মুহাম্মদ মাসুদ আলম, চাঁদপুর
চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনা নদীতে চলতি বছরের শীত মৌসুমে একেবারেই মিলছে না ইলিশ মাছ। স্থানীয় জেলেরা দিনরাত নদী চষে বেড়ালেও মাছটির দেখা পাচ্ছেন না। অন্যদিকে চলছে বেআইনিভাবে জাটকা নিধন। আড়তে প্রতি মণ জাটকা বিক্রি হচ্ছে ৩৮-৪০ হাজার টাকা।
সদরের বিভিন্ন বাজার, মাছঘাট ও হাইমচর উপজেলার সবচেয়ে বড় মাছের আড়ত চরভৈরবী ঘুরে জানা গেল এসব তথ্য। চরভৈরবী মাছঘাট এলাকার জেলে করিম মিয়া ও শাহাবুদ্দিন বলেন, নদীতে পানি কম। সারা দিন নদীতে থাকলেও ইলিশ পাওয়া যায় না। কিন্তু ঋণ আছে, সংসার চালাতে হয়। যে কারণে এখন ছোট মাছ ধরেন।
মাছঘাটের ব্যবসায়ী বাবুল মিয়া বলেন, ‘শীত মৌসুমে নদীতে পানি কমে যায় এবং বিভিন্ন স্থানে চর জেগে ওঠে। ফলে ইলিশ কম পাওয়া যায়। এখন বিভিন্ন প্রজাতির ছোট মাছ বিক্রি করেই আমাদের আড়তগুলো চালু আছে। নদীতে ইলিশ নাই বললেই চলে। ছোট সাইজের কিছু ইলিশ পাওয়া গেলেও দাম অনেক বেশি। সারা দিনে প্রায় ২০টি আড়তে ২-৩ মণ ইলিশ বিক্রি হয়।’
জেলা শহরের ওয়্যারলেস মাছ বাজারে দেখা যায়, কয়েকজন ব্যবসায়ী জাটকা বিক্রি করছেন। আকার ৭-৮ ইঞ্চি হবে। প্রতি কেজির দাম চাইলেন ৮৫০-৯০০ টাকা। আরেক ব্যবসায়ী বিক্রি করছেন প্রতি কেজি ১ হাজার টাকা। মাছ কিনতে আসা রাবেয়া বেগম নামের একজন জানান, বাজারে ইলিশের দেখা মিলছে না। তাই তিনি ১ কেজি জাটকা কিনেছেন ৮৫০ টাকায়।
সদর উপজেলার বহরিয়া মাছঘাটে ইলিশ নেই। শুধু ছোট চিংড়ি বিক্রি হচ্ছে। ঘাটের ইলিশ আড়তগুলো ফাঁকা পড়ে আছে। হরিণা ফেরিঘাটসংলগ্ন মাছঘাটে রয়েছে প্রায় ১৪টি ইলিশের আড়ত। কিন্তু পুরো এলাকা এখন নীরব। কিছু জেলে জাটকা নিয়ে আসছেন। মুহূর্তেই সব হাঁকডাকে বিক্রি হয়ে যাচ্ছে। এই আড়তের পাইকার ব্যবসায়ী বিল্লাল হোসেন জানান, বড় আকারের ইলিশ নেই। জাটকা প্রতি হালি ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৮০০-৯০০ টাকায়।
চাঁদপুর মাছঘাটের আড়তদার ওমর ফারুক বলেন, শীতে মেঘনায় খুবই কম ইলিশ পাওয়া যাচ্ছে। সব আড়ত মিলিয়ে এখন ১০-১২ মণ মাছ বিক্রি হয়। তাও আকারে ছোট। জাটকার মণও ৩৮-৪০ হাজার টাকা।
এ নিয়ে কথা হলে সদর উপজেলা জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা মির্জা ওমর ফারুক আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘প্রতিবছরই শীত মৌসুমে নদীতে ইলিশ কম থাকে। যে কারণে ছোটবড় যে আকারের ইলিশ জেলেরা ধরে আনেন, তার দাম চড়া হয়। তবে আগামী মে মাসের পর থেকে ইলিশ পাওয়ার সম্ভাবনা আছে। কারণ তখন জাটকাগুলো আকারে বড় হবে।’
চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনা নদীতে চলতি বছরের শীত মৌসুমে একেবারেই মিলছে না ইলিশ মাছ। স্থানীয় জেলেরা দিনরাত নদী চষে বেড়ালেও মাছটির দেখা পাচ্ছেন না। অন্যদিকে চলছে বেআইনিভাবে জাটকা নিধন। আড়তে প্রতি মণ জাটকা বিক্রি হচ্ছে ৩৮-৪০ হাজার টাকা।
সদরের বিভিন্ন বাজার, মাছঘাট ও হাইমচর উপজেলার সবচেয়ে বড় মাছের আড়ত চরভৈরবী ঘুরে জানা গেল এসব তথ্য। চরভৈরবী মাছঘাট এলাকার জেলে করিম মিয়া ও শাহাবুদ্দিন বলেন, নদীতে পানি কম। সারা দিন নদীতে থাকলেও ইলিশ পাওয়া যায় না। কিন্তু ঋণ আছে, সংসার চালাতে হয়। যে কারণে এখন ছোট মাছ ধরেন।
মাছঘাটের ব্যবসায়ী বাবুল মিয়া বলেন, ‘শীত মৌসুমে নদীতে পানি কমে যায় এবং বিভিন্ন স্থানে চর জেগে ওঠে। ফলে ইলিশ কম পাওয়া যায়। এখন বিভিন্ন প্রজাতির ছোট মাছ বিক্রি করেই আমাদের আড়তগুলো চালু আছে। নদীতে ইলিশ নাই বললেই চলে। ছোট সাইজের কিছু ইলিশ পাওয়া গেলেও দাম অনেক বেশি। সারা দিনে প্রায় ২০টি আড়তে ২-৩ মণ ইলিশ বিক্রি হয়।’
জেলা শহরের ওয়্যারলেস মাছ বাজারে দেখা যায়, কয়েকজন ব্যবসায়ী জাটকা বিক্রি করছেন। আকার ৭-৮ ইঞ্চি হবে। প্রতি কেজির দাম চাইলেন ৮৫০-৯০০ টাকা। আরেক ব্যবসায়ী বিক্রি করছেন প্রতি কেজি ১ হাজার টাকা। মাছ কিনতে আসা রাবেয়া বেগম নামের একজন জানান, বাজারে ইলিশের দেখা মিলছে না। তাই তিনি ১ কেজি জাটকা কিনেছেন ৮৫০ টাকায়।
সদর উপজেলার বহরিয়া মাছঘাটে ইলিশ নেই। শুধু ছোট চিংড়ি বিক্রি হচ্ছে। ঘাটের ইলিশ আড়তগুলো ফাঁকা পড়ে আছে। হরিণা ফেরিঘাটসংলগ্ন মাছঘাটে রয়েছে প্রায় ১৪টি ইলিশের আড়ত। কিন্তু পুরো এলাকা এখন নীরব। কিছু জেলে জাটকা নিয়ে আসছেন। মুহূর্তেই সব হাঁকডাকে বিক্রি হয়ে যাচ্ছে। এই আড়তের পাইকার ব্যবসায়ী বিল্লাল হোসেন জানান, বড় আকারের ইলিশ নেই। জাটকা প্রতি হালি ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৮০০-৯০০ টাকায়।
চাঁদপুর মাছঘাটের আড়তদার ওমর ফারুক বলেন, শীতে মেঘনায় খুবই কম ইলিশ পাওয়া যাচ্ছে। সব আড়ত মিলিয়ে এখন ১০-১২ মণ মাছ বিক্রি হয়। তাও আকারে ছোট। জাটকার মণও ৩৮-৪০ হাজার টাকা।
এ নিয়ে কথা হলে সদর উপজেলা জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা মির্জা ওমর ফারুক আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘প্রতিবছরই শীত মৌসুমে নদীতে ইলিশ কম থাকে। যে কারণে ছোটবড় যে আকারের ইলিশ জেলেরা ধরে আনেন, তার দাম চড়া হয়। তবে আগামী মে মাসের পর থেকে ইলিশ পাওয়ার সম্ভাবনা আছে। কারণ তখন জাটকাগুলো আকারে বড় হবে।’
মৌলভীবাজারে মনু ও ধলাই নদীর ১৬টি প্রতিরক্ষা বাঁধসহ অন্যান্য ছোট নদীর অসংখ্য বাঁধ ভেঙে গত বছর জেলায় চার দফা বন্যা হয়েছে। বন্যায় ফসল ও ঘরবাড়ি হারিয়েছে হাজারো মানুষ। পানিবন্দী হয়ে পড়ে প্রায় চার লাখ মানুষ। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ছিল ৬০০ কোটি টাকার অধিক। এত কিছুর পরও জেলার অন্যতম প্রধান দুই নদীর প্রতিরক্ষা...
৫ মিনিট আগেপার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব বৈসাবি ঘিরে পাহাড়ে উৎসবের আমেজ শুরু হয়েছে। গতকাল শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে খাগড়াছড়ি শহরের নারানখাইয়া এলাকায় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউটের মাঠে ফিতা কেটে চার দিনব্যাপী উৎসবের উদ্বোধন করেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান...
১৬ মিনিট আগেচলছে চৈত্রের দাবদাহ। বাজারে কদর বেড়েছে রসাল ফল আনারসের। বিশেষ করে কদর বেড়েছে খাগড়াছড়ির বিভিন্ন পাহাড়ে উৎপাদিত আনারসের। কিন্তু আগেভাগে বাজারজাত করা এবং বেশি মুনাফার আশায় আনারসে মাত্রাতিরিক্ত ইথোফেন হরমোন প্রয়োগ করছেন চাষিরা। এতে স্বাস্থ্যঝুঁকির শঙ্কা তৈরি হয়েছে। তবে কৃষিবিদদের দাবি, পরিপক্ব ফল...
২০ মিনিট আগেরাজধানীর পল্লবী থানার কালশী ফ্লাইওভারে সড়ক দুর্ঘটনায় ওপর থেকে নিচে পড়ে দুই যুবকের মৃত্যু হয়েছে। তাঁরা দুজনই মোটরসাইকেল আরোহী ছিলেন। নিহতদের মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। তবে তাঁদের নাম-পরিচয় এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
১ ঘণ্টা আগে