পুরো রমজান মাস আমাদের ঐতিহ্য অনুযায়ী বেশ কিছু অস্বাস্থ্যকর খাবার আমরা খেয়ে থাকি। তাই এ সময় আমাদের পরিপাকতন্ত্র বেশ নাজুক থাকে। বিশেষ করে যাদের হৃৎপিণ্ডের অসুখ আছে, তাদের জন্য ঈদের দিনগুলোতে অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।
আপনার যদি হৃৎপিণ্ডের অসুখ না-ও থাকে, যদি বয়স ৪০-এর বেশি হয়, ওজন বেশি কিংবা রক্তে কোলেস্টেরল বেশি থাকে, ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ থাকে, ধূমপানের অভ্যাস থাকে অথবা হৃদ্রোগের বংশগত ইতিহাস থাকে, তাহলেও আপনি হৃৎপিণ্ডের অসুখের ঝুঁকিতে আছেন। সে ক্ষেত্রে আপনাকেও লাইফস্টাইল পরিবর্তন করতে হবে।
হৃৎপিণ্ডের রোগীর জন্য সবচেয়ে খারাপ হচ্ছে তেল-চর্বিজাতীয় খাবার। এগুলো রক্তের ঘনত্ব বাড়িয়ে দেয়। এর ফলে শরীরে রক্তসঞ্চালনে হৃৎপিণ্ডের ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি হয়। এই চাপ দুর্বল হৃৎপিণ্ডকে আরও দুর্বল করে দেয়। এ ক্ষেত্রে হার্ট ফেইলিউরের মতো ঘটনা ঘটতে পারে। তাই ঈদের দিনেও নিয়ম মেনেই খাবার খেতে হবে।
বিধি ও নিষেধ
গরু ও খাসির মাংস না খাওয়া উত্তম। চামড়া ছাড়া মুরগি বা হাঁসের মাংস খাওয়া যাবে। গরু বা খাসির মাংসের গায়ে যে সাদা চর্বি লেগে থাকে, সেটা বাদ দিয়ে রান্না করে ঝোল ছাড়া পরিমিত পরিমাণে খাওয়া যাবে। কলিজা, মগজ, পায়া বা অঙ্গপ্রত্যঙ্গ খাবেন না। এসব উচ্চ চর্বিযুক্ত খাবার হার্টের জটিলতা বাড়াবে।
লবণে সতর্ক থাকুন
হার্টের রোগীদের জন্য খারাপ উপাদান হচ্ছে লবণ। তাই রান্নায় লবণের ব্যবহার কমাতে হবে। অতিরিক্ত লবণ খেলে রক্তে অতিরিক্ত পানি যোগ হয়। অর্থাৎ, পানিসহ রক্তের পরিমাণ বেড়ে যায়। এ ক্ষেত্রে শরীরে রক্ত সঞ্চালনের জন্য হার্টকে আরও জোরে জোরে পাম্প করতে হবে। এতে হার্টের ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়বে এবং অসুখ আরও বেড়ে যাবে। একজন সুস্থ স্বাভাবিক মানুষের জন্য প্রতিদিন ৫ গ্রামের বেশি লবণ খাওয়া উচিত নয়। হার্টের রোগীর জন্য সেটা ৩ থেকে ৪ গ্রাম।
মাংস খেতে হবে পরিমিত
মাংস খাওয়ার ব্যাপারে অতিরিক্ত সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। মাংসে খারাপ চর্বির পরিমাণ মাছ অপেক্ষা কিছুটা বেশি থাকে। একজন সুস্থ স্বাভাবিক ৭০ কেজি ওজনের পূর্ণবয়স্ক ব্যক্তি সারা দিনে ২৫০ থেকে ৩০০ গ্রাম মাংস খেতে পারেন। তবে অন্য কোনো প্রোটিনের উৎস থাকলে মাংসের পরিমাণ কমাতে হবে। বেশি মাংস খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য, রক্তে কোলেস্টেরলের পরিমাণ বাড়া, উচ্চ রক্তচাপ, হার্টের অসুখ, পাইলস, ফিসার, ইউরিক অ্যাসিড ইত্যাদির সমস্যা বেড়ে যেতে পারে।
মিষ্টি
ভালো থাকার টিপস
মো. ইকবাল হোসেন, পুষ্টিবিদ, জ্যেষ্ঠ পুষ্টি কর্মকর্তা, চট্টগ্রাম ডায়াবেটিক জেনারেল হাসপাতাল, চট্টগ্রাম

স্বাধীনতার পর পাঁচ দশকের বেশি সময় ধরে দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। মাতৃ ও শিশুমৃত্যুর হার কমেছে, বেড়েছে গড় আয়ু। তবে অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ, জনস্বাস্থ্যের উন্নয়ন এবং স্বাস্থ্যসেবার ব্যবস্থাপনায় রয়েছে সীমাবদ্ধতা।
৩ দিন আগে
শীতকে বিদায় জানিয়ে চলে এসেছে ঋতুরাজ বসন্ত। প্রকৃতিতে ছড়াচ্ছে উষ্ণতা। এই অবস্থায় ঋতু পরিবর্তনজনিত কারণে অনেকেই এখন সর্দি-জ্বরে আক্রান্ত হচ্ছেন। এ ক্ষেত্রে কয়েকটি বিষয় অনুসরণ করলেই রোগীর কষ্ট কিছুটা কমানো সম্ভব।
৪ দিন আগে
প্যালিয়েটিভ কেয়ার সোসাইটি অব বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ নটর ডেম অ্যালামনাই অব নর্থ আমেরিকার উদ্যোগে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের জন্য প্যালিয়েটিভ কেয়ার সেনসিটাইজেশন অনুষ্ঠান হয়ে গেল। আজ ১৫ ফেব্রুয়ারি, নটর ডেম ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের সার্বিক সহায়তায় বিশ্ববিদ্যালয়টির ক্যাম্পাসে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়...
৫ দিন আগে
দরজায় কড়া নাড়ছে মাহে রমজান, মুসলিম জাতির জন্য শ্রেষ্ঠ মাস। সুন্দরভাবে সিয়াম সাধনা করতে আগে থেকে মাসটি নিয়ে থাকে অনেক পরিকল্পনা। সেই পরিকল্পনার একটা বড় অংশ হচ্ছে মাহে রমজানের খাওয়াদাওয়া। কীভাবে খাবার খেলে কোনো ধরনের জটিলতা ছাড়াই রোজা রাখা যাবে, সেটা বেশ গুরুত্বপূর্ণ।
৬ দিন আগে