তামাকমুক্ত শহর তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে হংকং। বিষয়টি কার্যকর করতে প্রথমে ধূমপায়ীদের দিকে একযোগে নেতিবাচক দৃষ্টিতে তাকাতে হবে বলে জানিয়েছেন দেশটির স্বাস্থ্যমন্ত্রী লো চুং-মাউ। যুক্তরাজ্যের স্কাই নিউজ এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
প্রফেসর লো চুং-মাউ বলেছেন, ‘ধূমপান নিষিদ্ধ এলাকায় কেউ যদি সিগারেট ধরায়, সেখানে সবার উচিত ওই ব্যক্তির দিকে নেতিবাচক দৃষ্টিতে তাকানো। এতে ‘পাল্টা আঘাত’ করার সম্ভাবনা নেই।’
গতকাল শুক্রবার আইন পরিষদের স্বাস্থ্য পরিষেবা প্যানেলের একটি সভায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সিগারেট সবার স্বাস্থ্যের ক্ষতি করতে পারে। যখন জনসাধারণের সদস্যরা ধূমপানমুক্ত এলাকায় লোকজনকে ধূমপান করতে দেখেন, এমনকি যদি কোনো আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তা তাৎক্ষণিকভাবে উপস্থিত না হন, আমরা ধূমপায়ীদের দিকে নেতিবাচক দৃষ্টিতে তাকাতে পারি।’
স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ‘যখন কেউ রেস্তোরাঁয় সিগারেট টানে, তখন সেখানে থাকা প্রত্যেকেই সেই ব্যক্তির দিকে তাকাতে পারে। আমি বিশ্বাস করি না যে সেই ব্যক্তি রেস্তোরাঁয় থাকা সবাইকে পাল্টা আঘাত করার সাহস করবে। কারণ তারা কেবল তাকিয়ে আছে।’
অধ্যাপক লো বলেছেন, ‘এই আচরণ শহরে একটি ‘ধূমপানমুক্ত সংস্কৃতি’ তৈরিতে সহায়তা করবে। একটি বাসস্টপে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়ানোকে উদাহরণ হিসেবে নিন। কেউ বলবে না যে মানুষকে লাইনে দাঁড়াতে বাধ্য করার জন্য আইনের প্রয়োজন।’

কাঁকড়াটি খাওয়ার পরদিন থেকেই এমার শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে। তাঁর ঠোঁট নীল হয়ে যায় এবং তাঁর বারবার খিঁচুনি হচ্ছিল। পরবর্তীকালে অচেতন অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। কিন্তু চিকিৎসকেরা তাঁকে বাঁচাতে পারেননি। স্থানীয় গ্রামপ্রধান ল্যাডি গেমাং বলেন, এমা এবং তাঁর স্বামী দুজনেই অভিজ্ঞ মাছ শিকারি...
৮ দিন আগে
প্রাত্যহিক জীবনের ছোটখাটো ভুল যে কখনো কখনো বড় কোনো বিপদের খোঁজ এনে দেয়, তারই এক চিত্র যেন দেখা গেল অ্যান্ডি জনসনের পরিবারে। সম্প্রতি পিপল ডটকমের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, কীভাবে ছেলের পায়ে ভুল জুতা পরিয়ে দেওয়ার একটি সাধারণ ঘটনা এক বাবার ক্রমশ দৃষ্টিশক্তি হারানোকে সামনে নিয়ে এল।
১২ দিন আগে
অলিম্পিক মানেই রেকর্ড আর সাফল্যের লড়াই। কিন্তু ২০২৬ মিলান-কোর্টিনা শীতকালীন অলিম্পিকের মঞ্চে এবার এক নজিরবিহীন ও বিচিত্র বিতর্কের জন্ম হয়েছে। পুরুষ স্কি জাম্পাররা তাঁদের লিঙ্গে ‘হায়ালুরোনিক অ্যাসিড’ ইনজেকশন দিয়ে শরীরের আয়তন বাড়ানোর চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
১৪ দিন আগে
ভাগ্য আর দক্ষতা যখন এক হয়ে যায়, তখনই মনে হয় এমন কিছু ঘটে যা মিরাকলই বলা যায়। তেমনই কিছু ঘটেছে গণিতে পিএইচডিধারী এক নারীর জীবনে। ১৭ বছরে চারবার লটারি জিতে ২ কোটি ডলারেরও বেশি অর্থ পেয়েছেন তিনি। যা কি না সাধারণ লটারি জেতার প্রচলিত সব পরিসংখ্যানকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে দিয়েছে।
১৬ দিন আগে