উপজেলার নলবুনিয়া গ্রামে পতিত জমিতে লবণসহিষ্ণু জাতের গম উৎপাদন করে সাফল্য পেয়েছেন কৃষকেরা। জমি চাষ না করেই গমের ভালো ফলন পেয়ে কৃষকেরা বেশ খুশি। নামমাত্র খরচে গমের আবাদ করে তাঁরা লাভবান হচ্ছেন।
এ পদ্ধতিতে গম আবাদ করলে বরিশাল ও খুলনা বিভাগের কয়েকটি জেলায় শীতকালে কমপক্ষে ১ লাখ হেক্টর জমিতে ৩ লাখ টন গম উৎপাদন সম্ভব; যার বাজারমূল্য ১ হাজার ৪৪০ কোটি টাকা–এমনটাই মনে করছে কৃষি বিভাগ।
গত শনিবার দুপুরে তালতলীর নলবুনিয়া গ্রামে উৎপাদিত গম কাটার উদ্বোধন করা হয়। এ সময় কৃষি বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা উপকূলীয় এলাকার লবণাক্ত জমিতে গম চাষের উজ্জ্বল সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন।
কৃষকেরা জানান, বঙ্গোপসাগর তীরবর্তী হওয়ায় এখানকার আবাদি জমিতে লবণাক্ততার পরিমাণ খুব বেশি। এ কারণে তাঁরা বছর শুধু আমন ধান আবাদ করতে পারেন। ডিসেম্বরে আমন ধান কাটার পর শুষ্ক মৌসুমে জমিতে লবণাক্ততার পরিমাণ এতটাই বেড়ে যায় যে, এসব জমিতে আর কোনো ফসল ফলানো যায় না। বর্ষা এলেই আবার আমন ধান চাষাবাদ করেন তাঁরা। ফলে এখানকার কৃষিজমি বছরের প্রায় আট মাসই পতিত থাকে।
এ ধরনের পতিত জমি আবাদের আওতায় আনতে অস্ট্রেলিয়ার এসিআইএআর (অস্ট্রেলিয়া সেন্টার ফর ইন্টারন্যাশনাল অ্যাগ্রিকালচারাল রিসার্চ) প্রকল্পের সহায়তায় বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউটের যৌথ উদ্যোগ গবেষণা শুরু হয়। ২০১৭ সাল থেকে এই গবেষণা করে আসছে তারা। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ফাউন্ডেশনের (কেজিএফ) অর্থায়নে ইউনিভার্সিটি অব ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়া, সিএসআইআরও, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট, বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট এবং বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় যৌথ প্রকল্পের আওতায় এই গবেষণা করছে। গবেষণার অধীনে তালতলী উপজেলার নলবুনিয়া গ্রামে ২০ জন কৃষক গম চাষ করে সাফল্য পেয়েছেন।
এসব কৃষকের প্রত্যেকে এক বিঘা (৩৩ শতাংশ) জমিতে আমন ধান ওঠার আগেই জমি কিছুটা ভেজা থাকা অবস্থায় গমবীজ ছিটিয়ে দেন। এতে জমিতে লবণাক্ততার পরিমাণ বৃদ্ধির আগেই গমগাছ বেড়ে ওঠে। ফলে দু-একবার সেচ দিলেই ৯০ থেকে ১০০ দিনের মধ্যে গম ঘরে তোলা যায়।
গমচাষি ইউসুফ হাওলাদার বলেন, ‘আমাদের জমিতে বছরে একবার মাত্র আমন ধান আবাদ করতে পারতাম। শুষ্ক মৌসুমে জমিতে মাত্রাতিরিক্ত লবণাক্ততার কারণে আর কোনো ফসল উৎপাদন করা সম্ভব হয় না। তবে গম আবাদের প্রকল্পের লোকজন আমাদের বিনা চাষে গম উৎপাদনের পদ্ধতি হাত-কলমে শিখিয়ে দিলে এ বছর এক বিঘা জমিতে গম আবাদ করি। এক বিঘা জমিতে যে ফলন হয়েছে, তাতে ৮-১০ মণ গম পাব বলে আশা করছি। নামমাত্র খরচে পতিত জমিতে গম উৎপাদন করতে পেরে আমি খুশি।’
নলবুনিয়া গ্রামে গম কর্তন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বরগুনা-১ আসনের সংসদ সদস্য গোলাম সরোয়ার টুকু। বরগুনা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. জোদায়দুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন কৃষক ইদ্রিস হাওলাদার, তালতলী উপজেলা চেয়ারম্যান রেজবি-উল-কবির জোমাদ্দার, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তৌফিকুজ্জামান তনু।
এ বিষয়ে ইউনিভার্সিটি অব ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়ার ডেপুটি প্রজেক্ট লিডার ড. মৃন্ময় গুহ নিয়োগী বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে উপকূলীয় এলাকায় জমির লবণাক্ততা দিন দিন বাড়ছে। ফলে শুষ্ক মৌসুমে ১ লাখ হেক্টরের বেশি জমি পতিত থাকছে।
বরগুনার তালতলী উপজেলার নলবুনিয়া গ্রামে পতিত জমিতে লবণসহিষ্ণু জাতের গম উৎপাদন করে সাফল্য পেয়েছেন কৃষকেরা। জমি চাষ না করেই গমের ভালো ফলন পেয়ে কৃষকেরা বেশ খুশি। নামমাত্র খরচে গমের আবাদ করে তাঁরা লাভবান হচ্ছেন।
এ পদ্ধতিতে গম আবাদ করলে বরিশাল ও খুলনা বিভাগের কয়েকটি জেলায় শীতকালে কমপক্ষে ১ লাখ হেক্টর জমিতে ৩ লাখ টন গম উৎপাদন সম্ভব; যার বাজারমূল্য ১ হাজার ৪৪০ কোটি টাকা–এমনটাই মনে করছে কৃষি বিভাগ।
গত শনিবার দুপুরে তালতলীর নলবুনিয়া গ্রামে উৎপাদিত গম কাটার উদ্বোধন করা হয়। এ সময় কৃষি বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা উপকূলীয় এলাকার লবণাক্ত জমিতে গম চাষের উজ্জ্বল সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন।
কৃষকেরা জানান, বঙ্গোপসাগর তীরবর্তী হওয়ায় এখানকার আবাদি জমিতে লবণাক্ততার পরিমাণ খুব বেশি। এ কারণে তাঁরা বছর শুধু আমন ধান আবাদ করতে পারেন। ডিসেম্বরে আমন ধান কাটার পর শুষ্ক মৌসুমে জমিতে লবণাক্ততার পরিমাণ এতটাই বেড়ে যায় যে, এসব জমিতে আর কোনো ফসল ফলানো যায় না। বর্ষা এলেই আবার আমন ধান চাষাবাদ করেন তাঁরা। ফলে এখানকার কৃষিজমি বছরের প্রায় আট মাসই পতিত থাকে।
এ ধরনের পতিত জমি আবাদের আওতায় আনতে অস্ট্রেলিয়ার এসিআইএআর (অস্ট্রেলিয়া সেন্টার ফর ইন্টারন্যাশনাল অ্যাগ্রিকালচারাল রিসার্চ) প্রকল্পের সহায়তায় বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউটের যৌথ উদ্যোগ গবেষণা শুরু হয়। ২০১৭ সাল থেকে এই গবেষণা করে আসছে তারা। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ফাউন্ডেশনের (কেজিএফ) অর্থায়নে ইউনিভার্সিটি অব ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়া, সিএসআইআরও, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট, বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট এবং বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় যৌথ প্রকল্পের আওতায় এই গবেষণা করছে। গবেষণার অধীনে তালতলী উপজেলার নলবুনিয়া গ্রামে ২০ জন কৃষক গম চাষ করে সাফল্য পেয়েছেন।
এসব কৃষকের প্রত্যেকে এক বিঘা (৩৩ শতাংশ) জমিতে আমন ধান ওঠার আগেই জমি কিছুটা ভেজা থাকা অবস্থায় গমবীজ ছিটিয়ে দেন। এতে জমিতে লবণাক্ততার পরিমাণ বৃদ্ধির আগেই গমগাছ বেড়ে ওঠে। ফলে দু-একবার সেচ দিলেই ৯০ থেকে ১০০ দিনের মধ্যে গম ঘরে তোলা যায়।
গমচাষি ইউসুফ হাওলাদার বলেন, ‘আমাদের জমিতে বছরে একবার মাত্র আমন ধান আবাদ করতে পারতাম। শুষ্ক মৌসুমে জমিতে মাত্রাতিরিক্ত লবণাক্ততার কারণে আর কোনো ফসল উৎপাদন করা সম্ভব হয় না। তবে গম আবাদের প্রকল্পের লোকজন আমাদের বিনা চাষে গম উৎপাদনের পদ্ধতি হাত-কলমে শিখিয়ে দিলে এ বছর এক বিঘা জমিতে গম আবাদ করি। এক বিঘা জমিতে যে ফলন হয়েছে, তাতে ৮-১০ মণ গম পাব বলে আশা করছি। নামমাত্র খরচে পতিত জমিতে গম উৎপাদন করতে পেরে আমি খুশি।’
নলবুনিয়া গ্রামে গম কর্তন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বরগুনা-১ আসনের সংসদ সদস্য গোলাম সরোয়ার টুকু। বরগুনা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. জোদায়দুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন কৃষক ইদ্রিস হাওলাদার, তালতলী উপজেলা চেয়ারম্যান রেজবি-উল-কবির জোমাদ্দার, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তৌফিকুজ্জামান তনু।
এ বিষয়ে ইউনিভার্সিটি অব ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়ার ডেপুটি প্রজেক্ট লিডার ড. মৃন্ময় গুহ নিয়োগী বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে উপকূলীয় এলাকায় জমির লবণাক্ততা দিন দিন বাড়ছে। ফলে শুষ্ক মৌসুমে ১ লাখ হেক্টরের বেশি জমি পতিত থাকছে।
চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মালিকানায় থাকা এক প্লটের ২৮ একর জমি মিলেমিশে দখলে রেখেছে ৩৪ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান। এদিকে বিমানবন্দরের মালিকানাধীন তিনটি ক্যানটিনের ভাড়া পরিশোধ না করে ১৭-১৮ বছর দখলে রেখেছে একটি মহল। তা ছাড়া বিজয়নগর আবাসিক এলাকায় বিমানবন্দরেরই সরকারি জায়গা দখল
২ ঘণ্টা আগেময়মনসিংহ নগরীর ভেতর দিয়ে প্রবাহিত বিভিন্ন খালের মোট দৈর্ঘ্য প্রায় ৯ কিলোমিটার। বর্ষা মৌসুমে এসব খাল হয়েই নগরীর পানিনিষ্কাশন হয় পাশের নদীতে। খালগুলো খননে প্রতিবছর কোটি কোটি টাকা ব্যয়ও হয় ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের। কিন্তু এ খননেও কাজ হচ্ছে না। সামান্য বৃষ্টি হলেই নগরীর অধিকাংশ এলাকায় হাঁটুপানি জমে
২ ঘণ্টা আগেহবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন চলছেই। ড্রেজার মেশিন ব্যবহার করে প্রকাশ্যে তোলা হচ্ছে বালু। এতে যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে চা-বাগান, পাহাড়ি ছড়া, সংরক্ষিত বন ও ফসলি জমি, তেমনি ক্ষতি হচ্ছে রাস্তাঘাটেরও। স্থানীয়দের অভিযোগ, উপজেলা প্রশাসন মাঝেমধ্যে বালু উত্তোলন বন্ধে
৩ ঘণ্টা আগেমাদারীপুরের কালকিনির ভাটবালী আব্দুর রহমান মোল্লা বিদ্যাপীঠ নামের একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে শতাধিক কলাগাছ রোপণের অভিযোগ উঠেছে। ঈদুল ফিতরের ছুটির মধ্যে বিদ্যালয় বন্ধ থাকার সুযোগে এই গাছগুলো লাগানো হয়েছে। এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কালকিনি থানায় অভিযোগ দিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে