আসাদুজ্জামান নূর, ঢাকা
গত পাঁচ বছরে দেশের পুঁজিবাজার থেকে উধাও হয়ে গেছেন প্রায় সোয়া ৬ লাখ বিনিয়োগকারী। এর মধ্যে অনাবাসী বিও হিসাবধারীর সংখ্যা ৭৬ হাজার ৪৯২ এবং দেশি বিও হিসাবধারী ৫ লাখ ৪৮ হাজার ৪৭৫টি। বিনিয়োগের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ব্রোকারেজ হাউস ও মার্চেন্ট ব্যাংকের মাধ্যমে তাঁরা এসব বেনিফিশিয়ারি ওনার্স (বিও) হিসাব খুলেছিলেন। কিন্তু দীর্ঘ সময় পরও এই বিনিয়োগ থেকে কাঙ্ক্ষিত মুনাফা না পেয়ে শেষ পর্যন্ত তাঁরা পুঁজিবাজার ত্যাগ করেছেন।
সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেডের (সিডিবিএল) মাধ্যমে পুঁজিবাজারের বিনিয়োগকারীর সব বিও হিসাবের তথ্য সংরক্ষণ করা হয়। প্রতিষ্ঠানটির হালনাগাদ তথ্য পর্যালোচনা থেকেই বিনিয়োগকারীদের পুঁজিবাজার ছাড়ার এমন তথ্য মিলেছে। সিডিবিএল বলছে, ২০২০ সালের ৭ অক্টোবর পর্যন্ত দেশে অনাবাসী বিনিয়োগকারীর বিও হিসাবের সংখ্যা ছিল ১ লাখ ২৩ হাজার ৪৫৭। এটি ক্রমেই কমে চলতি বছর ৯ অক্টোবর এসে দাঁড়িয়েছে ৪৬ হাজার ৯৬৫। অর্থাৎ, গত পাঁচ বছরের মধ্যে আড়াই গুণের বেশি (২.৬২) অনাবাসী পুঁজিবাজার থেকে উধাও হয়ে গেছেন, যা মোট অনাবাসী বিও হিসাবধারীর ৬১ দশমিক ৯৫ শতাংশ।
শুধু অনাবাসীই নয়, এই সময় দেশি বিনিয়োগকারীদেরও বিও সংখ্যা কমেছে ৫ লাখ ৪৮ হাজার ৪৭৫টি। অর্থাৎ পাঁচ বছরের ব্যবধানে এই বিও হিসাবধারীর সংখ্যা ২১ লাখ ৫৯ হাজার ৫০৪টি থেকে ১৬ লাখ ১১ হাজার ২৯টিতে এসে ঠেকেছে। এর মানে হচ্ছে, মোট দেশি বিও হিসাবের ২৫ দশমিক ৩৯ শতাংশ পুঁজিবাজার ত্যাগ করেছে।
এতে পুঁজিবাজারে মোট বিনিয়োগকারীর সংখ্যাই কমে গেছে। গত ৫ বছরে সব মিলিয়ে ৬ লাখ ২১ হাজার ৫৪টি বিও হিসাব কমেছে। ২০২০ সালের ৭ অক্টোবর বিও হিসাব ছিল ২২ লাখ ৯৬ হাজার ৩৭৩, যা ৯ অক্টোবর দাঁড়িয়েছে ১৬ লাখ ৭৫ হাজার ৩১৯টি। অর্থাৎ এই সময়ে ২৭ শতাংশ বিনিয়োগকারী পুঁজিবাজার ছেড়েছেন।
পুঁজিবাজার বিশ্লেষকেরা বিনিয়োগকারীর পুঁজিবাজার ত্যাগ কিংবা বিও হিসাবের সংখ্যা কমে যাওয়ার পেছনে বাস্তবিক হরেক রকম কারণ সামনে এনেছেন। তাঁরা বলছেন, বিদ্যমান পুঁজিবাজার দেশি কিংবা অনাবাসী কারোরই প্রত্যাশা পূরণ করতে পারছে না। উল্টো কষ্টার্জিত টাকা বিনিয়োগের পর জুয়াড়িদের ব্যাপক কারসাজি, গুজব, দুর্বল নজরদারি এবং সুশাসনের বিরাট ঘাটতির বিপরীতে ধারাবাহিক দরপতনের যন্ত্রণা সইতে হচ্ছে। তদুপরি অভ্যন্তরীণ অর্থনীতির পদ্ধতিগত জটিলতা ও রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার বহুমুখী প্রভাব মুনাফা তো দূরের কথা, তাঁদের মূল বিনিয়োগ সুরক্ষিত রাখাই অনিশ্চিত করে তুলেছে। উপায়ান্তর না পেয়ে বিনিয়োগকারীরা পুঁজিবাজার ছাড়ছেন। এতে মোট বিও হিসাবের সংখ্যাও আনুপাতিক হারে কমে গেছে।
এ বিষয়ে পুঁজিবাজার বিশ্লেষক এবং ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির স্কুল অব বিজনেস অ্যান্ড ইকোনমিকসের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মুসা অভিমত দিয়ে আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বিও হিসাব কমে যাওয়া মানে পুঁজিবাজারের বিনিয়োগকারীরা চলে যাওয়া। গত ৫ বছরে যাঁরাই পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করেছেন, তাঁরাই খারাপ অবস্থানে আছেন। এ অবস্থায় ছেড়ে না যাওয়ার তো কোনো কারণ দেখি না।
অনাবাসী বিনিয়োগকারী কমে যাওয়ার কারণ হিসেবে অধ্যাপক মুসা বলেন, ‘বিভিন্ন ব্রোকারেজ হাউস অনাবাসীদের নিয়ে আসে একটা সুনির্দিষ্ট মুনাফা দেওয়ার প্রতিশ্রুতিতে। কিন্তু পরবর্তী সময়ে আর দিতে পারে না। আমাদের দেশে শেয়ারবাজারের বিকল্প তো শুধু ব্যাংকে টাকা রাখা, কিন্তু ওদের তো আরও অনেক সুযোগ রয়েছে। বাংলাদেশের শেয়ারবাজারে যেমন বিনিয়োগ করতে পারেন, তেমনি তাঁরা অন্য দেশের বাজারেও যেতে পারেন। তাঁরা হয়তো সেটাই করেছেন।’
পর্যালোচনায় দেখা গেছে, ফ্লোর প্রাইসের কারণে প্রায় ২ বছর শেয়ার লেনদেন করা যেত না। বিনিয়োগ আটকে ছিল। এই অবস্থায় আবার ব্যাংকে আমানতের বিপরীতে সুদের হার বেড়ে গেছে। এর বিপরীতে ফিক্সড ইনকাম সিকিউরিটিজে বিনিয়োগ ভালো মুনাফা দিচ্ছে। ফলে শেয়ারবাজার ছেড়ে যেখানে বিনিয়োগ নিরাপদ ও ভালো মুনাফা দেয়, সেখানেই যাচ্ছেন বিনিয়োগকারীরা।
ডিএসইর পরিচালক শাকিল রিজভী বলেন, পুঁজিবাজার হলো অর্থনীতির প্রতিবিম্ব। সুদের হার বাড়লে বুঝতে হবে অর্থনীতি চাপের মুখে আছে। তখন পুঁজিবাজার চাপের মধ্যে থাকে। এই অবস্থায় রিটার্ন যেখানে, সেখানে তারা বিনিয়োগ করে। দেশে ডলার-সংকট আছে, বাড়ছে দামও। অনাবাসীরা শেয়ার বিক্রি করে এখন ডলার রাখছে। কিছু বিনিয়োগকারী রয়েছেন আইপিওশিকারি। তাঁরাও বাজার ছেড়ে চলে গেছেন। সেকেন্ডারি বাজারেও অনেকে লোকসানের মুখে পড়েছেন। ফলে তাঁরাও শেয়ার বিক্রি করে চলে গেছেন। জিনিসপত্রের দাম বাড়াতে সঞ্চয়ও হচ্ছে না। এতে উদ্বৃত্ত টাকা নিয়ে মানুষের শেয়ারবাজারে আসার প্রবণতাও কমে গেছে। ফলে বিও হিসাব কমেছে।
তথ্যমতে, ২০২০ সালের ৭ অক্টোবর দেশি বিনিয়োগকারীদের বিও সংখ্যা ছিল ২১ লাখ ৫৯ হাজার ৫০৪টি, পরের বছরের একই দিনে দাঁড়ায় ১৮ লাখ ৯৬ হাজার ৮৭৫টিতে। এরপর ২০২২ সালের ৭ অক্টোবরে বিও নেমে আসে ১৭ লাখ ৭০ হাজার ২৯৮টিতে এবং ২০২৩ সালের একই দিনে বিও কমে দাঁড়ায় ১৬ লাখ ৮০ লাখ ৩০৬টিতে।
গত পাঁচ বছরে দেশের পুঁজিবাজার থেকে উধাও হয়ে গেছেন প্রায় সোয়া ৬ লাখ বিনিয়োগকারী। এর মধ্যে অনাবাসী বিও হিসাবধারীর সংখ্যা ৭৬ হাজার ৪৯২ এবং দেশি বিও হিসাবধারী ৫ লাখ ৪৮ হাজার ৪৭৫টি। বিনিয়োগের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ব্রোকারেজ হাউস ও মার্চেন্ট ব্যাংকের মাধ্যমে তাঁরা এসব বেনিফিশিয়ারি ওনার্স (বিও) হিসাব খুলেছিলেন। কিন্তু দীর্ঘ সময় পরও এই বিনিয়োগ থেকে কাঙ্ক্ষিত মুনাফা না পেয়ে শেষ পর্যন্ত তাঁরা পুঁজিবাজার ত্যাগ করেছেন।
সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেডের (সিডিবিএল) মাধ্যমে পুঁজিবাজারের বিনিয়োগকারীর সব বিও হিসাবের তথ্য সংরক্ষণ করা হয়। প্রতিষ্ঠানটির হালনাগাদ তথ্য পর্যালোচনা থেকেই বিনিয়োগকারীদের পুঁজিবাজার ছাড়ার এমন তথ্য মিলেছে। সিডিবিএল বলছে, ২০২০ সালের ৭ অক্টোবর পর্যন্ত দেশে অনাবাসী বিনিয়োগকারীর বিও হিসাবের সংখ্যা ছিল ১ লাখ ২৩ হাজার ৪৫৭। এটি ক্রমেই কমে চলতি বছর ৯ অক্টোবর এসে দাঁড়িয়েছে ৪৬ হাজার ৯৬৫। অর্থাৎ, গত পাঁচ বছরের মধ্যে আড়াই গুণের বেশি (২.৬২) অনাবাসী পুঁজিবাজার থেকে উধাও হয়ে গেছেন, যা মোট অনাবাসী বিও হিসাবধারীর ৬১ দশমিক ৯৫ শতাংশ।
শুধু অনাবাসীই নয়, এই সময় দেশি বিনিয়োগকারীদেরও বিও সংখ্যা কমেছে ৫ লাখ ৪৮ হাজার ৪৭৫টি। অর্থাৎ পাঁচ বছরের ব্যবধানে এই বিও হিসাবধারীর সংখ্যা ২১ লাখ ৫৯ হাজার ৫০৪টি থেকে ১৬ লাখ ১১ হাজার ২৯টিতে এসে ঠেকেছে। এর মানে হচ্ছে, মোট দেশি বিও হিসাবের ২৫ দশমিক ৩৯ শতাংশ পুঁজিবাজার ত্যাগ করেছে।
এতে পুঁজিবাজারে মোট বিনিয়োগকারীর সংখ্যাই কমে গেছে। গত ৫ বছরে সব মিলিয়ে ৬ লাখ ২১ হাজার ৫৪টি বিও হিসাব কমেছে। ২০২০ সালের ৭ অক্টোবর বিও হিসাব ছিল ২২ লাখ ৯৬ হাজার ৩৭৩, যা ৯ অক্টোবর দাঁড়িয়েছে ১৬ লাখ ৭৫ হাজার ৩১৯টি। অর্থাৎ এই সময়ে ২৭ শতাংশ বিনিয়োগকারী পুঁজিবাজার ছেড়েছেন।
পুঁজিবাজার বিশ্লেষকেরা বিনিয়োগকারীর পুঁজিবাজার ত্যাগ কিংবা বিও হিসাবের সংখ্যা কমে যাওয়ার পেছনে বাস্তবিক হরেক রকম কারণ সামনে এনেছেন। তাঁরা বলছেন, বিদ্যমান পুঁজিবাজার দেশি কিংবা অনাবাসী কারোরই প্রত্যাশা পূরণ করতে পারছে না। উল্টো কষ্টার্জিত টাকা বিনিয়োগের পর জুয়াড়িদের ব্যাপক কারসাজি, গুজব, দুর্বল নজরদারি এবং সুশাসনের বিরাট ঘাটতির বিপরীতে ধারাবাহিক দরপতনের যন্ত্রণা সইতে হচ্ছে। তদুপরি অভ্যন্তরীণ অর্থনীতির পদ্ধতিগত জটিলতা ও রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার বহুমুখী প্রভাব মুনাফা তো দূরের কথা, তাঁদের মূল বিনিয়োগ সুরক্ষিত রাখাই অনিশ্চিত করে তুলেছে। উপায়ান্তর না পেয়ে বিনিয়োগকারীরা পুঁজিবাজার ছাড়ছেন। এতে মোট বিও হিসাবের সংখ্যাও আনুপাতিক হারে কমে গেছে।
এ বিষয়ে পুঁজিবাজার বিশ্লেষক এবং ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির স্কুল অব বিজনেস অ্যান্ড ইকোনমিকসের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মুসা অভিমত দিয়ে আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বিও হিসাব কমে যাওয়া মানে পুঁজিবাজারের বিনিয়োগকারীরা চলে যাওয়া। গত ৫ বছরে যাঁরাই পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করেছেন, তাঁরাই খারাপ অবস্থানে আছেন। এ অবস্থায় ছেড়ে না যাওয়ার তো কোনো কারণ দেখি না।
অনাবাসী বিনিয়োগকারী কমে যাওয়ার কারণ হিসেবে অধ্যাপক মুসা বলেন, ‘বিভিন্ন ব্রোকারেজ হাউস অনাবাসীদের নিয়ে আসে একটা সুনির্দিষ্ট মুনাফা দেওয়ার প্রতিশ্রুতিতে। কিন্তু পরবর্তী সময়ে আর দিতে পারে না। আমাদের দেশে শেয়ারবাজারের বিকল্প তো শুধু ব্যাংকে টাকা রাখা, কিন্তু ওদের তো আরও অনেক সুযোগ রয়েছে। বাংলাদেশের শেয়ারবাজারে যেমন বিনিয়োগ করতে পারেন, তেমনি তাঁরা অন্য দেশের বাজারেও যেতে পারেন। তাঁরা হয়তো সেটাই করেছেন।’
পর্যালোচনায় দেখা গেছে, ফ্লোর প্রাইসের কারণে প্রায় ২ বছর শেয়ার লেনদেন করা যেত না। বিনিয়োগ আটকে ছিল। এই অবস্থায় আবার ব্যাংকে আমানতের বিপরীতে সুদের হার বেড়ে গেছে। এর বিপরীতে ফিক্সড ইনকাম সিকিউরিটিজে বিনিয়োগ ভালো মুনাফা দিচ্ছে। ফলে শেয়ারবাজার ছেড়ে যেখানে বিনিয়োগ নিরাপদ ও ভালো মুনাফা দেয়, সেখানেই যাচ্ছেন বিনিয়োগকারীরা।
ডিএসইর পরিচালক শাকিল রিজভী বলেন, পুঁজিবাজার হলো অর্থনীতির প্রতিবিম্ব। সুদের হার বাড়লে বুঝতে হবে অর্থনীতি চাপের মুখে আছে। তখন পুঁজিবাজার চাপের মধ্যে থাকে। এই অবস্থায় রিটার্ন যেখানে, সেখানে তারা বিনিয়োগ করে। দেশে ডলার-সংকট আছে, বাড়ছে দামও। অনাবাসীরা শেয়ার বিক্রি করে এখন ডলার রাখছে। কিছু বিনিয়োগকারী রয়েছেন আইপিওশিকারি। তাঁরাও বাজার ছেড়ে চলে গেছেন। সেকেন্ডারি বাজারেও অনেকে লোকসানের মুখে পড়েছেন। ফলে তাঁরাও শেয়ার বিক্রি করে চলে গেছেন। জিনিসপত্রের দাম বাড়াতে সঞ্চয়ও হচ্ছে না। এতে উদ্বৃত্ত টাকা নিয়ে মানুষের শেয়ারবাজারে আসার প্রবণতাও কমে গেছে। ফলে বিও হিসাব কমেছে।
তথ্যমতে, ২০২০ সালের ৭ অক্টোবর দেশি বিনিয়োগকারীদের বিও সংখ্যা ছিল ২১ লাখ ৫৯ হাজার ৫০৪টি, পরের বছরের একই দিনে দাঁড়ায় ১৮ লাখ ৯৬ হাজার ৮৭৫টিতে। এরপর ২০২২ সালের ৭ অক্টোবরে বিও নেমে আসে ১৭ লাখ ৭০ হাজার ২৯৮টিতে এবং ২০২৩ সালের একই দিনে বিও কমে দাঁড়ায় ১৬ লাখ ৮০ লাখ ৩০৬টিতে।
লালমনিরহাটের বড় কমলাবাড়ির চাষি আসাদ মিয়া ঋণ করে এবার ২৭ শতাংশ জমিতে ফুলকপির চাষ করেছিলেন। ফলনও ভালো হয়েছে। আশা ছিল, ফুলকপি বিক্রি করে ঋণের টাকা শোধ করবেন। মুনাফার একটা অংশ দিয়ে সংসারের খরচ, আরেক অংশ দিয়ে পরবর্তী ফসল চাষের খরচ মেটাবেন। কিন্তু তাঁর সেই হিসাব ওলটপালট হয়ে গেছে। এবার ফুলকপির দাম ৫ থেকে ৬
২ ঘণ্টা আগেরাজস্ব আয় বাড়ানোর জন্য অন্তর্বর্তী সরকার অর্থবছরের মাঝামাঝি এসে ভ্যাটের (মূল্য সংযোজন কর) ওপর ভর করার যে পথটি বেছে নিয়েছে, তা প্রতিকূল ফলাফল নিয়ে আসতে পারে বলে অর্থনীতিবিদেরা আশঙ্কা করছেন। ৪৩ ধরনের পণ্য ও সেবার ওপর ১৫ শতাংশ ভ্যাট আরোপের মাধ্যমে সরকার সম্পদশালীদের ওপর সরাসরি বাড়তি কর আরোপের পরিবর্তে
৩ ঘণ্টা আগেফেব্রুয়ারির পর ব্যবসা-বাণিজ্যের ১৯ বিভাগের সব লাইসেন্স আবেদন বাধ্যতামূলকভাবে অনলাইনে করতে হবে। তা না হলে ওই বিভাগের বরাদ্দ বন্ধ করা হবে বলে জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।
৩ ঘণ্টা আগেগাড়ি আমদানির ঋণপত্রে (এলসি) শতভাগ আগাম জমা বা নগদ মার্জিনের শর্ত শিথিল করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সম্পূর্ণ ইলেকট্রিক ও হাইব্রিড মোটরকার আমদানিতে ব্যাংকার-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে এবং অন্যান্য মোটরকারের আমদানি ঋণপত্র স্থাপনের ক্ষেত্রে ন্যূনতম ৫০ শতাংশ নগদ মার্জিন সংরক্ষণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে