লোগো উন্মোচনের মধ্য দিয়ে আজকের পত্রিকার পাঠক ও বন্ধুদের সংগঠন ‘পাঠকবন্ধু’র যাত্রা শুরু হলো।
আজ বৃহস্পতিবার আজকের পত্রিকার প্রধান কার্যালয়ের সভাকক্ষে সম্পাদক ড. মো. গোলাম রহমান ও ব্যবস্থাপনা সম্পাদক কামরুল হাসানসহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা কেক কেটে লোগো উন্মোচন করেন।
ড. মো. গোলাম রহমান বলেন, ‘পাঠকবন্ধুর সঙ্গে যারা জড়িত, তারা যেন তাঁদের এলাকায়, পরিবারে এবং প্রতিষ্ঠানের জন্য ভালো কিছু করেন। এই দৃষ্টিভঙ্গি ও মনোবৃত্তি থাকলে সমাজ তথা দেশ এগিয়ে যাবে। আজকের পত্রিকা আপনাদের সঙ্গে আছে। আপনারও আজকের পত্রিকার সঙ্গে থাকবেন।’
কামরুল হাসান বলেন, ‘ভালো কাজ করার মানুষের অভাব নেই, শুধু দরকার তাঁদের সংগঠিত করা। আমরা এই সংগঠনের মাধ্যমে তাঁদের সংগঠিত করতে চাই।’
অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের মধ্যে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির মো. খশরু আহসান, ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির নাবিলা শাহবাজি দিয়া, আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশের মো. তাহমিদ আল মাহাবুব খান এলিন ও নারায়ণগঞ্জের রণদা প্রসাদ সাহা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবরিন সুলতানা উর্বরা বক্তব্য রাখেন।
বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের পাশাপাশি শিক্ষার্থী, কিশোর, তরুণ-যুবাদের ঐক্যবদ্ধ করে সুন্দর সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখতে চায় আজকের পত্রিকা। এই স্বপ্নকে ধারণ করেই ‘পাঠকবন্ধু’ আত্মপ্রকাশ করেছে। সংগঠনটি সমাজ তথা দেশকে সামনে এগিয়ে নিতে কাজ করবে। লোগো উন্মোচন অনুষ্ঠানে বক্তারা এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন আজকের পত্রিকার সহসম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক খান। এ ছাড়া রাজধানীর বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আসা শিক্ষার্থীরা অনুষ্ঠানটি প্রাণবন্ত করে তোলেন।

২১ ফেব্রুয়ারির আগে-পরের বছরগুলোজুড়ে নানা কিছু ঘটছিল। এখন এসে দিনগুলোতে ফিরে গেলে শিহরণ বোধ করি, বাংলা ভাষা নিয়ে এখন কিছু হতে দেখলে সেসব দিনে ফিরে যাই। তেমনই একটা হলো ১৯৪৮ সালের ২৪ মার্চ সমাবর্তন সভা। পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল জিন্নাহ ঘোষণা দিলেন—ঢাকাতেই, উর্দু পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা।
৩ ঘণ্টা আগে
২১ ফেব্রুয়ারি আমতলার সভায় সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছিলেন গাজীউল হক। ভাষা আন্দোলন বিষয়ে তিনি লিখেছেন, ‘ভাষা আন্দোলন কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। এ আন্দোলন ধীরে ধীরে গড়ে উঠেছে। ১৯৪৭ সালে এ আন্দোলনের বুনিয়াদ রচনা হয়। ১৯৪৮-এ আন্দোলনের অঙ্কুরোদ্গম হয়। ১৯৫২ সালে এ আন্দোলন এক বিরাট মহীরূহে পরিণত হয়।
১ দিন আগে
বাংলা ভাষার প্রতি ভালোবাসার প্রকাশ দেখা যায় কবি ফররুখ আহমদের মধ্যে। ১৯৪৭ সালের সেপ্টেম্বর-অক্টোবরের সওগাতে তিনি ‘পাকিস্তান: রাষ্ট্রভাষা ও সাহিত্য’ নামে প্রবন্ধে লিখেছিলেন, ‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা কী হবে, এ নিয়ে যথেষ্ট বাদানুবাদ চলছে আর সবচাইতে আশার কথা এই যে, আলোচনা হয়েছে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে...
৬ দিন আগে
১৯৪৭ সালের ৩০ জুন দৈনিক আজাদে ছাপা হওয়া ‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা’ শিরোনামে প্রকাশিত প্রবন্ধে আবদুল হক লিখেছিলেন, ‘পাকিস্তানের সবচেয়ে প্রচলিত ভাষা পাঁচটি। বেলুচি, পশতু, সিন্ধি, পাঞ্জাবি ও বাংলা। পশ্চিম পাকিস্তানে উর্দু ভাষা নেই, তা নয়, বাংলাও আছে। কিন্তু পূর্ব পাকিস্তানের তো নয়ই, পশ্চিম...
১৫ দিন আগে