কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি
ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাবে তিন দিনের টানা বর্ষণ ও উজানের ঢলে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের দেড় শতাধিক পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। পানির স্রোতে ধলাই নদ রক্ষা বাঁধের চৈতন্যগঞ্জ, নারায়ণপুর, চৈত্রঘাট, উবাহাটা ও সুরানন্দপুর এলাকায় ভাঙন দেখা দিয়েছে।
মৌলভীবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডের সহকারী প্রকৌশলী মো. রাসেল মিয়া ও মো. আব্দুর রহিম বাঁধে ভাঙনের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ভেঙে যাওয়া স্থানগুলো পরিদর্শন করে এসেছি। ঠিকাদারকে দ্রুত সময় কাজ করার জন্য বলা হয়েছে।’
জানা যায়, উপজেলার পতনঊষার ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চলের শতাধিক পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। এ ছাড়া শমশেরনগর ও মুন্সিবাজার ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল এলাকার আরও প্রায় ৫০টি পরিবার পানিবন্দী রয়েছে। দুই দিন ধরে এসব পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়ায় কষ্টে জীবন যাপন করছে।
গত মঙ্গলবার বিকেলে ধলাই নদ রক্ষা বাঁধের চৈতন্যগঞ্জ ও নারায়ণপুর, উবাহাটা ও সুরানন্দপুর এলাকায় নদীভাঙন দেখা দেয়। বুধবার চৈত্রঘাট এলাকায় ভাঙনে নদীর পানি ও পাহাড়ি ঢলে কমলগঞ্জ ও রাজনগর উপজেলার নিম্নাঞ্চলে দ্রুত পানি বৃদ্ধি পায়। তবে দুই দিনেও নিম্নাঞ্চলে পানি না কমার কারণে কৃষির ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা করছেন কৃষকেরা। এ ছাড়া আজও (বৃহস্পতিবার) থেমে থেমে মাঝারি ও ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে বন্যার পানি জলাবদ্ধতায় রূপ নিয়েছে।
পতনউষার ইউনিয়নের পানিবন্দী কামাল মিয়া বলেন, ‘আমরা দুই দিন ধরে পানিবন্দী হয়ে আছি। আমাদের কেউ সহযোগিতা করেনি।’
উপজেলার কৃষক আনোয়ার খান বলেন, ‘ঢল ও বন্যার পানিতে আমাদের আউশখেত, পেঁপে, বেগুনসহ শাকসবজির খেত পানিতে তলিয়ে গেছে। এগুলো সম্পূর্ণ বিনষ্ট হয়ে যাবে।’
পতনঊষার ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান অলি আহমদ খান বলেন, ‘নিম্নাঞ্চল এলাকার শতাধিক পরিবার দু’দিন ধরে পানিবন্দী রয়েছে।’
এ বিষয়ে কমলগঞ্জ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘পানিবন্দী পরিবারদের মধ্যে শুকনো খাবার বিতরণ করা হবে।’
কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জয়নাল আবেদীন বলেন, ‘বন্যায় পানিবন্দী ও ক্ষতিগ্রস্ত দরিদ্র পরিবারের মধ্যে শুকনো খাবারসহ সহযোগিতা প্রদান করা হবে।’
ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাবে তিন দিনের টানা বর্ষণ ও উজানের ঢলে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের দেড় শতাধিক পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। পানির স্রোতে ধলাই নদ রক্ষা বাঁধের চৈতন্যগঞ্জ, নারায়ণপুর, চৈত্রঘাট, উবাহাটা ও সুরানন্দপুর এলাকায় ভাঙন দেখা দিয়েছে।
মৌলভীবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডের সহকারী প্রকৌশলী মো. রাসেল মিয়া ও মো. আব্দুর রহিম বাঁধে ভাঙনের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ভেঙে যাওয়া স্থানগুলো পরিদর্শন করে এসেছি। ঠিকাদারকে দ্রুত সময় কাজ করার জন্য বলা হয়েছে।’
জানা যায়, উপজেলার পতনঊষার ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চলের শতাধিক পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। এ ছাড়া শমশেরনগর ও মুন্সিবাজার ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল এলাকার আরও প্রায় ৫০টি পরিবার পানিবন্দী রয়েছে। দুই দিন ধরে এসব পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়ায় কষ্টে জীবন যাপন করছে।
গত মঙ্গলবার বিকেলে ধলাই নদ রক্ষা বাঁধের চৈতন্যগঞ্জ ও নারায়ণপুর, উবাহাটা ও সুরানন্দপুর এলাকায় নদীভাঙন দেখা দেয়। বুধবার চৈত্রঘাট এলাকায় ভাঙনে নদীর পানি ও পাহাড়ি ঢলে কমলগঞ্জ ও রাজনগর উপজেলার নিম্নাঞ্চলে দ্রুত পানি বৃদ্ধি পায়। তবে দুই দিনেও নিম্নাঞ্চলে পানি না কমার কারণে কৃষির ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা করছেন কৃষকেরা। এ ছাড়া আজও (বৃহস্পতিবার) থেমে থেমে মাঝারি ও ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে বন্যার পানি জলাবদ্ধতায় রূপ নিয়েছে।
পতনউষার ইউনিয়নের পানিবন্দী কামাল মিয়া বলেন, ‘আমরা দুই দিন ধরে পানিবন্দী হয়ে আছি। আমাদের কেউ সহযোগিতা করেনি।’
উপজেলার কৃষক আনোয়ার খান বলেন, ‘ঢল ও বন্যার পানিতে আমাদের আউশখেত, পেঁপে, বেগুনসহ শাকসবজির খেত পানিতে তলিয়ে গেছে। এগুলো সম্পূর্ণ বিনষ্ট হয়ে যাবে।’
পতনঊষার ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান অলি আহমদ খান বলেন, ‘নিম্নাঞ্চল এলাকার শতাধিক পরিবার দু’দিন ধরে পানিবন্দী রয়েছে।’
এ বিষয়ে কমলগঞ্জ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘পানিবন্দী পরিবারদের মধ্যে শুকনো খাবার বিতরণ করা হবে।’
কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জয়নাল আবেদীন বলেন, ‘বন্যায় পানিবন্দী ও ক্ষতিগ্রস্ত দরিদ্র পরিবারের মধ্যে শুকনো খাবারসহ সহযোগিতা প্রদান করা হবে।’
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে রাতের আঁধারে খননযন্ত্র দিয়ে নদীতীরের মাটি কেটে নেওয়ার অপরাধে চার ব্যক্তির কাছ থেকে ২ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। গতকাল শুক্রবার রাতে উপজেলা সদরের বংশাই নদীর ত্রিমোহন ও লৌহজং নদীর পাকুল্যা ঋষিপাড়া এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে পৃথক অভিযান পরিচালনা করেন উপজ
৩ মিনিট আগেমিয়ানমার থেকে পণ্য নিয়ে টেকনাফ স্থলবন্দরে আসার পথে নাফ নদীর মোহনা থেকে পণ্যবাহী তিনটি কার্গো ছিনিয়ে নিয়ে গেছে আরাকান আর্মি। নাফ নদীর নাইক্ষ্যংদিয়ায় গত বৃহস্পতিবার (১৬ জানুয়ারি) দুপুরে তল্লাশির কথা বলে কার্গোগুলো আটক করে নিয়ে যায় আরাকান আর্মি। আজ শনিবার বিকেল পর্যন্ত জাহাজগুলো ছাড়েনি তারা।
৭ মিনিট আগেনির্বাচনের সাড়ে তিন বছর পর আদালতের রায়ের মাধ্যমে মেয়র হিসেবে শপথ নিতে পারায় অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রয়াত উপদেষ্টা এ এফ হাসান আরিফের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন ডা. শাহাদাত হোসেন।
১৪ মিনিট আগেপশ্চিম শিবরামপুর কোম্পানি মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহত কিশোরী দিনাজপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরেছে। এ ঘটনায় পুলিশ সুপারসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
৪৩ মিনিট আগে