
বরফের চাদর সরিয়ে উঁকি দিচ্ছে সবুজ পাতা ও ফুলের দল। তবে কি বসন্ত এসে গেল! আনন্দের বদলে কিন্তু আশঙ্কার মেঘই দেখছেন বিজ্ঞানীরা। কারণ এই ফুল ফুটেছে অ্যান্টার্কটিকায়। এর আগে এই তীব্র শীতল অঞ্চলে এত দ্রুত কখনো কোনো উদ্ভিদের বৃদ্ধি হয়নি। সঙ্গে আবার ফুল ফোঁটা!

সাদা সাদা ফুলে ভরে আছে পুরো গাছ। শত বছর ধরে নাকি এভাবে ফুল ফুটিয়ে যাচ্ছে সে! সেই পুরোনো সঙ্গীসাথি কেউ নেই, বয়সের ভারে তাদের শরীর গেছে ধুলায় মিশে। এখন একা দাঁড়িয়ে আছে শতবর্ষী কুরচি, সাদা রঙের সুগন্ধি ফুলে ভরা ক্ষুদ্র আকৃতির বৃক্ষ।

‘এই যে অমলতাস, গাছ, পাখি ছেড়ে মাটিতে নেমে এসো তো বাবা। এখন সংখ্যাকে একটু ভালোবাসো দেখি।’ এভাবে শুরু হয়েছিল পূর্বিতা পুরকায়স্থর গল্প ‘অমলতাস’। একটু খটকা লেগেছিল বটে শব্দটি দেখে—অমলতাস! গুগল জানাল, এটি আসলে আমাদের অতিপরিচিত সোনালু ফুলের নাম।

আলেক্সান্ডার ক্যাসেল ময়মনসিংহের জমিদারদের বাগানবাড়ি। ১৮৭৯ সালে মহারাজ সূর্যকান্ত ৯ একর জমির ওপর এই বাগানবাড়ি নির্মাণ করেন। এলাকাবাসীর কাছে ‘লোহার কুঠি’ নামে পরিচিত এবং রবীন্দ্র স্মৃতিবিজড়িত এই আলেক্সান্ডার ক্যাসেলের দক্ষিণ দিকে দুই পাশে দুটি শ্বেতচাঁপার গাছ আছে।