নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
খতনা করাতে এসে মালিবাগের জে এস ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড মেডিকেল চেকআপ সেন্টার ও হাসপাতালে মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থীর মৃত্যুর ঘটনায় অভিযান চালিয়ে ডায়াগনস্টিক সেন্টারটিতে তালা ঝুলিয়ে সিলগালা করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। অধিদপ্তর জানিয়েছে, অ্যানেসথেসিয়া দেওয়ার জন্য হাসপাতালের অনুমোদন প্রয়োজন হয়। কিন্তু এই হাসপাতালের শুধু ডায়াগনস্টিক সেন্টারের অনুমোদন আছে। যে কারণে তাদের অ্যানেসথেসিয়া, দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই।
আজ বুধবার দুপুরে রাজধানীর মালিবাগ জে এস ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড মেডিকেল চেকআপ সেন্টারে এসে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মইনুল আহসান।
মইনুল আহসান বলেন, ‘আমরা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পক্ষে থেকে শিশু আহনাফের মৃত্যুর ঘটনায় শোক ও দুঃখ প্রকাশ করছি। আমরা জেনেছি গতকাল সামান্য একটা মুসলমানির জন্য শিশুটিকে এই হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। ডা. ইশতিয়াক নামের একজন এই খতনার সার্জন ছিলেন, আর ডা. মাহবুব মুর্শেদ শিশুটির অ্যানেসথেটিস্ট ছিলেন। অভিযোগ অনুসারে অ্যানেসথেসিয়া দিয়ে শিশুটিকে অজ্ঞান করার পর আর তার জ্ঞান ফেরেনি। পরে আমরা মিডিয়ার মাধ্যমে ঘটনাটি জানতে পেরেছি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে কথা বলে প্রতিষ্ঠানটিতে তালা মারা হয়েছে।’
ডা. মইনুল বলেন, হাসপাতালটির সমস্ত তথ্য আমাদের হাতে এসেছে। আমরা সেগুলো পর্যবেক্ষণ-পর্যালোচনা করছি। যতটুকু পেয়েছি, প্রতিষ্ঠানটির হাসপাতাল কার্যক্রম চালানোর কোনো অনুমোদন ছিল না, তবে তাদের ডায়াগনস্টিক কার্যক্রম পরিচালনার অনুমোদন রয়েছে। সুতরাং তারা যদি কোনো রোগীকে অ্যানেসথেসিয়া দিয়ে থাকে, সেটি অন্যায় করেছে। আমরা আরও তদন্তের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেব। আর যিনি অপারেশন করেছেন, তার বিরুদ্ধে আমরা আমাদের আইনানুযায়ী বিভাগীয় ব্যবস্থা নিচ্ছি।’
এ ঘটনায় ভুলের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ময়নাতদন্তের পর বিশেষজ্ঞদের কাছে জেনে তারপর বলা যাবে আসলে কেন এই ঘটনা ঘটল, কী ভুল হয়েছে।
কঠোর ব্যবস্থা না নেওয়ায় বারবার একই ঘটনা ঘটার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ডা. মইনুল বলেন, ‘ইউনাইটেড মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ঘটনার পর আমরা হাসপাতালটি বন্ধ করেছি। মামলা চলমান আছে। এই ঘটনার পর আমরা সারা দেশে ১ হাজার ২৭টি ক্লিনিক বন্ধ করেছি। ইউনাইটেডের যদি কোনো প্রকার গাফিলতি থাকে অবশ্যই মামলার মাধ্যমে বিচার হবে।’
ল্যাবএইড হাসপাতালের ঘটনার বিষয়ে ডা. মইনুল বলেন, ‘গত পরশুদিন ল্যাবএইড হাসপাতালে এন্ডোস্কোপি করতে গিয়ে একজন রোগীর মৃত্যু হয়েছে। এটা আমরা অবগত আছি। গত মঙ্গলবার রাতে আমাদের একটি দল হাসপাতালটি পরিদর্শন করেছে। আমরা সকল তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করেছি। আরও তথ্য চাওয়া হয়েছে। সেগুলো বৃহস্পতিবার পাওয়া যাবে। সে ক্ষেত্রেও যদি কোনো ভুল থেকে থাকে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
খতনা করাতে এসে মালিবাগের জে এস ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড মেডিকেল চেকআপ সেন্টার ও হাসপাতালে মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থীর মৃত্যুর ঘটনায় অভিযান চালিয়ে ডায়াগনস্টিক সেন্টারটিতে তালা ঝুলিয়ে সিলগালা করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। অধিদপ্তর জানিয়েছে, অ্যানেসথেসিয়া দেওয়ার জন্য হাসপাতালের অনুমোদন প্রয়োজন হয়। কিন্তু এই হাসপাতালের শুধু ডায়াগনস্টিক সেন্টারের অনুমোদন আছে। যে কারণে তাদের অ্যানেসথেসিয়া, দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই।
আজ বুধবার দুপুরে রাজধানীর মালিবাগ জে এস ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড মেডিকেল চেকআপ সেন্টারে এসে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মইনুল আহসান।
মইনুল আহসান বলেন, ‘আমরা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পক্ষে থেকে শিশু আহনাফের মৃত্যুর ঘটনায় শোক ও দুঃখ প্রকাশ করছি। আমরা জেনেছি গতকাল সামান্য একটা মুসলমানির জন্য শিশুটিকে এই হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। ডা. ইশতিয়াক নামের একজন এই খতনার সার্জন ছিলেন, আর ডা. মাহবুব মুর্শেদ শিশুটির অ্যানেসথেটিস্ট ছিলেন। অভিযোগ অনুসারে অ্যানেসথেসিয়া দিয়ে শিশুটিকে অজ্ঞান করার পর আর তার জ্ঞান ফেরেনি। পরে আমরা মিডিয়ার মাধ্যমে ঘটনাটি জানতে পেরেছি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে কথা বলে প্রতিষ্ঠানটিতে তালা মারা হয়েছে।’
ডা. মইনুল বলেন, হাসপাতালটির সমস্ত তথ্য আমাদের হাতে এসেছে। আমরা সেগুলো পর্যবেক্ষণ-পর্যালোচনা করছি। যতটুকু পেয়েছি, প্রতিষ্ঠানটির হাসপাতাল কার্যক্রম চালানোর কোনো অনুমোদন ছিল না, তবে তাদের ডায়াগনস্টিক কার্যক্রম পরিচালনার অনুমোদন রয়েছে। সুতরাং তারা যদি কোনো রোগীকে অ্যানেসথেসিয়া দিয়ে থাকে, সেটি অন্যায় করেছে। আমরা আরও তদন্তের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেব। আর যিনি অপারেশন করেছেন, তার বিরুদ্ধে আমরা আমাদের আইনানুযায়ী বিভাগীয় ব্যবস্থা নিচ্ছি।’
এ ঘটনায় ভুলের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ময়নাতদন্তের পর বিশেষজ্ঞদের কাছে জেনে তারপর বলা যাবে আসলে কেন এই ঘটনা ঘটল, কী ভুল হয়েছে।
কঠোর ব্যবস্থা না নেওয়ায় বারবার একই ঘটনা ঘটার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ডা. মইনুল বলেন, ‘ইউনাইটেড মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ঘটনার পর আমরা হাসপাতালটি বন্ধ করেছি। মামলা চলমান আছে। এই ঘটনার পর আমরা সারা দেশে ১ হাজার ২৭টি ক্লিনিক বন্ধ করেছি। ইউনাইটেডের যদি কোনো প্রকার গাফিলতি থাকে অবশ্যই মামলার মাধ্যমে বিচার হবে।’
ল্যাবএইড হাসপাতালের ঘটনার বিষয়ে ডা. মইনুল বলেন, ‘গত পরশুদিন ল্যাবএইড হাসপাতালে এন্ডোস্কোপি করতে গিয়ে একজন রোগীর মৃত্যু হয়েছে। এটা আমরা অবগত আছি। গত মঙ্গলবার রাতে আমাদের একটি দল হাসপাতালটি পরিদর্শন করেছে। আমরা সকল তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করেছি। আরও তথ্য চাওয়া হয়েছে। সেগুলো বৃহস্পতিবার পাওয়া যাবে। সে ক্ষেত্রেও যদি কোনো ভুল থেকে থাকে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে আগুনে ৯ দোকান পুড়ে গেছে। এতে প্রায় ৩০ লাখ টাকা ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি ব্যবসায়ীদের। গতকাল শনিবার রাত দেড়টার দিকে খানখানাবাদ ইউনিয়নের ছৈয়দ আহমেদ টেক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
২৪ মিনিট আগেতিনি নিজেকে সাংবাদিক, রাজনীতিবিদ এবং প্রধান উপদেষ্টার এক সময়ের সহকর্মী বলে পরিচয় দেন। তিনি ট্রাফিক পরিদর্শক জি এম মুসার সঙ্গে দেখা করতে চান। তাঁকে প্রতি মাসে ১০ হাজার টাকা করে দিতে হবে বলে দাবি করেন। অন্যথায় তাঁর বিরুদ্ধে আইজিপির কাছে বিভিন্ন অনিয়ম উল্লেখ করে অভিযোগ দেবেন...
২৮ মিনিট আগেচেক প্রতারণার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও সাবেক সংসদ সদস্য সাকিব আল হাসানসহ দুজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। আজ রোববার ঢাকার অতিরিক্ত প্রধান মহানগর হাকিম জিয়াদুর রহমান পরোয়ানা জারির এই নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে সাকিব আল হাসান অ্যাগ্রো ফার্মের...
৩৬ মিনিট আগেমানিকগঞ্জ সদর উপজেলায় বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ হয়েছে। এ সময় তাঁরা আটিগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) কার্যালয়ে ভাঙচুর চালান। গত শুক্রবার সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে। এ সময় অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন।
৩৮ মিনিট আগে