কিডনি রোগীদের ডায়ালাইসিস করার জন্য ব্যবহৃত ‘ব্লাডলাইনের’ (একধরনের ক্যাথেটার) তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে বাজারে। ফলে পণ্যটি কয়েক গুণ বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। রোগীর স্বজনেরা বাধ্য হয়ে বাড়তি দামে তা কিনছেন।
কিডনি রোগীদের একটি সাধারণ জিজ্ঞাসা, তাঁরা রোজা রাখতে সক্ষম কি না। একজন কিডনি রোগী রোজা পালন করতে পারবেন কি না, তা নির্ভর করে তাঁর সার্বিক শারীরিক সুস্থতা ও কিডনির কার্যক্ষমতার ওপর। ক্রনিক কিডনি ডিজিজ বা সিকেডি স্টেজ ১ থেকে ৫ পর্যন্ত পাঁচ ভাগে বিভক্ত। এর শেষ ধাপ ইন্ড স্টেজ রেনাল ডিজিজ বা ইএসআরডি।
ক্রনিক কিডনি ডিজিজকে (সিকেডি) মূলত ৫ ভাগে ভাগ করা যায়—Stage-1 থেকে Stage-5; আর শেষ ধাপ ESRD (End Stage Renal Disease), যখন একজন রোগীকে ডায়ালাইসিস-নির্ভর থাকতে হয়। এ ক্ষেত্রে যারা Stage-4, Stage-5 ও ESRD রোগী বা যারা পেরিটোনিয়াল বা হেমোডায়ালাইসিস-নির্ভর, তারা রোজা রাখার জন্য সম্পূর্ণভাবে অনুপযুক্ত..
বাংলাদেশে কিডনি রোগীদের চিকিৎসা ব্যয়বহুল এবং সীমিত পরিসরে হওয়ায় প্রতিবছর অসংখ্য রোগী উন্নত চিকিৎসার আশায় বিদেশে পাড়ি জমান। বিশেষত, কিডনি প্রতিস্থাপন ও ডায়ালাইসিস সুবিধা পর্যাপ্ত না থাকায় রোগীরা ভারত, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ডসহ বিভিন্ন দেশে চিকিৎসা নিতে বাধ্য হচ্ছেন। এই প্রবণতা রোধে ১১টি প্রস্তাব দিয়েছে
দেশে ৩ কোটি ৮০ লাখ মানুষ কোনো না কোনো মাত্রার কিডনি রোগে আক্রান্ত। দীর্ঘমেয়াদি এই রোগের বিস্তার উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। ফলে আক্রান্ত ব্যক্তি, পরিবার এবং
স্বাস্থ্যকর খাবার যদি বেশি খাওয়া হয় তাহলে সেটি শরীরের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। হেলদি ফ্যাটযুক্ত খাবার অতিরিক্ত গ্রহণে ক্যালরি বেড়ে যেতে পারে, ফাইবারযুক্ত খাবার অতিরিক্ত গ্রহণ পেটে গ্যাস ও অস্বস্তির কারণ হতে পারে। আবার অতিরিক্ত প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার কিডনির ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে। তাই যেকোনো খাবারের...
২০২১ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের পর মিয়ানমারে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়। এরপরেই ব্যাপকভাবে বাড়তে থাকে দ্রব্যমূল্য। সে সময় দারিদ্র্যের চাপে নিজের কিডনি বিক্রির সিদ্ধান্ত নেন জিয়া (ছদ্মনাম) নামে মিয়ানমারের এক কৃষক। জিয়া জানান, তাঁর ছোট পরিবারকে খাওয়াতে পারছিলেন না। ঋণের বোঝায় ছিলেন জর্জরিত।
স্ত্রীর অনবরত অনুরোধে স্বামী শেষ পর্যন্ত রাজি হন। এক বছরের চেষ্টার পর তিন মাস আগে একজন ‘ক্রেতা’ খুঁজে পান তাঁরা। ১০ লাখ টাকার বিনিময়ে নিজের একটি কিডনি বিক্রি করেন স্বামী। তিনি আশা করেছিলেন, এতে পরিবারের দারিদ্র্য কিছুটা হলেও কমবে এবং মেয়ের বিয়ের ব্যবস্থা সহজ হবে। কিন্তু তিনি জানতেন না, তাঁর স্ত্রীর
পিরোজপুরের আবদুর রহিমের (ছদ্মনাম) ১০ মাসের ছেলে জন্মগত হৃদ্রোগের জটিলতায় ভুগছে। চিকিৎসকের পরামর্শে সম্প্রতি ভর্তি করানো হয় জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে (এনআইসিভিডি)। হৃৎপিণ্ডের সংক্রমণ তীব্র হওয়ায় উচ্চ-মাত্রার অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োগ করায় শিশুটির সিরাম ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা বেড়ে যায়। এতে কিডনি প্রায় শতভা
বেঁচে থাকার জন্য আট বছর ধরে ডায়ালাইসিস করাতেন আলাবামার বাসিন্দা টোয়ানা লুনি। কিন্তু গত মাসে একটি শূকরের কিডনিতে জিনগত পরিবর্তন (জেনোট্রান্সপ্লান্টেশন) এনে সফলভাবে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে লুনির দেহে। যা তাঁকে ডায়ালাইসিসের যন্ত্রণা থেকে মুক্তি দিয়েছে। নতুন জীবন পেয়েছেন টোয়ানা লুনি। চিকিৎসকেরা বলছেন, এটি
একজন কিডনি রোগীকে প্রতি মাসে ডায়ালাইসিসের জন্য গড়ে ৪৬ হাজার ৪২৬ টাকা ব্যয় করতে হয় বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান (বিআইডিএস)। প্রতিষ্ঠানটি বলেছে, এই খরচ রোগীভেদে সর্বনিম্ন ৬ হাজার ৬৯০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ২ লাখ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত হয়।
রোগে-শোকে মানুষকে প্রতিনিয়ত কিছু না কিছু ওষুধ খেতে হয়। নিত্যপণ্যের এই ঊর্ধ্বগতির বাজারে যেখানে সাধারণ মানুষের তিনবেলা আহারের জোগান দেওয়াই কষ্টকর, সেখানে জীবন রক্ষার জন্য দ্বিগুণ-তিনগুণ দামে ওধুষ কিনতে গিয়ে জীবন আরও ওষ্ঠাগত। দেশে এখন নিম্নআয়ের ৪০ শতাংশ মানুষের মোট আয়ের ২০ শতাংশ খরচ হচ্ছে ওষুধ কিনতেই।
বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি মানুষকে প্রভাবিত করে উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন। হৃদরোগ, স্ট্রোক, কিডনির ক্ষতি এবং দৃষ্টি শক্তিসহ বেশ কিছু গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যার প্রধান ঝুঁকির কারণ এটি। এই ধরনের ঝুঁকি কমানোর জন্য স্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রা ও বিভিন্ন ধরনের ওষুধ সেবনের পরামর্শ দেন চিকিৎসকেরা। তবে সম্প্রতি যুক্তরাষ
দেশের প্রায় ৫০ লাখ শিশু বিভিন্ন পর্যায়ের কিডনি রোগে ভুগছে। এসব রোগীর মধ্যে আড়াই লাখ দীর্ঘমেয়াদি কিডনি রোগে ভুগছে। দেশের বিভিন্ন হাসপাতালের বহির্বিভাগের আগত শিশু রোগীদের প্রায় ৫ শতাংশ কিডনির সমস্যা নিয়ে আসে। শিশুর কিডনি বিকল রোগে পেরিটোনিয়াল ডায়ালাইসিস শীর্ষক এক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বক্তারা এসব কথা ব
আরহাস ইউনিভার্সিটির গবেষকেরা কিডনির প্রথম দিকের পরিবর্তন শনাক্ত করতে একটি উন্নত স্ক্যানার ব্যবহারে সফলতা পেয়েছেন। গবেষণাটি প্রকাশিত হয়েছে ইনভেস্টিগেটিভ রেডিওলজি জার্নালে।
ফরিদপুরের উঠতি বয়সী তরুণেরা দালালদের প্রলোভনে পড়ে অবৈধ পথে ইতালিযাত্রা করেই চলেছেন। তবে তাঁদের এই যাত্রায় অধিকাংশ সময়ই পড়তে হয় মাফিয়া চক্রের হাতে। হতে হয় অমানবিক নির্যাতনের শিকার। জিম্মি করে আদায় করা হয় লাখ লাখ টাকা মুক্তিপণ, না দিলে নেওয়া হয় কিডনি। উত্তাল ভূমধ্যসাগরে ডুবে প্রাণহানি তো রয়েছেই।
দেশে প্রতি চারজন প্রাপ্তবয়স্কের মধ্যে একজনের উচ্চ রক্তচাপে ভুগছেন। যারা উচ্চ রক্তচাপে ভুগছেন তাদের হৃদ্রোগ, স্ট্রোক, ক্যানসার, কিডনি রোগ, শ্বাসতন্ত্রের রোগ ও ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন অসংক্রামক রোগের উচ্চতর ঝুঁকিতে রয়েছেন। কিন্তু দেশের কমিউনিটি ক্লিনিক ও উপজেলা পর্যায়ে উচ্চ রক্তচাপের ওষুধের সংকট রয়েছে।